BLO Voter Decision: বুথে ভোটার প্রবেশ করতে পারবেন কি না ঠিক করবেন বিএলও, ছাপ্পা রুখতে নয়া প্ল্যান কমিশনের

চলতি ভোটে একাধিক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। আর ঠিক সেভাবেই 'ভোটার সহায়তা বুথ' তৈরি করেছে কমিশন। এই সহায়তা কেন্দ্রে উপস্থিত থাকবেন দুই জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। পাশাপাশি উপস্থিত থাকবেন বিএলও। তাঁর একজন সহকারীও থাকবেন। তাঁরাই ভোটারদের চিহ্নিত করবেন। পাশাপাশি ঠিক করে দেবেন কোন কোন ভোটার লাইনে দাঁড়াতে পারবেন। 

Advertisement
বুথে ভোটার প্রবেশ করতে পারবেন কি না ঠিক করবেন বিএলও, ছাপ্পা রুখতে নয়া প্ল্যান কমিশনেরভোটার নিয়ে বিএলও-এর সিদ্ধান্ত
হাইলাইটস
  • চলতি ভোটে একাধিক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন
  • আর ঠিক সেভাবেই 'ভোটার সহায়তা বুথ' তৈরি করেছে কমিশন
  • এই সহায়তা কেন্দ্রে উপস্থিত থাকবেন দুই জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান

চলতি ভোটে একাধিক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। আর ঠিক সেভাবেই 'ভোটার সহায়তা বুথ' তৈরি করেছে কমিশন। এই সহায়তা কেন্দ্রে উপস্থিত থাকবেন দুই জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। পাশাপাশি উপস্থিত থাকবেন বিএলও। তাঁর একজন সহকারীও থাকবেন। তাঁরাই ভোটারদের চিহ্নিত করবেন। পাশাপাশি ঠিক করে দেবেন কোন কোন ভোটার লাইনে দাঁড়াতে পারবেন। 

কমিশন সূত্রে খবর, প্রতিটি এলাকার বিএলও SIR-এর কাজ করেছেন। তাই তাঁরা ভোটারদের মোটের উপর চেনেন। এছাড়া তাঁদের কাছে ভোটার তালিকার একটা কপি থাকবে। সেই তালিকা দেখেই তাঁরা ভোটারের নাম এবং সিরিয়াল নম্বর খুঁজে দেবেন। পাশাপাশি তাঁরাই প্রথম ভোটারের পরিচয়পত্র পরীক্ষা করবেন। তারপরই সিদ্ধান্ত নেবেন ভোটার বুথের লাইনে দাঁড়াবে পারবেন কি না বা ভোট দিতে পারবেন কি না। 

কেন এই সিদ্ধান্ত? 
আসলে প্রতিবছরই ভোটের সময় ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ ওঠে। আর সেই সমস্যার সহজ সমাধান করতে চাইছে কমিশন। সেই মতো তারা বিএলও-দের কাজে লাগাচ্ছে। কমিশন এটা ভালোই জানে যে, SIR-এর কাজের সময় ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়েছে বিএলও-রা। তাঁরা মোটের উপর সব ভোটারকেই চেনেন। আর এই সুবিধাকেই কাজে লাগাতে চাইছে কমিশন। তাই ভোটার সহয়তা কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। 

এই সহায়তা কেন্দ্রে উপস্থিত থাকবেন বিএলও। পাশাপাশি দুইজন নিরাপত্তারক্ষীও উপস্থিত থাকার কথা। বিএলও-রাই প্রথমে ভোটারের পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখবেন। মিলিয়ে দেখবেন নাম ও ছবি। তাঁরা সন্তুষ্ট হলেই ভোটার লাইনে দাঁড়াতে পারবেন। দিতে পারবেন ভোট। 

যদিও শুধু পরিচয়পত্র দেখাই বিএলও-এর কাজের মধ্যে থাকছে না। বরং তাঁরা ভোটারের হাতে ভোটের কালি রয়েছে কি না, সেটাও দেখবেন। এমন কিছু দেখলেই তিনি নেবেন ব্যবস্থা। সেই ভোটারকে ভোট দিতে দেওয়া হবে না। এমনকী সেই ব্যক্তিকে নিরাপত্তা বাহিনীর কাছেও তুলে দিতে পারেন। 

আসলে এবারের ভোট সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে উঠেপড়ে লেগেছে কমিশন। কোথাও যেন ছাপ্পা বা রিগিং না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে চাইছে তারা। সেই মতো নজিরবিহীন সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি বুথে বুথে করা হয়েছে ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা। এর পাশাপাশি বুথ সহায়তা কেন্দ্র। সেখানে বিএলও-দের হাতেই তুলে দেওয়া হল বিশেষ দায়িত্ব।

Advertisement

এবার ভোটে বিএলও-রাই ঠিক করে দেবেন, কে ভোটের লাইনে দাঁড়াতে পারবেন, আর কে নয়। এখন দেখার কমিশনের এই কাজ ভোট সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় কতটা সাহায্য করে।

 

POST A COMMENT
Advertisement