Vote Finish Timing: আজ ক'টা পর্যন্ত ভোট চলবে? সকাল সকাল জেনে নিন

আজ ২৯ এপ্রিল। বাংলায় দ্বিতীয় বা শেষ দফার ভোট। এই পর্বে ১৪২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল ৭টা দিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটগ্রহণ পর্ব। কিন্তু সেটা কতক্ষণ চলবে, এই বিষয়টা অনেকের কাছে পরিষ্কার নয়। আর সেই উত্তরটাই দিতে চলেছি আমরা। 

Advertisement
আজ ক'টা পর্যন্ত ভোট চলবে? সকাল সকাল জেনে নিনভোট শেষ হওয়ার সময়
হাইলাইটস
  • সকাল ৭টা দিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটগ্রহণ পর্ব
  • সেটা কতক্ষণ চলবে, এই বিষয়টা অনেকের কাছে পরিষ্কার নয়
  • আর সেই উত্তরটাই দিতে চলেছি আমরা

আজ ২৯ এপ্রিল। বাংলায় দ্বিতীয় বা শেষ দফার ভোট। এই পর্বে ১৪২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল ৭টা দিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটগ্রহণ পর্ব। কিন্তু সেটা কতক্ষণ চলবে, এই বিষয়টা অনেকের কাছে পরিষ্কার নয়। আর সেই উত্তরটাই দিতে চলেছি আমরা। 

কী জানিয়েছে কমিশন?
কমিশন জানিয়ে দিয়েছে যে সকাল সকাল শেষ হয়ে গিয়েছে মক পোলিং। এই পর্বে ইভিএম মেশিন চেক করা হয়েছে। তারপর ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল ৭টা থেকে। আর এটা চলবে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত। তাই আজ এই সময়ের মধ্যেই ভোট দিন।
 
তবে সন্ধে ৬টার সময় যেই সকল ভোটাররা ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকবেন, তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হবে স্লিপ। এই স্লিপ তুলে দেবেন প্রিসাইডিং অফিসার। 

মোবাইল নিয়ে ভোট দেওয়া যাবে না
এবার ভোট দেওয়ার সময় মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখা যাবে না। ফোন বাইরে রেখেই যেতে হবে। এটাই নিয়ম। তবে যতদূর খবর, এবার ফোন রাখার জন্য আলাদা করে একটা মোবাইল বুথ তৈরি করছে কমিশন। সেখানে মোবাইল জমা রেখে আপনি ভোট দিতে যেতে পারবেন। তাই এই বিষয়ে চিন্তার কোনও কারণ নেই। 

আর যা যা ব্যবস্থা
ভোটারদের সুবিধার্থে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে কমিশন। তাদের পক্ষ থেকে প্রতিটি বুথ এক তলায় করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি সব বুথেই থাকছে পানীয় জলের ব্যবস্থা। এছাড়া টয়লেটের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। 

ভোটার চিনতে বিএলও
এবার ভোটের লাইনে দাঁড়ানোর আগে ভোটারকে চিহ্নিত করবেন বিএলও। তিনি ভোটার কার্ড পরীক্ষা করবেন। দেখে নেবেন সিরিয়াল নম্বর এবং পার্ট নম্বর। এর পাশাপাশি ভোটারের হাতে কালির দাগ রয়েছে কি না, সেটাও দেখা হবে। তারপরই ভোটারকে লাইনে দাঁড়া করানো হবে। 

কমিশন সূত্রে খবর, যেন তেন প্রকারেণ ছাপ্পা রোখার চেষ্টা করছে কমিশন। সেই মতো এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া কমিশন জানিয়েছে, এবার সব বুথে থাকবে ওয়েবকাস্টিং। এর মাধ্যমে ভুয়ো ভোটার চিহ্নিত করা যাবে। যদিও এই সব ক্যামেরায় কে কোথায় ভোট দিচ্ছেন, সেটা দেখা যাবে না বলেও আশ্বস্ত করা হয়েছে। 

Advertisement

পাশাপাশি কমিশন জানিয়েছে, এই বছর কোনও ব্যক্তি ছাপ্পা দিলে তাকে ছাড়া হবে না। বরং তার জন্য বরাদ্দ থাকছে ১ বছরের জেল।

 

POST A COMMENT
Advertisement