TMC Rejects Exit Polls: এগজিট পোলের 'বিজেপি লিড' ভুল, বাংলায় সবুজ ঝড় ওঠার দাবি তৃণমূলের

২৬-এ বাংলায় পালাবদল না প্রত্যাবর্তন? এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছে একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষা। আর কিছু এগজিট পোলে অনুমান করা হয়েছে, এবার বাংলায় পরিবর্তন হতে পারে। মসনদে বসতে পারে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি। যদিও এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের পক্ষ থেকে এই ধরনের এগজিট পোলের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। 

Advertisement
এগজিট পোলের 'বিজেপি লিড' ভুল, বাংলায় সবুজ ঝড় ওঠার দাবি তৃণমূলেরবাংলায় বড় মার্জিনে জয়ের আশায় তৃণমূল
হাইলাইটস
  • ২৬-এ বাংলায় পালাবদল না প্রত্যাবর্তন?
  • এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছে একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষা
  • এই ধরনের এগজিট পোলের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে

২৬-এ বাংলায় পালাবদল না প্রত্যাবর্তন? এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছে একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষা। আর কিছু এগজিট পোলে অনুমান করা হয়েছে, এবার বাংলায় পরিবর্তন হতে পারে। মসনদে বসতে পারে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি। যদিও এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের পক্ষ থেকে এই ধরনের এগজিট পোলের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। 

তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন সরাসরি এই ধরনের পোলের বিরুদ্ধাচারণ করেন। তিনি সমাজমাধ্যম এক্স-এ দাবি করেন, ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনেও একাধিক এগজিট পোল হয়েছিল। তার পূর্বাভাস বাস্তব ফলাফলের সঙ্গে মেলেনি।

তিনি লেখেন, 'এগজিট পোলের বিশ্বাসযোগ্যতা কী? ২০২১ সালের বাংলার নির্বাচনে চূড়ান্ত ফলাফলের সঙ্গে এগজিট পোলের অনুমান কতটা ভুল ছিল, তা দেখুন।'

ও’ব্রায়েন একটি স্লাইড শেয়ার করেন। যেখানে ২০২১ সালের তিনটি এক্সিট পোলের তথ্য তুলে ধরা হয়। সেখানে দেখা যায়, তৃণমূলকে ১৪৩-১৬২টি আসন এবং বিজেপিকে ১১৫-১৪৭টি আসন দেওয়ার পূর্বাভাস ছিল। কিন্তু বাস্তবে তৃণমূল ২১৫টি আসন জেতে। বিজেপি আটকে যায় ৭৭টি আসনে।

তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ সকেট গোখলেও এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। তাঁর মতে, পশ্চিমবঙ্গে এগজিট পোল সাধারণত ‘ক্লোজ কনটেস্ট’ বলে দেখায়। কিন্তু বাস্তবে এখানে জনতার রায় হয় একতরফা।

তিনি এক্স-এ পোস্ট করে লেখেন, 'এগজিট পোল সাধারণত বাংলায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখায়। কিন্তু বাস্তবে বাংলার রায় কখনওই কাছাকাছি হয় না। রায় সবসময়ই স্পষ্ট হয়।'

তিনি আরও বলেন, 'কোনও নির্ভরযোগ্য এগজিট পোল (যদি এমন কিছু থেকে থাকে) বিজেপির ১৮০-র বেশি আসনের ঝড় দেখাচ্ছে না। আমি রেকর্ডে বলছি, ৪ মে তৃণমূল কংগ্রেসই বাংলায় বড় ব্যবধানে সরকার গঠন করবে।'

মাথায় রাখতে হবে, পশ্চিমবঙ্গে মোট ২৯৪টি বিধানসভা আসন রয়েছে। এই রাজ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১৪৮টি আসন।

পশ্চিমবঙ্গে বেশিরভাগ এগজিট পোল বিজেপির জয়ের পূর্বাভাস দিয়েছে। তবে দু'টি সংস্থা পিপলস পালস এবং জনমত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের স্বচ্ছন্দ জয়ের পূর্বাভাস দিয়েছে।

Advertisement

পিপলস পালস তৃণমূলের জন্য ১৭৭-১৮৭টি আসন, বিজেপির জন্য ৯৫-১১০টি, বামফ্রন্টের জন্য ০-১টি এবং কংগ্রেসের জন্য ১-৩টি আসনের পূর্বাভাস দিয়েছে।

জনমত তৃণমূলের জন্য ১৯৫-২০৫টি আসন, বিজেপি জোটের জন্য ৮০-৯০টি এবং কংগ্রেসের জন্য ১-৩টি আসন অনুমান করেছে।

তবে এবারের জনমত সমীক্ষা বিজেপির দিকেই পাল্লা ভারী। ম্যাট্রিজ বিজেপি ১৪৬-১৬১টি আসন এবং তৃণমূলের ১২৫-১৪০টি আসন পাবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। আর পি-মার্ক বিজেপির জন্য ১৫০-১৭৫টি এবং তৃণমূলের জন্য ১১৮-১৩৮টি আসনের অনুমান করেছে।

পোল ডায়েরি বিজেপির জন্য ১৪২-১৭১টি আসন, তৃণমূলের জন্য ৯৯-১২৭টি এবং কংগ্রেসের জন্য ৩-৫টি আসনের পূর্বাভাস দিয়েছে। এখন দেখার এই সব বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বাস্তবে কতটা মেলে। তবে সেটা জানার জন্য ৪ মে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

 

POST A COMMENT
Advertisement