West Bengal Election 2026: 'রেকর্ড ভোট', জানিয়েই কড়া বার্তা CEO-র, অনিয়মে রিপোল? যা বললেন মনোজ

ধবার দ্বিতীয় দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল ৮৯.৯৯%। নির্বাচন কমিশনের তরফে একে ‘রেকর্ড ভোট’ বলেই বর্ণনা করেন মনোজ আগরওয়াল।

Advertisement
'রেকর্ড ভোট', জানিয়েই কড়া বার্তা CEO-র, অনিয়মে রিপোল? যা বললেন মনোজনির্বাচন কমিশনের তরফে একে ‘রেকর্ড ভোট’ বলেই বর্ণনা করেন মনোজ আগরওয়াল।
হাইলাইটস
  • এমনটাই বললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল।
  •  বুধবার দ্বিতীয় দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল ৮৯.৯৯%।
  • নির্বাচন কমিশনের তরফে একে ‘রেকর্ড ভোট’ বলেই বর্ণনা করেন মনোজ আগরওয়াল।

'শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হয়েছে।'
'কোথাও অনিয়ম বের হলে রিপোল হবে।'
'পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত বাংলায় ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে।'

এমনটাই বললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। বুধবার দ্বিতীয় দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল ৮৯.৯৯%। নির্বাচন কমিশনের তরফে একে ‘রেকর্ড ভোট’ বলেই বর্ণনা করেন মনোজ আগরওয়াল। জানান, 'আমরা সবাইকে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছিলাম। মানুষ সেই আবেদন শুনেছেন। সকলে বেরিয়ে এসে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিয়েছেন।' তাঁর কথায়, রাজ্যের ৪১ হাজারেরও বেশি বুথে ভোটগ্রহণ চলছে। আজ প্রায় ৩.৫ কোটিরও বেশি ভোটার তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করছেন। মোট ১৪২টি আসনে এই দফায় ভোট হয়েছে।

ভোটের দিন বিভিন্ন জায়গা থেকে বিচ্ছিন্ন অশান্তির খবর এলেও, কমিশনের দাবি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। মনোজ আগরওয়াল বলেন, 'কোনও বুথে যদি কোনও অনিয়ম হয়ে থাকে, তা আমরা চিহ্নিত করেছি। যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' বিশেষ করে ফলতা কেন্দ্রের প্রসঙ্গ তুলে তিনি জানান, সেখানে যদি কেউ বেআইনি কাজ করে থাকেন, তাঁর বিরুদ্ধে যথাযত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভোটের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কমিশন কড়া অবস্থানে রয়েছে বলেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, 'নির্বাচনের পবিত্রতা নষ্ট হলে পুনর্ভোট করানো হবে। এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যৌথভাবে নেওয়া হবে।' ফলে অনিয়মের অভিযোগ সামনে এলে দ্রুত পদক্ষেপের ইঙ্গিতই মিলছে কমিশনের তরফে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিক থেকেও কমিশন সন্তুষ্ট। মনোজ আগরওয়াল জানান, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে। কোথাও বড় ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। প্রয়োজন অনুযায়ী লাঠিচার্জও করা হয়েছে, যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাঁর দাবি, 'পুরো সময়জুড়ে শান্তি বজায় রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হয়েছে।'

মনোজ আগরওয়াল জানান, সিআরপিএফ-এর ৫০০ কোম্পানি আপাতত বাংলাতেই থাকবে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত বাহিনী মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। ভোটপরবর্তী হিংসা রুখতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন অনেকে।

Advertisement

এদিকে, ভোটের দিন নিজেও ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। কলকাতার একটি বুথে গিয়ে ভোট দেন।  

সব মিলিয়ে, দ্বিতীয় দফার ভোটে ব্যাপক অংশগ্রহণ এবং তুলনামূলক শান্তিপূর্ণ পরিবেশ; এই দুই বিষয়কেই বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে নির্বাচন কমিশন।    

POST A COMMENT
Advertisement