ভোটকেন্দ্রের ১০০ মিটার চকের দাগ দিয়ে ঘেরা হবে?এবার ভোটে নজিরবিহীন সব সিদ্ধান্ত নিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। সেই মতো পোলিং বুথের চারপাশে লক্ষণ রেখা কাটার পরিকল্পনা করেছে তারা। বুথের আশপাশে ১০০ মিটারের গণ্ডিতে সাদা চক দিয়ে দাগ কেটে দিতে পারে কমিশন বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে। এই অংশে শুধু ভোটাররা প্রবেশ করতে পারবেন। এই রেখার বাইরেই রাজনৈতিক দলগুলিকে নিজেদের বুথ তৈরি করতে হবে। এই গণ্ডির ভিতরে ভোটের কাজে জড়িতরা ছাড়া কেউ থাকতে পারবে না।
কমিশন সূত্রে খবর, বুথের ১০০ মিটার এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা প্রতিবছরই থাকে। সেটা এবারও থাকবে। তবে বাড়তি ব্যবস্থা হিসেবে ১০০ মিটার এলাকার গণ্ডিটাকে সাদা চক দিয়ে দাগ কেটে দেওয়া হতে পারে। তাতে সকলেরই বুঝতে সুবিধা হবে বলে মনে করছেন কমিশন।
এই নির্বাচনে যেন কোনও ঝামেলা অশান্তি না হয়, তেমনটাই চাইছে কমিশন। তারা চাইছে যাতে বুথের আশপাশে যেন জমায়েত না করতে পারে কেউ। তাই আগেভাগেই নিজেদের মতো করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা মজবুত করার কাজে লেগে পড়েছে কমিশন। আর সেই কাজে আরও একধাপ এগিয়ে তারা বুথের ১০০ মিটার বরাবর সাদা চকের দাগ কেটে দিতে পারে বলে খবর।
আরও একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে
কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, এবার সব বুথেই থাকবে ওয়েবকাস্টিং। কোনও ঝামেলা হলেই সরাসরি ব্যবস্থা নেবে কমিশন। শুধু তাই নয়, রাজ্য পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের থেকে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও পেতে চাইছে তারা। সেই মতো ক্যামেরাগুলির নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে কমিশন।
সূত্রের তরফে দাবি, এবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে সব ক্যামেরা। কোথাও কোনও গন্ডগোল হলেই তড়িঘড়ি ক্যামেরার ফুটেজ দেখা হবে। সেই মতো নেওয়া হবে ব্যবস্থা।
ভোটারদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা
শুধু নিরাপত্তা রক্ষা করার কাজই করছে না কমিশন। পাশাপাশি ভোটারদের সুবিধার্থে একাধিক স্টেপ নিচ্ছে তারা।
এই যেমন এবার প্রতিটি বুথের বাইরে মোবাইল জমা রাখার জন্য আলাদা করে জায়গা তৈরি হবে বলে খবর। সেখানেই মোবাইল রেখে ভোট দেওয়া যাবে।
এছাড়া এবার সব বুথেই টয়েলেটের ব্যবস্থা থাকছে। পাশাপাশি বুথগুলিকে একতলায় করার চেষ্টা করছে কমিশন। সেই সঙ্গে প্রতিটি বুথে থাকছে পানীয় জলের ব্যবস্থা। এখন দেখার এই সব পরিকল্পনা কতটা বাস্তবায়িত হয়। ভোট হয় কতটা শান্তিপূর্ণ।