পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন রেজাল্ট ২০২৬Bengal Assembly Election Results 2026 Live Updates: আজ বড়দিন! বাংলার মানুষ আজ রায় দিচ্ছেন। প্রত্যাবর্তন নাকি পরিবর্তন, ২০১১ সালের মতোই এই প্রশ্ন ২০২৬ সালেও। কারণ, বিজেপি পরিবর্তনের ডাক দিয়েই বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে লড়েছে। ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল গত ১৫ মার্চ। তার পর গত ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দু’দিন ভোট দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। আজ অর্থাত্ সোমবার সেই পরীক্ষার ফলপ্রকাশ। বাংলার মানুষ শেষবার পরিবর্তন দেখেছিল ২০১১ সালে। যদিও প্রত্যাবর্তনেই আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল কংগ্রেস। গত ২৩ এপ্রিল রাজ্যের ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। তার পরে দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হয় দক্ষিণবঙ্গের সাত জেলার ১৪২টি আসনে। ২৯৪ নয়, ২৯৩টি আসনে আজ রেজাল্ট। কারণ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভায় ফের ভোট হবে ২১ মে। রিগিং, ছাপ্পার অভিযোগে ভোট বাতিল হয়ে গিয়েছে। আজ জিততে ম্যাজিক ফিগার হল ১৪৭। এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে হাইপ্রোফাইল কেন্দ্র কলকাতার ভবানীপুর। এই কেন্দ্রে লড়ছেন মমা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শুভেন্দু অধিকারী। ভোট এপ্রিলে হলেও গত নভেম্বর থেকেই এসআইআর-এর মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের ভোট শুরু হয়ে গিয়েছিল। বহু বছর পরে বাংলায় এবারে দু দফায় ভোট হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি আজ গণনা তামিলনাড়ু, পুদুচেরি, অসম ও কেরলেও। অর্থাত্ মোট ৫ রাজ্যের ভোট ফলপ্রকাশ। পশ্চিমবঙ্গের ভোট গণনার প্রতি মুহূর্তের আপডেট পান এই লাইভ ব্লগে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের কর্মীদের বললেন, 'কেউ গণনাকেন্দ্র ছেড়ে চলে আসবেন না।'
সোশ্যাল মিডিয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জরুরি বার্তা দেন। বলেন, "কাউন্টিং এজেন্টরা ভোটের এলাকা ছেড়ে আসবেন না। এটা বিজেপি প্ল্যান। কাল থেকেই বলছি প্রথম দু-তিন রাউন্ডে এগিয়ে যাবে। প্রায় ১০০টি জায়গায় কাউন্টিং বন্ধ করে রেখেছে। চারিদিকে তৃণমূলের অফিস ভাঙছে, জোর করে দখল করছে। তিনি আরও বলেন, সবে গণনা শুরু হয়েছে। অনেক জায়গায় কাউন্টিং বাকি। ধৈর্য ধরুন, আমরাই জিতব। কেউ ভয় পাবেন না। বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই করব।"
দুবরাজপুরে ৬ রাউন্ড গণনা শেষে বিজেপি ৯ হাজার ৪৫১ ভোটে এগিয়ে। ময়ুরেশ্বরে ৬ রাউন্ড গণনা শেষে ৮ হাজার ১০০ আসনে এগিয়ে বিজেপি, সিউড়িতে ৬ রাউন্ড শেষে ৮ হাজার ২০০ ভোটে এগিয়ে, সাঁইথিয়ায় ৬ রাউন্ড শেষে ৪ হাজার ৫০০ ভোটে এগিয়ে, নানুরে ৫ রাউন্ড গণনা শেষে ৪ হাজার ৫১১ ভোটে এগিয়ে বিজেপি, লাভপুরে ৩ রাউন্ড গণনা শেষে ১ হাজার ৬১৮টি ভোটে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ও বোলপুরে ৫ রাউন্ড গণনা শেষে ১৪ হাজার ৬৪৬ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস।
ম্যাজিক ফিগারের সংখ্যা পেরিয়ে গেল বিজেপি। জানাল নির্বাচন কমিশন।তাদের তরফে জানানো হয়, ১৪৮ আসনে এগিয়ে বিজেপি। সেখানে ৭৮ আসনে এগিয়ে তৃণমূল।
বাঁকুড়াতে BJP ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা। দুই পক্ষের কর্মীরা একে অপরের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন।
বাংলায় ১৬০-এরও বেশি আসন এগিয়ে বিজেপি। সেখানে তৃণমূল পিছিয়ে গিয়েছে প্রায় ৪০ আসনে। একের পর এক আসনে এগিয়ে যাচ্ছেন গেরুয়া প্রার্থীরা।
ঝাড়গ্রামে সপ্তম রাউন্ড গণনা শেষে বিজেপি প্রার্থী লক্ষ্মীকান্ত সাউ ১০ হাজার ৩৮৮ ভোটে এগিয়ে।
বাংলায় বিজেপির সরকার তৈরি হবে। জানালেন শুভেন্দু অধিকারী।তিনি জানান, ১৭০-এরও বেশি আসন পাবে বিজেপি। তিনিও জিতবেন ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম আসন থেকে।
হাওড়ার শিবপুরে এখনও পর্যন্ত বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ এগিয়ে। তিনি এখনও পর্যন্ত ১৮ হাজার ১৯টি ভোট পেয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৫ হাজার ৮২৩ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।
নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী ৭ হাজার ৬৯৮ ভোটে এগিয়ে গেলেন। এছাড়াও সিঙ্গুরেও এগিয়ে বিজেপি। বিজেপি প্রার্থী অনুপ কুমার দাস ৬২৯ ভোটে এগিয়ে গিয়েছেন। হলদিয়া বিধানসভা BJP এগিয়ে ২ হাজার ৪০০ ভোটে।
তৃতীয় রাউন্ডের গণনার পর নন্দীগ্রামে ৭৬৯৮ ভোটে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী
দ্বিতীয় রাউন্ডের শেষে সিঙ্গুরে ৬২৯ ভোটে এগিয়ে বিজেপির অরুপ কুমার দাস
বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদারের দাবি, বাংলায় জিতবে বিজেপি। কারণ, এবার ভোট শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে। মানুষ ভোট দিতে পেরেছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক আসনে লিড দিচ্ছেন গেরুয়া শিবিরের প্রার্থীরা।
২৯৩ আসনের মধ্যে ২৭১ আসনের ফলাফল সামনে আসছে বাংলায়। তার মধ্যে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ১৪৯ আসনে। সেখানে ১২৩ আসনে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।
বালি বিধানসভায় বিজেপি প্রার্থী ৬৩৬টি ভোটে এগিয়ে। এখনও পর্যন্ত ৩ হাজার ৩০০ ভোট পেয়েছেন তিনি। তৃণমূল প্রার্থী কৈলাস মিশ্র ৬৩৬টি ভোটে পিছিয়ে। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ২ হাজার ৬৬৪টি ভোট।
দ্বিতীয় রাউন্ড শেষে ৩ হাজার ১০০ ভোটে নন্দীগ্রামে এগিয়ে শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুরে দ্বিতীয় রাউন্ড গণনা শেষে শুভেন্দুর প্রাপ্ত ভোট ৬ হাজার ৩৮০ ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাপ্ত ভোট ৪ হাজার ৮২২।
ব্যারাকপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচি প্রথম দফার গণনা শেষে ৫০০ ভোটে এগিয়ে। এই স্বল্প ব্যবধানের আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত। এখনও একাধিক দফার গণনা বাকি।
বিধানসভা ভোটের প্রাথমিক ট্রেন্ডে ৭৭ আসনে এগিয়ে বিজেপি। সেখানে তৃণমূল এগিয়ে গেল ৪১ আসনে। জানাল নির্বাচন কমিশন।
ভগবানগোলায় হুমায়ুন কবীর অনেকটা পিছিয়ে। প্রায় ৭ হাজারের বেশি ভোটে পিছিয়ে হুমায়ুন কবীর। প্রাথমিক গণনায় অনেকটা পিছিয়ে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির সভাপতি হুমায়ুন কবীর।
ভবানীপুরে ফের এগিয়ে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় দেড় হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তিনি। প্রাথমিক ট্রেন্ডে এগিয়ে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে তাঁকে পিছিয়ে দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, ফের এগিয়ে শুভেন্দু। তিনি প্রায় দেড় হাজার ভোটে এগিয়ে গিয়েছেন।
কাটোয়ায় বিজেপি প্রার্থী এগিয়ে ৫৫০০ ভোটে। কালিম্পংয়েও এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী। কাকদ্বীপে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী। নয়াগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী।
ফের তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। প্রাথমিকভাবে ১৫০ এর বেশি আসনে বিজেপি এগিয়েছিল তারা। এখন ১৩৭ আসনে এগিয়ে। এদিকে তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে আছে ১২৪ আসনে।
ফের তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। প্রাথমিকভাবে ১৫০ এর বেশি আসনে বিজেপি এগিয়েছিল তারা। এখন ১৩৭ আসনে এগিয়ে। এদিকে তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে আছে ১২৪ আসনে।
BJP নেত্রী দোলা সেন জানালেন, ব্যালট পেপারের ভোটে এখন এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। প্রাথমিক ট্রেন্ডে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে তিনি আশাবাদী, ভোট গণনা শেষ হতেই ফলাফলে এগিয়ে থাকবে তৃণমূল।
বীরভূমে সিউড়িতে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। দুবরাজপুরে বিজেপি প্রার্থী অনুপ কুমার এগিয়ে। সাঁইথিয়াতে তৃণমূল প্রার্থী নীলাবতী সাহা এগিয়ে, রামপুরহাটে বিজেপি প্রার্থী ধ্রুব সাহা এগিয়ে, হাঁসনে তৃণমূল প্রার্থী কাজল শেখ এগিয়ে ও নলহাটিতে তৃণমূলের রাজেন্দ্রপ্রসাদ সিং এগিয়ে ও মুরারইতে তৃণমূলেপ মুসরফ হোসেন এগিয়ে।
প্রাথমিক ট্রেন্ডে পানিহাটিতে এগিয়ে বিজেপি আরজি কর নির্যাতিতার মা বিজেপির প্রার্থী রত্না দেবনাথ।
আসানসোল শিল্পাঞ্চলে প্রাথমিক ট্রেন্ডে বড়সড় এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। আসানসোল অঞ্চলের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র, আসানসোল নর্থ, আসানসোল সাউথ, জামুড়িয়া, রানিগঞ্জ এবং কুলটি, সব ক’টিতেই বিজেপি এগিয়ে রয়েছে। আসানসোল সাউথ কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পল ৯,৫০০-রও বেশি ভোটে এগিয়ে আছেন। জামুড়িয়ায় বিজেপির বিজন মুখোপাধ্যায় ৩,৫৮২ ভোটে লিড নিয়েছেন। রানিগঞ্জ কেন্দ্রে পার্থ ঘোষ প্রায় ১,৯০০ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে, আসানসোল নর্থ কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ও রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী মলয় ঘটক পিছিয়ে পড়েছেন, যা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়াও উত্তরবঙ্গের কয়েকটি কেন্দ্রেও বিজেপির ভালো ফলের ইঙ্গিত মিলছে। দিনহাটা, তুফানগঞ্জ ও মেখলিগঞ্জ, এই তিন কেন্দ্রেও বিজেপি প্রাথমিক ট্রেন্ডে এগিয়ে রয়েছে। সব মিলিয়ে, ভোটগণনার শুরুর দিকেই বিজেপি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে লিড নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক লড়াইকে আরও জমিয়ে তুলেছে।
শ্যামপুকুর, এন্টালি, বেলেঘাটা ও মানিকতলায় এগিয়ে বিজেপি। ভবানীপুরে এখনও পর্যন্ত ১৯৯৬ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আসানসোল উত্তর, আসানসোল দক্ষিণ, জামুরিয়া, রানিগঞ্জ এবং কুলটি—এই পাঁচটি কেন্দ্রেই বর্তমানে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে। আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পল ৯,৫০০-এর বেশি ভোটে এগিয়ে আছেন। জামুরিয়ায় বিজেপি প্রার্থী বিজন মুখার্জি ৩,৫৮২ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। রানিগঞ্জে বিজেপি প্রার্থী পার্থ ঘোষ ১,৯০০ ভোটে এগিয়ে আছেন। অন্যদিকে, আসানসোল উত্তর কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ও প্রাক্তন রাজ্য মন্ত্রী মলয় ঘটক পিছিয়ে রয়েছেন।
প্রথম রাউন্ড গণনা শেষে বিজেপি প্রার্থী অমরনাথ শাখা ২ হাজার ৮৫০ ভোটে এগিয়ে ওন্দা বিধানসভা কেন্দ্র।
পশ্চিম মেদিনীপুরের একাধিক আসনে এগিয়ে বিজেপি। সেখানকার প্রার্থী শঙ্কর গুছাইত এগিয়ে রয়েছেন। আবার গোপীবল্লভপুর আসনেও এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবায় বিজেপি এগিয়ে। ক্যানিং পূর্বে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ও ক্যানিং পশ্চিমে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস। বিনপুরে এগিয়ে বিজেপি।
প্রাথমিক ট্রেন্ডে বাংলায় বিজেপি শক্তিশালী জায়গায়। সেখানে ৪০-এরও বেশি আসনে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।
প্রাথমিক ট্রেন্ডে বাংলায় ম্যাজিক ফিগারের কাছে বিজেপি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৪০ আসনে এগিয়ে গিয়েছেন বিজেপির প্রার্থীরা। সেখানে ১০০ আসনে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।
প্রাথমিক ট্রেন্ড সামনে আসতেই শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, এবার ভোটে ‘হিন্দু কনসলিডেশন’-এর প্রভাব স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। তাঁর দাবি, অতীতে মুসলিম ভোট একতরফাভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে গেলেও এবার সেই প্রবণতা কিছুটা বদলেছে। তিনি বলেন, “এইবার কিছু মুসলিম ভোট অন্য দলেও গিয়েছে, এমনকী অল্প পরিমাণে বিজেপিও পেয়েছে। নন্দীগ্রামের মুসলিম বুথে এত ভাল ফল হবে, তা আমি প্রত্যাশা করিনি।” এছাড়া তিনি নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বের কথাও উল্লেখ করে বলেন, বাংলাকে গড়ার যে আশ্বাস প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন, তা ভোটে প্রভাব ফেলেছে। তবে ফলাফল নিয়ে এখনই চূড়ান্ত মন্তব্য করতে চাননি তিনি। তাঁর কথায়, “এখনই তাড়াহুড়ো করার দরকার নেই। সকাল ১১টার পর পরিষ্কার ছবি সামনে আসবে।”
পশ্চিমবঙ্গে ১৩০ আসনে এগিয়ে বিজেপি। সেখানে তৃণমূল এগিয়ে রয়েছে ১০৬ আসনে। প্রাথমিক ট্রেন্ডে উত্তরবঙ্গের একাধিক আসনে এগিয়ে রয়েছে গেরুয়া প্রার্থীরা।
দুর্গাপুর পূর্ব কেন্দ্রে চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৮৪ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। ভোটগণনার শুরুতেই এই কেন্দ্রে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত মিলছে। প্রাথমিক রাউন্ডের গণনায় খুব সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও, চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য আরও কয়েক দফা গণনার দিকে নজর রাখতে হবে।
হাওড়ায় মোট ১৬টি বিধানসভা আসনে ভোট গণনা চলছে। এর মধ্যে ৩টি আসনে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে—শ্যামপুর, শিবপুর এবং উত্তর হাওড়া। উত্তর হাওড়ায় বিজেপি প্রার্থী উমেশ রায় ২০২০ ভোটে এগিয়ে আছেন। পাশাপাশি বাকি ১৩টি আসনে তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেস এখনও পর্যন্ত ১২৯টি আসনে এগিয়ে ও তৃণমূল এগিয়ে ১০৫টি এগিয়ে। সব মিলিয়ে প্রাথমিক ট্রেন্ডে পশ্চিমবঙ্গে সার্বিক ভাবে এগিয়ে বিজেপি।
পুরুলিয়ার মোট ৯ আসন রয়েছে। তার মধ্যে ৭ আসনেই এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। ২ আসনে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস।
ভবানীপুরে তিনি প্রাথমিক ট্রেন্ডে পিছনে থাকবেন। দাবি করলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, 'হিন্দু EVM আমার পক্ষে যাবে। মমতা মুসলিম ভোট পাবেন। ১৭ রাউন্ডের পর থেকে আমি এগিয়ে যাব। তখনই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।'
করিমপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এগিয়ে অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী।
নির্দিষ্ট সময়ে পোস্টাল ব্যালটের গণনা শুরু হয়েছিল যেসব কেন্দ্রে, সেখানে বর্তমানে সমাপ্ত পোস্টাল ব্যালট গোনার কাজ।
প্রথম রাউন্ড শেষে নন্দীগ্রামে ৩ হাজার ভোটে এগিয়ে শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুরেও এগিয়ে শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়াও আরামবাগে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস, পুরসুরায় এগিয়ে বিজেপি, খানাকুলে এগিয়ে বিজেপি ও গোঘাটে এগিয়ে বিজেপি।
পশ্চিমবঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। তৃণমূল এই মাত্র এগিয়ে গেল বাংলায়। ১১৫ আসনে এগিয়ে গেল তৃণমূল। বিজেপি মাত্র এক আসনে পিছিয়ে।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘি, ডায়মন্ড হারবার ও সাগরে এগিয়ে বিজেপি। এই জায়গাগুলো তৃণমূলের গড় বলে পরিচিত। তবে প্রাথমিক ট্রেন্ডে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা।
সোনারপুর উত্তর, সোনারপুর দক্ষিণ, বারুইপুর পূর্ব, বারুইপুর পশ্চিম, ক্যানিং পশ্চিম ও বাসন্তীতে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস।
কাটোয়ায় তৃণমূলের রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, মঙ্গলকোটে অপূর্ব চৌধুরী, কেতুগ্রামে শেখ শাহনওয়াজ এগিয়ে।
কোচবিহারের একাধিক আসনে এগিয়ে বিজেপি। প্রাথমিক ট্রেন্ডে দিনহাটা-সহ একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছেন গেরুয়া শিবিরের প্রার্থীরা। সেখানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তৃণমূল।
আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে এখন এগিয়ে বিজেপির অগ্নিমিত্রা পল। এবার ভোটপ্রচারে গিয়ে একাধিকবার আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। এমনকী ভোটদানের দিনও তাঁর গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে।
বাংলায় ম্যাজিক ফিগার ১৪৭। এখনও পর্যন্ত ২০০-র বেশি আসনে গণনার প্রাথমিক ট্রেন্ড সামনে এসেছে। সেই অনুযায়ী এগিয়ে রয়েছে বিজেপি।
১১০-রও বেশি আসনে এগিয়ে বিজেপি। সেখানে সেঞ্চুরি করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। এখনও পর্যন্ত ২০০-রও বেশি আসনের প্রাথমিক ট্রেন্ড সামনে এসেছে।
এই মাত্র পাওয়া খবর অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে ১০১টি আসনে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ও ১০০টি আসনে এগিয়ে। এখনও পর্যন্ত ২টি আসনে এগিয়ে কংগ্রেস। নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনা প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, সমস্ত অভিযোগেরই নিষ্পত্তি করা হয়েছে। তাঁর কথায়, “প্রত্যেকটি অভিযোগ খতিয়ে দেখা হয়েছে এবং সমাধান করা হয়েছে।” তিনি আরও জানান, কিছু ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত কারণে সিসিটিভি ক্যামেরা ৫ থেকে ১০ মিনিটের জন্য কাজ করেনি, তবে তা সাময়িক এবং তাতে কোনও বড় ধরনের প্রভাব পড়েনি। ভোটগণনার দিন আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কড়া অবস্থান নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন। তাঁর বক্তব্য, আজ কোনওভাবেই বিজয় মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হবে না। সব মিলিয়ে প্রশাসনের তরফে পরিষ্কার বার্তা, পুরো গণনা প্রক্রিয়া নিয়ম মেনেই চলছে এবং কোথাও কোনও অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।
West Bengal Assembly Elections 2026 | Kolkata: On counting for West Bengal polls, Special Electoral Roll Observer, Subrata Gupta says, “… Every complaint has been addressed. Some of the CCTV cameras malfunctioned for 5-10 minutes over technical reasons…no victory rally can be… pic.twitter.com/glRrWcZdVC
— ANI (@ANI) May 4, 2026
বাংলায় সেঞ্চুরি পার বিজেপির। প্রাথমিক ট্রেন্ডে ১০০-রও বেশি আসনে এগিয়ে বিজেপি। সেখানে তৃণমূল এগিয়ে প্রায় ৯৫ আসনে।
এখন বাংলায় এগিয়ে বিজেপি। সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ব্যালট পেপার গণনা চলছে। তাতে ৯৫ আসনে এগিয়ে বিজেপি। সেখানে পিছিয়ে রয়েছে তৃমমূল কংগ্রেস।
প্রাথমিক ট্রেন্ডে পশ্চিমবঙ্গে এগিয়ে গেল বিজেপি। এখনও পর্যন্ত ৭০ আসনে এগিয়ে বিজেপি। সেখানে তৃণমূল এগিয়ে ৬৬ আসনে।
পশ্চিমবঙ্গে ৪০টি আসনে এগিয়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেস। পোস্টাল ব্যালট গণনায় ৩৭টি আসনে এগিয়ে বিজেপি। কংগ্রেস এগিয়ে ২টি আসনে।
এখনও পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ১৪টি আসনে এগিয়ে গেল। তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে ৯টি আসনে। তবে এটি প্রাথমিক ট্রেন্ড।
এখনও পর্যন্ত জানা যাচ্ছে, পোস্টাল ব্যালটে ১১টি আসনে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি এগিয়ে ১৩টি আসনে। জয়নগর, বারুইপুর পূর্ব ও শামসেরগঞ্জে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রাথমিক ট্রেন্ডে সব মিলিয়ে বিজেপি ১টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।
বিজেপির সদর দফতরে ভোটগণনার আগে জোর প্রস্তুতি চলছে। দিল্লিতে বিজেপি অফিসে পুরী ও মিষ্টি তৈরি করা হচ্ছে, ফল ঘোষণার আগেই উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। অসম, কেরল, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ এবং পুদুচেরি,এই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনা শুরু হতে চলেছে। পাশাপাশি পাঁচটি রাজ্যের সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ভোটগণনাও আজই হচ্ছে। ফল ঘোষণার আগে থেকেই বিজেপি শিবিরে আত্মবিশ্বাসের সুর স্পষ্ট। দলীয় কর্মীদের জন্য খাবার-দাবারের আয়োজন করা হয়েছে, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে সম্ভাব্য জয়ের আশায় আগাম প্রস্তুতির।
#WATCH | Delhi: Jalebis are being prepared at the BJP Headquarters in Delhi as counting of votes for the elections to the Assemblies of Assam, Keralam, Tamil Nadu, West Bengal and Puducherry begins.
— ANI (@ANI) May 4, 2026
Counting of votes for by-polls in seven Assembly constituencies of five… pic.twitter.com/9zBuvWQnfz
পশ্চিমবঙ্গ সহ ৫ রাজ্যের ভোটগণনা শুরু। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট গণনা শুরু হল। তারপর খোলা হবে ইভিএম।
#WATCH | West Bengal Elections 2026 | Kolkata: On the preparation for the counting of votes, Ashesh Biswas, Additional CP, Kolkata, says, "As per the ECI guidelines, we have done a proper three-layer security arrangement. We have reserved force as well. If needed, we will use… pic.twitter.com/IiLuQXNECs
— ANI (@ANI) May 4, 2026
ভোটগণনা ঘিরে রাজ্যজুড়ে তৈরি হওয়া উদ্বেগের মধ্যে স্পষ্ট বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল। জানালেন, পুরো প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ ও নিয়ম মেনেই চলছে। তিনি বলেন, “আজকের গণনা প্রক্রিয়া একেবারেই মসৃণভাবে এগোচ্ছে। প্রতিটি গণনা কেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে কোনওরকম বিশৃঙ্খলা বা অনিয়মের সুযোগ না থাকে।” এদিন বিশেষ করে তমলুকের স্ট্রং রুমকে ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা নিয়েও মুখ খোলেন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক। বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল, তাঁদের প্রতিনিধিদের স্ট্রং রুমে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাঁর আশ্বাস, যাঁদের প্রবেশের অধিকার রয়েছে, তাঁরা সবাই নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই স্ট্রং রুমে ঢুকতে পারবেন। তিনি আরও জানান, নির্বাচন কমিশন পুরো বিষয়টির উপর নজর রাখছে এবং কোথাও কোনও অসংগতি থাকলে তা দ্রুত সংশোধন করা হবে। এর পাশাপাশি বিজয় মিছিল নিয়েও কড়া অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। মনোজ আগরওয়াল স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কোনও দল বা প্রার্থী অনুমতি ছাড়া বিজয় মিছিল করতে পারবে না। এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা শাসকদের (DM)। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কোনওরকম উত্তেজনা এড়ানোই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি। সব মিলিয়ে, ভোটগণনা থেকে ফলপ্রকাশ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ এবং নিয়ম মেনে সম্পন্ন করতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন।
খড়গপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষের দাবি, এলাকার মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। তাঁর দাবি, বিজেপি ভাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে। তিনি আরও বলেন, আগে পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলার অবস্থা ভাল ছিল না। তবে কমিশন সমস্ত দায়িত্ব নেওয়ার পর যেভাবে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ হয়েছে, একইভাবে ভোটগণনাও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে এবং সেই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই নতুন সরকার শপথ নেবে।
হাওড়ার ভোটগণনা কেন্দ্রগুলিতে কড়া তিনস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাওড়া ময়দান এলাকার যোগেশচন্দ্র গার্লস স্কুল বালি, উত্তর হাওড়া ও মধ্য হাওড়া বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগণনা হচ্ছে। এই কেন্দ্রের বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরাও মোতায়েন রয়েছেন। অনুমতি পত্র ছাড়া কাউকেই গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। অখিলেশ কুমার চতুর্বেদী, হাওড়া সিটি পুলিশের কমিশনার, জানিয়েছেন যে এখানে চার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত সংখ্যক রাজ্য পুলিশও রয়েছে নিরাপত্তার দায়িত্বে। এর পাশাপাশি ভোটের পর কোনওরকম অশান্তি এড়াতে অতিরিক্ত ১৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বারাবনি কেন্দ্রের তৃণমূলপ্রার্থী বিধান উপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দলের জয়ের ব্যাপারে প্রবল আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গে টানা চতুর্থবারের জন্য ‘মা-মাটি-মানুষ’-এর সরকার গড়তে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁর কথায়, রাজ্যে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা সবসময়ই অগ্রাধিকার পেয়েছে এবং গত কয়েক বছরে সেই পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে। জেলার ফলাফল নিয়ে আশাবাদী সুরে তিনি বলেন, পশ্চিম বর্ধমান জেলায় তৃণমূল কংগ্রেস ৯-০ ব্যবধানে ক্লিন সুইপ করবে। নিজের জয়ের প্রসঙ্গ টেনে বিধান উপাধ্যায় জানান, ২০১১ থেকে ২০২১, প্রতিটি নির্বাচনে তিনি ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন। এবার সেই ব্যবধান আরও বাড়বে বলেই তাঁর বিশ্বাস।
পশ্চিম বর্ধমান জেলার ছ’টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগণনা শুরু হতে চলেছে আসানসোল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে। কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই এই গণনা প্রক্রিয়া, যাতে কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। গোটা কাউন্টিং সেন্টার ঘিরে রাখা হয়েছে নিরাপত্তা বলয়ে, এবং উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা নিজে উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ ধ্রুবী দাস নিজে নেতৃত্ব দিচ্ছেন নিরাপত্তা ব্যবস্থার।
ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও তাঁদের কাউন্টিং এজেন্টরা গণনাকক্ষে ঢুকে পড়েছেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন অগ্নিমিত্রা পাল, যিনি সকাল সকালই কেন্দ্রে পৌঁছে যান। গণনাকক্ষে ঢোকার আগে তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন।প্রার্থী বলেন, “মা ভবানী এবং বাংলার মানুষের আশীর্বাদে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি সরকার গড়বে।” তিনি এই আত্মবিশ্বাসের কৃতিত্ব দেন নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বকে।
নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১ সালের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে এ বার দুই দফা মিলিয়ে ৫১ লক্ষ ভোটার কম ছিল। তবে ভোট পড়েছে আগের বারের তুলনায় ৩০ লক্ষেরও বেশি। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে চূড়ান্ত ভোটের হার এখনও পাওয়া যায়নি। রাত ১২টা পর্যন্ত কমিশন ৯২.৬৩ শতাংশ ভোট পড়ার কথা জানিয়েছে। দুই দফা মিলিয়ে ভোটের হার ৯২.৯৩ শতাংশ। মোট ভোটার কমে গেলে এবং প্রায় একই সংখ্যক মানুষ ভোট দিলে সাধারণ হিসাবেই ভোটের হার বেড়ে যাওয়ার কথা।
প্রথমেই হবে পোস্টাল ব্যালট গোনা। সকাল ৮টায় পোস্টাল ব্যালট গণনা শুরু হয়ে যাবে। গণনাপর্ব শুরুর প্রথম আধঘণ্টা শুধু পোস্টাল ব্যালটই গণনা হবে। তার পরে সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হবে ইভিএমের কাউন্টিং। তখন থেকে পোস্টাল ব্যালট এবং ইভিএম দুই-ই একসঙ্গে গণনা চলবে। ভোট গণনায় সাহায্য করার জন্য গণনা পর্যবেক্ষক (কাউন্টিং অবজার্ভার) নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন। কোথায়, কত জন গণনা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে, তার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩টি (ফলতা ব্যতীত) আসনে ভোট গণনা হবে।
কোথায় কত রাউন্ড গণনা হবে: ভবানীপুরে গণনা হবে ২০ রাউন্ড। নন্দীগ্রামে গণনা হবে ১৮ রাউন্ড, খড়গপুর সদরে ২০ রাউন্ড গণনা হবে, বহরমপুরে ১৬ রাউন্ড, রেজিনগরে ১৫ রাউন্ড ও চুঁচুড়ায় ২৭ রাউন্ড গণনা হবে।
ভবানীপুরের গণনাকেন্দ্র সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের বাইরে উত্তেজনা। বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের তীব্র বচসা। সামাল দিচ্ছে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী।
#WATCH | Kolkata, West Bengal: A verbal argument broke out between the counting agents of TMC and BJP outside the counter centre at Sakhawat Memorial School in Bhabanipur assembly constituency.
— ANI (@ANI) May 4, 2026
Counting of votes for 293 Assembly constituencies of the state will begin at 8 AM… pic.twitter.com/cvJOrqHC6i
ভবানীপুর নিয়ে ইতিমধ্যেই উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে। ভবানীপুর কেন্দ্রের গণনা হবে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে। ব্যাপক নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে সাখাওয়াত মেমোরিয়া।
ভবানীপুরের গণনাকেন্দ্রে লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা প্রকাশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ভোটগণনার আগের রাতে মমতা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখলেন,
ব্যারাকপুরে গণনাকেন্দ্রে উত্তেজনা। তৃণমূল কংগ্রেসে এজেন্টরা চিত্কার করছে জয় বাংলা বলে। পাল্টা বিজেপি-র পক্ষ থেকে জয় শ্রীরাম স্লোগান চলছে। ভোট মিটেছে মোটের উপর নির্বিঘ্নে। এবার গণনাকেও শান্তিতে মেটানোই চ্যালেঞ্জ কমিশনের কাছে।
ঠিক সকাল ৮টায় শুরু হয়ে যাবে ভোট গণনা। ২৯৩টি কেন্দ্রের গণনা হবে। জেলার হেড কোয়ার্টার ৪২টি, সাবডিভিশনে ৩৫টি, গণনা কেন্দ্র ৭৭ টি, সিঙ্গল কাউন্টিং হল ১২৯টি, ডাবল কাউন্টিং হল ১৬৩টি। মোট পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ৫৩৩। প্রতি হলে একজন করে কাউন্টিং সুপারভাইজার থাকবেন।