শমীক ভট্টাচার্য-ফাইল ছবিপ্রত্যাবর্তন নাকি পরিবর্তন? তৃণমূল কি ফের ক্ষমতায় আসবে নাকি বঙ্গে উঠবে গেরুয়া ঝড়? ভবানীপুরের মতো হাইভোল্টেজ কেন্দ্রে জিতবে কে? ভোট শেষে যখন এসব প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে বাংলার আমজনতার মনে, ঠিক তখনই বিজেপির সদর দফতর থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বললেন, 'নতুন সরকার গড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। ভবানীপুর এখন বিজেপির গড়। শুভেন্দুর গড়।
বুধবার সকালে কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন মমতা। সকালে বেরিয়ে সোজা চলে যান চেতলায়। ফিরহাদ হাকিমের পাড়ার একটি বুথে যান তিনি। সেখানে গিয়ে ফিরহাদের সঙ্গে কথাও বলেন। ফিরহাদের বাড়িতে সোমবার রাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে পুলিশ পর্যবেক্ষকের যাওয়ার ঘটনায় ক্ষোভপ্রকাশ করেন। বিষয়টিতে শমীক বলেন, 'এটাই বিজেপির সাফল্য, মুখ্যমন্ত্রীকে সকালে ৭টায় নামিয়ে দিতে পেরেছি। তৃণমূলের খেলা শেষ।
পানিহাটির অশান্তি নিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'অভয়ার মৃতদেহ তাঁর বাবা-মাকে না জানিয়ে দাহ করা হয়েছিল। এটা ছিল তখনকার তৃণমূলের অ্যাজেন্ডা। তৃণমূল নেতাদের কর্মসূচি দেওয়া হয়েছিল। তাই প্রকৃতির নিয়ম মেনে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক অবলুপ্তি নিশ্চিত।
কেন্দ্রীয় বাহিনীর সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে শমীক বলেন, 'কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুণ্ডামির কারণেই পশ্চিমবঙ্গে রক্তপাত ছাড়া ভোট হয়েছে। অনুপম খেরের টাকে চুল গজাতে পারে, কিন্তু তৃণমূল আর ফিরছে না।'