প্রথম দফায় রেকর্ড ভোট রাজ্যে প্রথম দফায় পড়ল ৯১.৭৪ শতাংশ (সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য)। প্রথম দফায় সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোটদানের হার দক্ষিণ দিনাজপুরে (৯৪.৭৭ শতাংশ)। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কালিম্পঙে (৮২.৯৩ শতাংশ)। ২০১১ সালে, ৩৪ বছরের বাম সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমবার ক্ষমতায় আসার বছরের রেকর্ডও ভোটের হারের নিরিখে ছাপিয়ে গিয়েছে ছাব্বিশের প্রথম দফায়।
একইসঙ্গে, এবার ভোট শেষ হওয়ার এক ঘণ্টা আগেই ২০২১ সালের বিধানসভা বা ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের হারের রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে। যে ১৫২ টি আসনে প্রথম দফার ভোট চলছে, সেগুলিতে ২০২১ সালে ভোট পড়েছিল ৮৩.২ শতাংশ। ২০২৪ সালে ৭৯.৮ শতাংশ। এবার বিকেল ৫টার মধ্যেই সেই সব হার ছাপিয়ে ৮৯.৯ শতাংশ ভোট পড়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। তবে বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যআ ৬টা পর্যন্ত একঘণ্টায় আর কত শতাংশ ভোট পড়বে তা জানা যাবে বৃহস্পতিবার রাতে।
পশ্চিমবঙ্গে এর আগে পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছিল ২০১১ সালে। ওই বিধানসভা নির্বাচনে ভোটদানের হার ছিল ৮৪.৩৩ শতাংশ। আগামী বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোট রয়েছে। সেদিনও এই বিপুল সংখ্যক ভোটদানের হার দেখা গেলে বাংলায় রেকর্ড ভোট পড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।
দেশে ভোটদানের হারের নিরিখে সব রাজ্যের মধ্যে এখনও পর্যন্ত সর্বকালীন রেকর্ড গড়েছিল অসম। চলতি বিধানসভা ভোটে সেখানে ভোট পড়েছে ৮৫.৩৮ শতাংশ। আবার পুদুচেরিতে ভোটদানের হার ছিল চলতি বিধানসভা নির্বাচনে ৮৯.৯৩ শতাংশ। সেই দুই রাজ্যকে পিছনে ফেলল পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোট। ফলে চলতি বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট ভোটদান কত হবে, সেদিকে নজর থাকবে সকলেরই।
এবার কোন জেলায় কত ভোট পড়ল? (রাত পৌনে ৮টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য)
ঝাড়গ্রাম - ৯১.৭৮%
কালিম্পং - ৮২.৯৩ %
মালদা - ৯২.২২ %
মুর্শিদাবাদ - ৯২.৮৮ %
পশ্চিম মেদিনীপুর - ৯১.৭৭ %
পশ্চিম বর্ধমান - ৮৯.১৫ %
পূর্ব মেদিনীপুর - ৯০.২৯ %
আলিপুরদুয়ার - ৯০.৪৫ %
বাঁকুড়া - ৯১.৪৩ %
বীরভূম - ৯৩.৬১ %
কোচবিহার - ৯৪.৪০ %
দক্ষিণ দিনাজপুর - ৯৪.৭৭ %
দার্জিলিং - ৮৮.০১ %
জলপাইগুড়ি - ৯৩.০১ %
মালদা - ৯২.২২ %
মুর্শিদাবাদ - ৯২.৮৮ %
পুরুলিয়া - ৮৯.৪৪ %
উত্তর দিনাজপুর - ৯১.০৪ %
কোথায় কেন্দ্রে সবচেয়ে বেশি পড়ল? (রাত পৌনে ৮টা পর্যন্ত)
ভগবানগোলা আসনে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে (৯৬.৭৭ শতাংশ)। শামসেরগঞ্জে ভোট পড়েছে ৯৫.৯১ শতাংশ। নন্দীগ্রামে ভোট পড়েছে ৯১.৮৪ শতাংশ। বহরমপুর আসনে ভোট পড়েছে ৯১.১১ শতাংশ।