Supreme Court: 'রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়,' SIR শুনানিতে বাংলা প্রবাদ কেন সুপ্রিম কোর্টে?

SIR সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানির সময়ে শনিবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বাংলার প্রাচীণ প্রবাদবাক্য উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, 'রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়।' কেন এমনটা বললেন তিনি?

Advertisement
 'রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়,' SIR শুনানিতে বাংলা প্রবাদ কেন সুপ্রিম কোর্টে?
হাইলাইটস
  • বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বাংলার প্রাচীণ প্রবাদবাক্য বলেন
  • তিনি বলেন, 'রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়'
  • কেন এমনটা বলেন সুপ্রিম কোর্টের এই বিচারপতি?

'রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়...' SIR সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানির সময়ে শনিবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বাংলার এই প্রাচীণ প্রবাদবাক্য উত্থাপন করেন। কেন এমনটা বলেন তিনি?

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ডউটিতে থাকা ৬৫ জন কর্মীর দায়ের করা একটি মামলার শুনানি চলছিল এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চে। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা ওই ৬৫ জন রাজ্য সরকারি আধিকারিকের নামই ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। 

এই প্রসঙ্গেই বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর মুখ থেকে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে বাংলার এই প্রাচীণ প্রবাদবাক্য বেরিয়ে আসে। তিনি বলেন, 'রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়।' অর্থাৎ রাজ-মহারাজারা যুদ্ধ করেন এবং নিরীহ সাধারণ মানুষের প্রাণ চলে যায়। 

নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সওয়াল করা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা ৯২ শতাংশের বেশি রেকর্ড ভোটগ্রহণ এবং কম হিংসার প্রশংসা করেন। তিনি কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার বাইরে পরিস্থিতিকে শান্তিপূর্ণ বলেই উল্লেখ করেন।

এর জবাবে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, 'যখন নির্বাচন কমিশনের সর্বত্র প্রশংসা হচ্ছে, তখন এটাও মনে রাখা দরকার, শক্তিধর পক্ষে মধ্যে লড়াই হলে সাধারণ মানুষকে নিরাপদে রাখতে হবে। এমন যেন না হয়, বড়দের লড়াইয়ে ছোটরা পিষে মরল।'

এই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে চলা অবিশ্বাস এবং প্রশাসনিক বদলির প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশ্লেষক মহল। 

উল্লেখ্য, গত ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছে। প্রথম দফার ভোট মোটের উপর শান্তিপূর্ণ হয়েছে। বুথে গিয়ে ভোট দিয়েছেন ৯২.৮৮ শতাংশ মানুষ। পশ্চিমবঙ্গের ভোটারদের অভিনন্দন জানিয়ে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, স্বাধীনতার পর থেকে কখনও এ রাজ্যে ভোটদানের এই বিপুল হার দেখা যায়নি। একই কথা শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মুখেও। এবার দ্বিতীয় দফার নির্বাচন রয়েছে আগামী ২৯ এপ্রিল। সেখানে ৮ রাজ্যের ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ।  দ্বিতীয় দফাতেও আরও বেশি করে মানুষকে বুথমুখী করার জন্য আরও আঁটসাঁট ব্যবস্থা নিয়েছে কমিশন। ফলে হিংসা যাতে না হয়, আর তাতে কোনও নিরীহ মানুষ যাতে বলি না হন, সেটাই নিশ্চিত হোক চাইছে সুপ্রিম কোর্ট।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement