PM মোদীর সঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য শমীক ভট্টাচার্য। রাজ্য বিজেপির সভাপতি। সেই ভোট ঘোষণার সময় থেকেই বলে আসছেন, এবার পরিবর্তনের নির্বাচন। ভোটের পর এগজিট পোলও তারই ইঙ্গিত দিয়েছে। গণনার ২৪ ঘণ্টা আগেও আশাবাদী ওই পোড়খাওয়া নেতা।
ভোট হয়ে যাওয়ার পর আর ফল ঘোষণার আগে - মাঝের এই কটা দিন সাধারণত পরিবেশ হাল্কা থাকে। কিন্তু এবার পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। EVM কারচুপির অভিযোগ, কিছু কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের জেরে পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত। তবে শমীক একেবারেই বিচলিত নন। তাঁর কথায়, 'এবার উনি (মমতা)কিছুই করতে পারবেন না।'
এই আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি কি বিজেপির পক্ষে হাওয়া, নাকি সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ? প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, 'এটা প্রত্যাখ্যানের নির্বাচন। শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি থেকে বেকারত্ব- সবকিছুই তৃণমূলের পতনের কারণ হয়ে উঠছে।'
এক বছর আগে যখন শমীক ভট্টাচার্য বিজেপির দায়িত্ব নেন, তখন দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ছিল। বিজেপির অন্দরে কান পাতলে শোনা যায়, এই শমীকই দলকে একত্রিত করেছেন। তবে তার কৃতিত্ব নিজে নিতে নারাজ। বলেন,'সবটাই ছিল দলগত প্রচেষ্টা। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত প্রতিটি বুথে এজেন্ট রাখা এবং তাঁদের মধ্যে সাহস দেওয়া ছিল চ্যালেঞ্জ। তা আমরা পেরেছি।'
নিজে প্রার্থী না হলেও, ছাব্বিশের ভোটে বিজেপির প্রচারের অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছিলেন শমীক। তিনি এই নির্বাচনকে বাঙালির পরিচয় ও গর্বের বলেও উল্লখ করেন। তাঁর দাবি, শুধু রাজ্যের ভোটাররাই নয়, রাজ্যের বাইরে ও বিদেশে থাকা বাঙালিরাও পরিবর্তন চেয়েছেন।
তাঁর কথায়,'প্রায় সবাই এই নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। শুধু বাংলার ভোটার নয়, বাইরে থাকা মানুষও।'
তিনি বলেন, 'শ্রমিক, ছাত্র, পুঁজি ও বিনিয়োগকারীদের রাজ্য ছেড়ে চলে যাওয়া বন্ধ করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তাঁদের দলের লক্ষ্য হল অরাজনৈতিক সমাজ গড়ে তোলা।' ভোটের ফলাফল নিয়েও আশাবাদী তিনি। বলেন, '২০০-র বেশি আসনও সম্ভব।'