মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় বিভ্রাট। সভামঞ্চের অদূরে তারস্বরে মাইক বাজানোয় মিটিং করতে পারলেন না তিনি। সকলের উদ্দেশে হাতজোড় করে ক্ষমতা চেয়ে মঞ্চ ছাড়লেন। ঠিক কী ঘটল শনিবার সন্ধ্যায়?
এদিন ৭০ নম্বর ওয়ার্ডে জনসভা করছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চক্রবেড়িয়ার এই জনসভায় উপস্থিত ছিলেন বালিগঞ্জ কেন্দ্রের প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ও। মমতা বক্তব্য রাখার মাঝেই আচমকা মঞ্চের অদূর থেকে তারস্বরে মাইক বাজতে শুরু করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য রাখতে সমস্যা হচ্ছিল। জানা যায়, শুভেন্দু অধিকারীর সভা থেকেই ওই মাইকের আওয়াজ হচ্ছিল।
এরপরই তিনি মঞ্চ থেকে বলেন, 'কেন করবে এটা? ইলেকশনের কতগুলো রুলস আছে। তা হলে ওরাও যেদিন মিটিং করবে তোমরা পাল্টা মাইক লাগিয়ে দেবে। তখন পুলিশ তুলতে আসলে, মেয়েদের ধরে FIR করিয়ে দেবে। এটা পার্শিয়ালিটি।'
অত্যন্ত বিরক্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঞ্চে দাঁড়িয়েই ফোন করতে শুরু করেন। ততক্ষণে মাইকের আওয়াজ আরও কিছুটা বেড়ে গিয়েছে। শেষে মাইক হাতে নিয়ে বলেন, 'এভাবে আমার পক্ষে মিটিং করা সম্ভব? এ বার আপনারা বলুন। সাধারণ মানুষ দেখতে পাচ্ছেন। আমি সব অফিশিয়াল পারমিশন নিয়েছি। তার পরে আপনারা দেখুন, কী অ্যাটিটিউড। ওরা পশ্চিমবঙ্গকে দখল করতে জোর করে যা করছে, তা ঠিক নয়।' তাঁর সংযোজন, 'আমি দুঃখিত। আমাকে আইনি পদক্ষেপ করতে হবে। বুঝতে পারছেন তো এরা কেমন পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া করছে। আমার সামনেই চিৎকার করছে, যাতে আমি মিটিং করতে না পারি। আমাকে ক্ষমা করবেন। আমি সকলের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আমি কাল এখানে র্যালি করে দেব। আমি এই অসভ্যতামি করতে পারব না। এটা খুব অপমানজনক। এটা খুব হিউমিলেশন। আমি আপনাদের নমষ্কার জানিয়ে বিদায় নিচ্ছি। যদি পারেন, ভোটটা আমায় দেবেন। আমার সিম্বল নম্বর ২। কিন্তু এর প্রতিবাদে আপনাদের ভোটটা দিতে হবে।'