ভিনরাজ্যের বাঙালি ভোটারদের ফেরাতে ২৬টি সামার স্পেশাল ট্রেন, কোন কোন রুটে?

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে ভোটের প্রথম দফা ২৩ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফা ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ফলে ভোটের আগে এই বিশেষ ট্রেন পরিষেবা চালু হওয়াকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Advertisement
ভিনরাজ্যের বাঙালি ভোটারদের ফেরাতে ২৬টি সামার স্পেশাল ট্রেন, কোন কোন রুটে? ছবি পিটিআই
হাইলাইটস
  • পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের আবহে ভিনরাজ্যে থাকা বাঙালি ভোটারদের রাজ্যে ফেরাতে উদ্যোগী হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার।
  • সেই লক্ষ্যেই ‘সামার স্পেশাল ট্রেন’-এর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের আবহে ভিনরাজ্যে থাকা বাঙালি ভোটারদের রাজ্যে ফেরাতে উদ্যোগী হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই লক্ষ্যেই ‘সামার স্পেশাল ট্রেন’-এর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। মূলত বিভিন্ন রাজ্যে কর্মরত শ্রমিক ও কর্মচারীদের ভোটের সময় বাংলায় পৌঁছে দিতেই এই উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে।

সরকারি সূত্রে জানা যাচ্ছে, চলতি বছর গ্রীষ্মকালে দেশজুড়ে বিশেষ ট্রেনের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ করা হতে পারে। উত্তরপ্রদেশ ও বিহারের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের দিকেও বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে মুম্বই ও পুনে থেকে কলকাতা ও হাওড়ামুখী প্রায় ২৬টি সামার স্পেশাল ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকেই ধাপে ধাপে এই পরিষেবা শুরু হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে ভোটের প্রথম দফা ২৩ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফা ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ফলে ভোটের আগে এই বিশেষ ট্রেন পরিষেবা চালু হওয়াকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

রেল বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই উদ্যোগে এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চাইছে কেন্দ্র। একদিকে বাড়তি ভিড় সামাল দিয়ে সাধারণ যাত্রীদের সুবিধা দেওয়া, অন্যদিকে ভিনরাজ্যে থাকা বাঙালি ভোটারদের নিজ নিজ এলাকায় ফিরে এসে ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া, এই দুই লক্ষ্যই পূরণ করতে চাইছে সরকার।

তবে রেলমন্ত্রক এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনও ঘোষণা করেনি। সূত্রের দাবি, সামার স্পেশাল ট্রেন চালানো নতুন কিছু নয়। প্রতি বছর গ্রীষ্মকালে যাত্রীদের চাপ সামলাতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ২০২৫ সালে যেখানে প্রায় এক হাজার স্পেশাল ট্রেন চালানো হয়েছিল, সেখানে এ বছর সেই সংখ্যা বাড়িয়ে দুই থেকে আড়াই হাজার করার পরিকল্পনা রয়েছে।

রেল কর্তৃপক্ষের তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে নির্বাচনের কোনও সম্পর্ক নেই। কারণ এই ট্রেনগুলি জুন-জুলাই পর্যন্ত চলবে, যখন দেশে কোনও বড় নির্বাচন নির্ধারিত নেই।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement