শশী পাঁজাভোটের আগেও তৃণমূল এবং নির্বাচন কমিশনের তরজা চলছে। বুধবারই কমিশনের দফতরে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী শশী পাঁজা। সেখানে গিয়ে তিনি বলেন, 'পশ্চিমবঙ্গে বাকি ১৪২টি আসনে ভোটের শেষ দফা চলছে। আমরা সিইও-এর নজরে এনেছি যে বহু কেন্দ্রে বাইরে থেকে লোক ঢোকানো হচ্ছে। ভবানীপুর এবং উত্তর কলকাতার একাধিক কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটছে...'
এখানেই শেষ না করে তাঁর দাবি, ভোটের আগে থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মীদের টার্গেট করা হচ্ছে। তাদের লাগাতার করা হচ্ছে হয়রানি। তৃণমূলের কর্মীদের স্থানীয় থানায় ডাকা হচ্ছে। এভাবেই করা হচ্ছে হয়রানি। তাই তারা এ সব বিষয়গুলিও খতিয়ে দেখতে বলেন।
বিজেপি কর্মীদের কাছে প্রচুর নগদ উদ্ধার
শশী পাঁজা অভিযোগ করেন, বিজেপি নেতা ও কর্মীদের কাছে প্রচুর নগদ রয়েছে। তাদের কাছ থেকে প্রচুর নগদ উদ্ধারের ঘটনাও সামনে এসেছে। তাই এই সব বিষয়ে তারা নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ চাইছে।
ভবানীপুর নিয়ে শুভেন্দুর কী দাবি?
মঙ্গলবারই ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি করেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি অভিযোগ করেন, ভবানীপুরে রিগিং করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর সেই কাজটা করার জন্য ঘাসফুল ব্রিগেডের তরফে আঙুলের বিশেষ ধরনের গ্লাভস অর্ডার করা বয়েছে।
এই বিষয়ে শুভেন্দু বলেন, 'নিম্নরুচির ভোট চোরের দল তৃণমূল। ভোট চুরি করার জন্য ভুয়ো ফিঙ্গারপ্রিন্ট তৈরি করেছে। হাতেনাতে ধরা পড়ে গিয়েছে ওরা। এক বিশেষ ধরনের আঙুলের কভার কিনেছে।'
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওই এলাকারই এক কাউন্সিলারের কাজ এটা। সেই কাউন্সিলরই এই বিশেষ ধরনের আঙুলের কভার ৭৫০ পিস অর্ডার দিয়েছেন।
এখানেই শেষ না করে ভবানীপুরে ভুয়ো ভোটার রয়েছে বলেও সরব হলেন শুভেন্দু। তিনি দাবি করেন, এই কেন্দ্রে ৩ হাজার ৮১০টি ভোটার স্লিপ ফেরত পাঠানো হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, 'বুথের পর বুথে আমরা এই ধরনের একাধিক ঘটনার হদিশ পেয়েছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয় এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। শেষ ভোট না পড়া পর্যন্ত কাল আমি অপেক্ষা করবI তারপর তৃণমূলকে কভারের পিছনে কীকরে দৌড় করাতে হয় দেখাব।'