ঋজু দত্ততৃণমূলের ভরাডুবি হতেই বেসুরো পাঁচ মুখপাত্রকে শোকজ করল দল। নির্বাচনের ফল ঘোষণায় তৃণমূলের বিপর্যয়ের পরেই দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা। যে পাঁচজনকে শোকজ করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছেন কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী, ঋজু দত্ত, কোহিনুর মজুমদার, পাপিয়া ঘোষ এবং কার্তিক ঘোষ। তাঁদেরকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এবারের নির্বাচনে তৃণমূল মাত্র ৮০টি আসনে জয় ধরে রাখতে পেরেছে। ২০৭টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। এরপর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে ক্ষোভ তৈরি হয়। দলের হারের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করতে থাকে বরিষ্ঠ নেতাদের একাংশ। দলের কর্পোরেট কালচার, আইপ্যাক নিয়েও ক্ষোভ উগরে দেন একাধিক নেতা, প্রাক্তন বিধায়ক এবং মুখপাত্ররা।
সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া বিস্ফোরক অভিযোগের পর পরিস্থিতি সামাল দিতে দলের শৃঙ্খলারক্ষাকারী কমিটির তরফে ডেরেক ও’ব্রায়েন কড়া পদক্ষেপ করেন। শোকজ নোটিসে জানতে চাওয়া হয়, শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না কেন? এদিকে দল ছাড়তে চেয়েছেন প্রাক্তন বিধায়ক তথা পরিচালক রাজ চক্রবর্তী, মন্ত্রী মনোজ তিওয়ারিরা।
বেফাঁস মন্তব্য করেন ঋজু দত্ত। বিজেপির প্রশংসা শোনা যায় তৃণমূলের মুখপাত্র ঋজু দত্তের গলায়। ভিডিও পোস্ট করে একাধিক উদাহরণ দিলেন বিজেপির সৌজন্যের। শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন।
সব মিলিয়ে নির্বাচনে হারের পর তৃণমূলের অন্দরে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।