Chandranath Rath Details: ভবানীপুরের স্ট্রংরুমে মমতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখান চন্দ্রনাথ, শুভেন্দুর PA সম্পর্কে আর কী জানা যাচ্ছে?

গতকাল রাতেই মধ্যমগ্রামে খুন হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ। তাঁকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়। তারপর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। 

Advertisement
ভবানীপুরের স্ট্রংরুমে মমতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখান চন্দ্রনাথ, শুভেন্দুর PA সম্পর্কে আর কী জানা যাচ্ছে?চন্দ্রনাথ রথ কে?
হাইলাইটস
  • গতকাল রাতেই মধ্যমগ্রামে খুন হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ
  • তাঁকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়
  • তারপর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন

গতকাল রাতেই মধ্যমগ্রামে খুন হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ। তাঁকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়। তারপর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। 

আর এই ঘটনা সামনে আসার পরই আগ্রহ শুরু হয়েছে চন্দ্রনাথকে নিয়ে। তিনি কোথাকার বাসিন্দা, তাঁর সঙ্গে শুভেন্দুর সাক্ষাৎ কীভাবে, এই সব প্রশ্ন অনেকের মাথাতেই ঘুরছে। আর আজকের নিবন্ধে এই সব প্রশ্নেরই উত্তর দেওয়া হল-

কোথাকার বাসিন্দা?
পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরের বাসিন্দা ছিলেন চন্দ্রনাথ। এই জেলাতেই শুভেন্দুর বাস। ৪২ বছর বয়সী চন্দ্রনাথ প্রাক্তন বায়ুসেনা আধিকারিক ছিলেন।

আর তিনি শুভেন্দুর সঙ্গে কাজ শুরু করে ২০১৯ সালে। শুভেন্দু যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের মন্ত্রী ছিলেন, সেই সময় থেকেই তিনি তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করেন। এমনকী বিজেপিতে যোগদান করার পরও তিনি শুভেন্দুর সঙ্গ ছাড়েননি। বরং বহু কাজ সামলে গিয়েছেন। 

বিজেপি নেতা এবং কর্মী সমর্থকদের কথায়, চন্দ্রনাথের ব্যবহার ছিল খুবই ভাল। তিনি সকলের সঙ্গে মিশতে পারতেন। তাই শুভেন্দুর সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ও বার্তা পৌঁছনোর মাধ্যমও হয়ে উঠেছিলেন চন্দ্রনাথ।

মমতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
উল্লেখযোগ্যভাবে, ভোট গণনার আগে ৩০ এপ্রিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরের শাখাওয়াত মেমোরিয়াল হাই স্কুলের স্ট্রংরুমে প্রবেশ করেছিলেন। তিনি স্ট্রংরুম পাহারা দিতেই সেখানে গিয়েছেন বলে দাবি করেন। আর সেই সময় চন্দ্রনাথ অল্প কয়েকজন বিজেপি সমর্থককে নিয়ে সেখানে পৌঁছেছিলেন। আসলে সে দিন রাতে শুভেন্দু অধিকারী নিজের শহর কাঁথিতে চলে যান। তাই গণনাকেন্দ্রের বাইরে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন চন্দ্রনাথ।

ওই দিন পুলিশের সঙ্গে তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়াতে দেখা যায় চন্দ্রনাথকে। তাঁর অভিযোগ ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভিতরে থাকার সময় একটি তৃণমূলের প্রচার গাড়ি বেআইনিভাবে গণনাকেন্দ্রের একেবারে পাশে দাঁড় করানো হয়েছিল। আর এই অভিযোগের পরই বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। পরে পুলিশ ও সিআরপিএফের হস্তক্ষেপে গাড়িটি সেখান থেকে সরানো হয়।

Advertisement

আর এহেন চন্দ্রনাথকেই গতকাল খুন করা হয় মধ্যমগ্রামে। বুধবার রাতে বিধানসভা থেকে ফিরছিলেন তিনি। একটি স্করপিও গাড়িতে ফিরছিলেন। সেই সময়ই হঠাৎ তাঁর গাড়ির সামনে চলে আসে একটি ধূসর রঙের ছোট গাড়ি (নিসান মাইক্রা)। অভিযোগ, স্করপিয়ো থামতেই পিছন দিক থেকে একটি মোটরবাইক এসে পৌঁছয়। বাইকে থাকা দুষ্কৃতীরা খুব কাছ থেকে গুলি চালাতে শুরু করে। তারপর তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

 

POST A COMMENT
Advertisement