বাংলায় কমিশনের কাজে মুগ্ধ মোদী, কৃষ্ণনগরের মঞ্চে তাত্‍পর্যপূর্ণ মন্তব্যও করলেন

তিনি বলেন, 'আজ পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি তামিলনাড়ুতেও ভোট হচ্ছে। আমি সকল ভোটারকে অভিনন্দন জানাই। আমার আবেদন, এবার ভোটে নতুন রেকর্ড হোক। গণতন্ত্রের এই উৎসব আমরা সকলে মিলে উদ্‌যাপন করি।' একইসঙ্গে সরকারি কর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, 'তাঁরা নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন বলেই শান্তিপূর্ণ ভোট সম্ভব হচ্ছে।'

Advertisement
বাংলায় কমিশনের কাজে মুগ্ধ মোদী, কৃষ্ণনগরের মঞ্চে তাত্‍পর্যপূর্ণ মন্তব্যও করলেন
হাইলাইটস
  • পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোট চলাকালীন নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
  • বৃহস্পতিবার কৃষ্ণনগরের গভর্নমেন্ট কলেজে মাঠের বিজয় সঙ্কল্প সভায় একথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোট চলাকালীন নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার কৃষ্ণনগরের গভর্নমেন্ট কলেজে মাঠের বিজয় সঙ্কল্প সভায় একথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রায় ৫০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে এবারের ভোটে হিংসা সবচেয়ে কম হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এবং এ জন্য নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, 'আজ পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি তামিলনাড়ুতেও ভোট হচ্ছে। আমি সকল ভোটারকে অভিনন্দন জানাই। আমার আবেদন, এবার ভোটে নতুন রেকর্ড হোক। গণতন্ত্রের এই উৎসব আমরা সকলে মিলে উদ্‌যাপন করি।' একইসঙ্গে সরকারি কর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, 'তাঁরা নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন বলেই শান্তিপূর্ণ ভোট সম্ভব হচ্ছে।'

তার দাবি, এবারের ভোটে মানুষের অংশগ্রহণও নজির গড়তে চলেছে। নদিয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, 'এই মাটি শক্তি, সংস্কৃতি ও ভক্তির ভূমি। এখন এখানে পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। কৃষ্ণনগরে ভয় কাটিয়ে মানুষের মধ্যে ভরসা তৈরি হচ্ছে।'

দেশের অন্যান্য রাজ্যের ভোটের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, 'অসম, কেরল ও পুদুচেরিতেও রেকর্ড ভোট পড়েছে।' তাঁর কথায়, 'যেখানে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে, সেখানে মানুষ পরিবর্তনের পক্ষেই রায় দিয়েছে। ৪ মে পশ্চিমবঙ্গেও সেই ফল দেখা যাবে বলেই তিনি আত্মবিশ্বাসী।'

নিজের বক্তব্যে রসিকতাও মিশিয়ে তিনি বলেন, '৪ মে বিজয়ের উৎসব হবে। মিষ্টি বিলি হবে, ঝালমুড়িও থাকবে।' তিনি আরও দাবি করেন, এবারের নির্বাচন কোনও একক দলের লড়াই নয়, বরং বাংলার মানুষ নিজেরাই পরিবর্তনের লক্ষ্যে ভোট দিচ্ছেন। 'আমি যেখানেই যাচ্ছি, মানুষ বলছে, অনেক হয়েছে, এবার পরিবর্তন দরকার,' বলেন তিনি।

এছাড়া বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন। কল্যাণীর এইমস থেকে শুরু করে মহিলাদের জন্য একাধিক পরিকল্পনার উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মহিলাদের আর্থিক সহায়তা, স্বনির্ভরতা, স্বাস্থ্যসুরক্ষা এবং নিরাপত্তার জন্য একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হবে। যেমন, মহিলাদের জন্য আর্থিক অনুদান, গর্ভবতীদের সহায়তা, শিশু লালনপালনে আর্থিক সাহায্য, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর জন্য ঋণ এবং স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা।
 

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement