PM মোদীর ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়েও শুরু রাজনৈতিক তরজারবিবার ছুটির দিনে বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে এসে চমক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ঝাড়গ্রামে এসে ঝালমুড়ি খেয়েছেন নমো। মুহূর্তে সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। তবে এবার সেই ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়েও শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূলের অভিযোগ, মোদীর ঝালমুড়ি খাওয়ার জেরেই ঝাড়গ্রামে নামতে পারেনি ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের হেলিকপ্টার।
TMC-র তরফে কী অভিযোগ করা হয়েছে?
তৃণমূলের তরফে দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আচমকা ঝালমুড়ির দোকানে ঢুকে যাওয়ার জেরে হেমন্ত সোরেন ও তাঁর স্ত্রী কল্পনা সোরেনের চপার ওই এলাকায় নামার অনুমতি পায়নি। বরং তাঁদেরকে জোর করে পাঠিয়ে দেওয়া হয় রাঁচিতে।
এক্স হ্যান্ডেলে তৃণমূলের তরফে পোস্ট করা হয়েছে, "প্রধান সেবক ঝালমুড়ি খাওয়ার জন্য ঝাড়গ্রামে থাকার সময়সীমা বাড়াতেই ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন এবং তাঁর স্ত্রী ও বিধায়িকা শ্রীমতী কল্পনা সোরেনের হেলিকপ্টারকে ঝাড়গ্রামে নামার অনুমতি দেওয়া হয়নি।"
তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়েছে, রবিবার বিকেলে দাঁতন ও কেশিয়ারিতে তৃণমূলের জনসভায় যোগ দেওয়ার জন্য ঝাড়গ্রামে চপার অবতরণের কথা ছিল সোরেন দম্পতির। কিন্তু দেখা গেল তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকারের চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর 'ফটো তোলার সুযোগ' বেশি প্রাধান্য পেয়েছে।
এরপরেই চড়া সুরে মোদীকে আক্রমণ করা হয়েছে TMC-র তরফে। এক্স বার্তায় তৃণমূলের তরফে লেখা হয়েছে, "নরেন্দ্র মোদীর আদিবাসী-বিরোধী মানসিকতা সবার সামনে চলে এসেছে। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত দুই নেতাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায করিয়ে রাখা হয়। এমনকি শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ না করেই তাঁদের রাঁচিতে ফিরতে বাধ্য করা হয়। আর এসবই ঘটেছে কারণ প্রধানমন্ত্রীর নিজের স্ন্যাকস বিরতি লম্বা করে ফটো শ্যুটের জন্য, ঝাড়খণ্ডের দুই নির্বাচিত নেতার গণতান্ত্রিক অধিকার ও সাংবিধানিক অবস্থানের চেয়ে এইসবই প্রাধান্য পেয়েছে বেশি।"