মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ভবানীপুরে ভোট দিতে গিয়ে নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯৮৪ সাল থেকে নির্বাচনে লড়ছেন, এরকম অত্যাচার আগে কোনওদিন হয়নি, বলে বড় দাবি করেন মমতা। এরপরও দাবি করেন, তৃণমূলের জয় নিশ্চিত।
ভোট দিতে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মমতা। বলেন, "গতকাল রাত থেকে ওরা হিংসা চালাচ্ছে। আমাদের অনেক লোককে গ্রেফতার করেছে। এটি আশার প্রতি অবমাননা।"
তাঁর আরও বক্তব্য, "আমরা আমাদের কর্মীদের জনগণের মোকাবিলা করার জন্য পাঠিয়েছিলাম। এই ধরনের গণতন্ত্র কখনও দেখিনি। তারা সংবাদমাধ্যমকে তিরস্কার করেছেন, তারা যা-ই বলুক না কেন, তা মেনে চলতে হবে। কোনও বুথই নিরাপদে ছিল না। একটিও বুথ নয়। সব তারা দখল করে নিয়েছে।"
ক্ষুব্ধ মমতা বলেন, "এটা কি তাদের দায়িত্ব? তাদের উচিত সীমান্ত সুরক্ষিত করা। সীমান্ত সুরক্ষিত করার পরিবর্তে, তারা একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুরক্ষা দিচ্ছে। আমি দুঃখিত, আমি এই ধরনের জিনিস কখনও দেখিনি। ১৯৮৪ সাল থেকে আমার নির্বাচনে লড়ছি। আর এবারের অত্যাচার ভয়াবহ। অনেক নৃশংসতা চলছে। আরামবাগ, খানাকুল, গোঘাটেও অত্যাচার করছে। তৃণমূলই জিতছে। বিজেপি হারছে, দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা হবে তৃণমূলের।"
এও দাবি করেন, প্রচণ্ড হিংসা চলছে! এখন ওরা বারবার মানুষ মারছে। আর তাদের মধ্যে কয়েকজন নতুন নেতাও আছে।
বুধবার সকাল থেকেই নজিরবিহীন ভাবে মমতা বেরিয়ে পড়েন বাড়ি থেকে। বিভিন্ন বুথে বুথে ঘুরে পরিদর্শন করেন তিনি। এরই মধ্যে এক ভোটার অভিযোগ করেন, মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় তাঁদের হুমকি দিচ্ছেন।
সংবাদ সংস্থার দেওয়া ভিডিওতে ওই ব্যক্তি বলেন, "তিনি বুঝে গিয়েছেন, যে তিনি ভোটে হেরে যাচ্ছেন। তাই গাড়ি করে গুন্ডা নিয়ে এসেছেন। এমনই কটা লোক মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের গাড়ি থেকে নেমে আমাদের হুমকি দিয়েছে।" এই নিয়েই বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়েছেন মমতা। অধীর দাবি করেন, মমতার এহেন হাবভাব 'প্যানিক রিঅ্যাকশন'।