Bengal BJP Minister: বাংলায় বিজেপির প্রথম ক্যাবিনেট কেমন হবে? মন্ত্রী হতে পারেন এই নেতারা

বাংলায় ১৫ বছর পর ক্ষমতার পালাবদল। তৃণমূলকে বিপুল ব্যবধানে হারিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। ঐতিহাসিক জয়ের পর এখন সবার মনে রয়েছে একটাই প্রশ্ন, কে হবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী? 

Advertisement
বাংলায় বিজেপির প্রথম ক্যাবিনেট কেমন হবে? মন্ত্রী হতে পারেন এই নেতারাবাংলায় বিজেপির প্রথম মন্ত্রিসভা কেমন হবে?
হাইলাইটস
  • বাংলায় ১৫ বছর পর ক্ষমতার পালাবদল।
  • তৃণমূলকে বিপুল ব্যবধানে হারিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি।
  • এখন সবার মনে রয়েছে একটাই প্রশ্ন, কে হবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী?

বাংলায় ১৫ বছর পর ক্ষমতার পালাবদল। তৃণমূলকে বিপুল ব্যবধানে হারিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। ঐতিহাসিক জয়ের পর এখন সবার মনে রয়েছে একটাই প্রশ্ন, কে হবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী? 

শুক্রবার সকালেই কলকাতায় এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  অমিত শাহ। এদিন তাঁরই তত্ত্বাবধানে সন্ধ্যায় একটি বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এই বৈঠকে থাকবেন ২০৭ জন জয়ী বিধায়ক। অন্যদিকে জনগণের নজর রয়েছে মন্ত্রিসভার গঠনের দিকেও। 

আমজনতার প্রশ্ন, বাংলায় বিজেপির প্রথম সরকারে কি মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি একজন উপ-মুখ্যমন্ত্রীও থাকবেন, নাকি শুধু মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন? এছাড়াও, বাংলার মন্ত্রিসভা কেমন হতে পারে এবং তাতে কোন কোন মুখ দেখা যাবে, তা নিয়েও জল্পনার শেষ নেই।

পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা কেমন হতে পারে?

রাজনৈতিক সচেতকরা মনে করছেন, বাংলায় বিজেপির মন্ত্রিসভায় একাধিক দিক থেকে ভারসাম্য বজায় রাখার সর্বোপরি চেষ্টা করা হবে। বিজেপির লক্ষ্য হল, উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল, মতুয়া সম্প্রদায় এবং শহুরে মধ্যবিত্তসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা। উত্তরবঙ্গে বিজেপি অসাধারণ সাফল্য পেয়েছে। একই চিত্র জঙ্গলমহলেও। ফলে এই জায়গার নেতারা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে পারেন।

বিজেপি মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ নেতাদের পাশাপাশি তৃণমূল স্তরে টিএমসি-র বিরুদ্ধে লড়াই করা তরুণ মুখও রাখতে চলেছে। এছাড়াও, বিজেপির বিজয়ে নারী ও মহিলা এজেন্ডা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ফলস্বরূপ, বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রিসভায় মহিলা এবং SC/ST নেতাদের বৃহত্তর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে পারে। 

কোন নেতারা মন্ত্রী পদের দৌড়ে আছেন? 

ভবানীপুরে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে হারানোর পর শুভেন্দু অধিকারীর অবস্থান এখন অত্যন্ত শক্তিশালী। তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদ পেতে পারেন। তা না হলেও, ব্যাপক প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার কারণে তাঁকে সরকারের সবচেয়ে শক্তিশালী স্বরাষ্ট্র বা অর্থ মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করা হতে পারে। 

এছাড়াও, ডিজাইনার থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া অগ্নিমিত্রা পাল মহিলা ভোটব্যাঙ্ক সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ফলে, তিনি মুখ্যমন্ত্রী না হলেও তাঁর মন্ত্রী পদ প্রায় নিশ্চিত। প্রবীণ বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাও সরকারের জন্য সহায়ক হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দিলীপ ঘোষকে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করা হতে পারে। 

Advertisement

এছাড়াও, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক, ব্যারাকপুরের বিধায়ক অর্জুন সিং, মুর্শিদাবাদ থেকে দুইবারের বিধায়ক গৌরী শঙ্কর ঘোষ, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পশ্চিমবঙ্গ শাখার প্রাক্তন সভাপতি শ্রুতি শেখর গোস্বামী, প্রাক্তন সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, আইনজীবী কৌস্তব বাগচী, দীপক বর্মণ, সজল ঘোষ, ইন্দ্রনীল খানের মতো নেতারাও মন্ত্রিসভার পদের দৌড়ে রয়েছেন। 

প্রথমবারের মতো বিজেপি বিধায়ক নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছেন আরজি কর মামলায় নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথ। ভারত সেবাশ্রম সংঘের সন্ন্যাসী উৎপল মহারাজও মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন।

বিজেপি কীভাবে সামাজিক সমীকরণে ভারসাম্য আনবে?
 
বাংলায় বিজেপির জয়ের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হল মতুয়া ভোটব্যাঙ্ক। এই সম্প্রদায় থেকে অন্তত দুই-তিনজন মন্ত্রী নিয়োগ করা হতে পারে। অসীম সরকার বা মুকুটমণি অধিকারীর মতো মতুয়া নেতাদের মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। একইভাবে, উত্তরবঙ্গ বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। সেক্ষেত্রে নিশীথ প্রামাণিক এবং দীপক বর্মণ এখানে মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন।

 

POST A COMMENT
Advertisement