
বিধানসভা ভোট বয়কটের ডাক দিল রেশন ডিলারদের সংগঠন ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন। রেশন ডিলারদের জীবন ও জীবিকার স্বার্থে আজ, সোমবার দুপুর ১টায় কলকাতা প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সন্মেলন করে তাঁরা একথা জানাবে।
তাঁদের দাবি, চাল, গম ও চিনির ক্ষেত্রে ডিলার প্রতি ন্যূনতম কমিশন ২৫০ টাকা করতে হবে (বর্তমানে যা মাত্র ৯৫ টাকা)। e-PoS এবং ইন্টিগ্রেটেড ওয়েইং স্কেলের মাধ্যমে রেশন বিতরণের জন্য NFSA আইন অনুযায়ী ডিলার প্রতি অতিরিক্ত ২১ টাকা কমিশন দিতে হবে। আমাদের অস্তিত্বকে সংকটে ফেলে এমন DBT, CBDC, ডিজিটাল ফুড কুপন এবং গ্রেইন এটিএম চালু করা যাবে না।
ওইসব দাবি না মানা হলে তাঁরা ভোট বয়কট করবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সংগঠনের তরফে বিশ্বম্ভর বসু বলেন, 'আমরা দীর্ঘদিন ধরে ওই দাবিগুলি করে আসছি। কিন্তু মানা হচ্ছে না। এবার তাই ভোট বয়কটের কথা ভাবছি।'
সম্প্রতি, গ্যাসের অভাবে তৈরি হওয়া সমস্যার মোকাবিলায় বাজারে অতিরিক্ত পরিমাণে কেরোসিন জোগানের ব্যবস্থা করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার৷ বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ পুরী সংসদে জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলিকে অতিরিক্ত ৪৮ হাজার কিলোলিটার কেরোসিন তেল বরাদ্দ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷
এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ৪১৬৪ কিলোলিটার কেরোসিন৷ এই তেল রেশন দোকান অথবা পিডিএস দোকানগুলির মাধ্যমে গ্রাহকদের দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী৷
অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলারস ফেডারেশনের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু জানিয়েছিলেন, গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে, তার উপর চাহিদা থাকলেও রান্নার গ্যাস মিলছে না৷ এই পরিস্থিতিতে রেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনা বা খাদ্য সাথী প্রকল্পে পাওয়া চাল, ডাল, আটা যাতে মানুষ রান্না করতে পারেন, তার জন্য অতিরিক্ত কেরোসিন সরবরাহের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছিল তাদের সংগঠন৷ কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রীকেও চিঠি দিয়েছিল তারা৷ এর পরই রাজ্যগুলিকে অতিরিক্ত কেরোসিন বরাদ্দ করার কথা জানান পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী৷