শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার OC-র অপসারণের দাবি তুললেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, 'অনেক ভাল ভোট হচ্ছে, বেটার। শুধু পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার OC চিন্ময় প্রামাণিক ভীষণ গুণ্ডামি করেছেন। এখনও করছেন। ওঁর সাসপেনশন দাবি করছি।' পাশাপাশি নন্দীগ্রামে ব্রোজমোহন তিওয়ারি শিক্ষা নিকেতনে মহিলা BLO-এর বিরুদ্ধে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিষয়টি নিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হতে পারেন এই হুংকারও দিয়েছেন তিনি।
এদিকে, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলল তৃণমূল। তৃণমূলের অভিযোগ, হলদিয়া এবং নন্দীগ্রামে সেই সব পুলিশ আধিকারিকদের রাখা হয়েছে, যাঁদের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর ‘ভাল সম্পর্ক’ রয়েছে। ওই পুলিশ আধিকারিকেরা BJP-র অঙ্গুলিহেলনে কাজ করছেন বলে অভিযোগ তৃণমূলের। শুধু তাই নয়, নন্দীগ্রামের ৫৫টি বুথে BJP এজেন্ট দিতে পারেনি বলেও দাবি তৃণমূলের। যদিও এই দাবি অস্বীকার করেছে BJP।
নন্দীগ্রামে পুলিশ BJP-র হয়ে কাজ করছে বলেও অভিযোগ তৃণমূলের। দুই পুলিশকর্মীর নামে ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে শাসকদল। বৃহস্পতিবার সকালে তৃণমূলের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী শশী পাঁজা। তৃণমূলের বক্তব্য, পক্ষপাতের অভিযোগ রয়েছে, এমন দুই পুলিশকর্মীকে নন্দীগ্রামে নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূলের প্রতিনিধিদল।
এদিন টোটোয় চেপে নিজের কেন্দ্রে ভোট দিতে যান শুভেন্দু অধিকারী। ভোট দিয়ে বেরিয়ে তিনি বলেন, 'ন্দীগ্রামে দু'টো হিন্দু পাড়াতে ভোট দিতে না বলেছিল। আমি ভিডিও কলিং করেছিলাম। সবাই লাইনে দাঁড়িয়ে গিয়েছে। জিরো টলারেন্স। গুন্ডাদের রাস্তায় থাকতে দেব না। আমাদের পোলিং এজেন্টকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে। মণ্ডল প্রেসিডেন্ট বুদ্ধদেব মণ্ডলকে তুলে নিয়ে গিয়েছে। যা করার করা হচ্ছে। খড়গপুর, বিনপুরে করেছে। আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। পীযূস পান্ডে নন্দীগ্রামেও ছ'জন নেতাকে অ্যারেস্ট করার জন্য।'