কুণাল ঘোষছাব্বিশের নির্বাচনে বিজেপি ৭৮-র বেশি আসন পাচ্ছে না বলে দাবি করেন তৃণমূল মুখপাত্র তথা প্রার্থী কুণাল ঘোষ। বিজেপির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ণের ফল দেখিয়ে এই দাবি করেন কুণাল। যদিও কোন দলের, কারা এই সমীক্ষা করেন তা তিনি উল্লেখ করেননি।
কুণালের দাবি, "কাউন্টিংয়ে বিজেপির টার্গেট সিট ৭৮-র বেশি উঠছে না। কোন দল এই হিসেব করেছে বলছি না। কাউন্টিং পর্যন্ত কোন দলকে কতটা গুরুত্ব দেবেন তাদের ৬ জন এই আসন ভাগ করেছেন। বিরোধীরাও নিশ্চিত ২০০-র বেশি আসন নিয়ে তৃণমূল ফিরছে। মেখালিগঞ্জ থেকে আসন ধরে ধরে যে বিশ্লেষণ করে মূল্যায়ন তৈরি করেছেন। কোনটা জেতার মতো, কোনটা নয় যে হিসেব করেছেন। তার থেকে শেষপর্যন্ত উঠে এসেছে তৃণমূল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফিরছে। কিছু কাটাছেঁড়াও করেছেন। কার হাতের লেখা নাম বলছি না, তারা চিনতে পারবেন। তৃণমূল ২৩০-২৫০টি আসন পাবেই। এতদিন অনেক হাঁকডাক ছিল, এখন বুঝে গেছে, তাই ওরা বলছে বাংলার মানুষ ভোট দিয়েছেন। ওদের রায় মেনে নিতে হবে। আমরা মানুষের পালস বুঝে বলি, তাই মেলে। পোস্টাল ব্যালট অন্য কোনও জায়গা থেকে ছাপ্পা মেরে আসছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছি।"
শনিবার তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের উদ্যোগে এক গুরুত্বপূর্ণ ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হল। বিকেল সাড়ে ৪টা নাগাদ শুরু হওয়া এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের সমস্ত কাউন্টিং এজেন্ট, প্রার্থী এবং শীর্ষ নেতৃত্ব। বৈঠকে বক্তব্য রাখেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
সূত্রের খবর বৈঠকে মমতা জানান, 'আমরা ২০০-র বেশি আসনে জিততে চলেছি।' একই সঙ্গে বুথফেরত সমীক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি দাবি করেন, শেয়ার বাজারকে চাঙ্গা রাখার উদ্দেশ্যেই সমীক্ষাগুলিতে বিজেপিকে এগিয়ে দেখানো হচ্ছে। তাঁর মতে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটেও একই কৌশল নেওয়া হয়েছিল।
তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর পক্ষ থেকে দলীয় কর্মীদের উপর অত্যাচার চালানো হয়েছে। পাশাপাশি তিনি আশ্বাস দেন, যারা এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন, দল তাঁদের যথাযথভাবে সম্মানিত ও পুরস্কৃত করবে।