প্রার্থী তালিকায় নাম নেই, অভিমানে মাথা মুড়িয়ে দল ছাড়লেন নেত্রী

রবিবার ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) কেরলে বিধানসভা নির্বাচন তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। এর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই আরেক জাতীয় দল কংগ্রেস আসন্ন নির্বাচনে তাদের ৮৬ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছ। সেই তালিকায় যথারীতি নাম রয়েছে কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমেন চান্ডি, পৃথুপল্লী, মুরালিধরণ নেমোম এবং রমেশ চৈন্নিকথা হরিপদ। কিন্তু তাতে নাম ছিল দলের মহিলা প্রদেশ অধ্যক্ষের। আর তাতেই রাগ করে ইস্তফা দিলেন সেই নেত্রী। সেই ঘটনা ঘিরেই এখন সরগরম কেরলের রাজ্য রাজনীতি।

Advertisement
প্রার্থী তালিকায় নাম নেই, অভিমানে মাথা মুড়িয়ে দল ছাড়লেন নেত্রীএবার দল ছাড়লেন প্রদেশ কংগ্রেস সভানেত্রী
হাইলাইটস
  • কেরল কংগ্রেসে ভাঙন অব্যাহত
  • এবার দল ছাড়লেন প্রদেশ কংগ্রেস সভানেত্রী
  • বিধানসভায় টিকিট না পেয়ে এমন সিদ্ধান্ত

রবিবার ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) কেরলে  বিধানসভা নির্বাচন তাদের  প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। এর  কয়েক ঘন্টার মধ্যেই আরেক জাতীয় দল কংগ্রেস আসন্ন নির্বাচনে তাদের ৮৬ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছ। সেই তালিকায় যথারীতি নাম রয়েছে কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমেন চান্ডি, পৃথুপল্লী, মুরালিধরণ নেমোম এবং রমেশ চৈন্নিকথা হরিপদ। কিন্তু তাতে নাম ছিল দলের মহিলা প্রদেশ অধ্যক্ষের। আর তাতেই রাগ করে ইস্তফা দিলেন সেই নেত্রী। সেই ঘটনা ঘিরেই এখন সরগরম কেরলের রাজ্য রাজনীতি। 

'মেট্রো ম্যান'-ই কি BJP-র মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী? DMRC থেকে ইস্তফায় আরও বাড়ল জল্পনা

টিকিট না পেয়ে দলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন
এরাজ্যে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর তৃণমূল ও বিজেপি শিবিরের অনেককেই দেখা গেছে অসন্তোষ প্রকাশ করতে। অনেকে দলবদলের পথেও হেঁটেছেন। কেরলেও ধরা পড়ল সেই চিত্র। প্রার্থী হওয়ার টিকিট না পেয়ে দল ছাড়লেন কেরলে প্রদেশ মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী লতিকা সুভাষ। তবে এখানেই থামেননি ক্ষুব্ধ লতিকা। মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী হিসাবে পদত্যাগ করার পাশাপাশি মাথাও মুড়িয়েছেন। জানিয়েছেন,  দলের বিরুদ্ধে এটাই তাঁর তীব্র প্রতিবাদ।  

 

জানা যাচ্ছে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তিনি  টিকিট  পাবেন বলে আশা করেছিলেন লতিকা সুভাষ।  কিন্তু কংগ্রেস তাঁর আশায় জল ঢেলে দেয়। তাই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন তিনি। দল ছাড়ার ঘোষণা করেন। লতিকার দাবি, এতদিন পর্যন্ত কংগ্রেসের হয়ে রাস্তায় নেমে লড়াই করা মহিলাদের সঙ্গে বঞ্চনা করেছে দল। প্রার্থী তালিকায় মহিলাদের একেবারেই প্রাধান্য দেওয়া হয়নি। কেরলের এত্তুমানুর থেকে প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন লতিকা। কিন্তু কংগ্রেস তাঁকে টিকিট দেয়নি। ২০১৮ সালে কেরলের মহিলা কংগ্রেসের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন লতিকা। কেরলের ওয়ানাড়ের  সাংসদ  রাহুল গান্ধী নিজেই তাঁর নাম ঘোষণা করেছিলেন। এমন নেত্রীকে কেন প্রার্থী করল না কংগ্রেস! এর সদুত্তর দিতে পাচ্ছেন না পার্টির অনেক নেতাই। লতিকা অবশ্য দাবি , গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের শিকার হয়েছেন তিন। প্রার্থী না হতে পেরে  তিরুবনন্তপুরমের পার্টি অফিসের বাইরই  চুল কামিয়েছিলেন তিনি। তবে কংগ্রেস ছাড়লেও অন্য কোনও দলে তিনি যোগ দিচ্ছেন না বলেই জানিয়েছেন লতিকা।

Advertisement

'কেরলে দলীয় নেতাদের সাঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়', সনিয়াকে ইস্তফাপত্র পিসি চাকোর

এদিকে  আসন্ন বিধানসভা ভোটের জন্য  প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর  কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমেন চান্ডির দাবি এবারে যুবসমাজ, নতুন মুখ এবং মহিলাদের বেশি গুরুত্ব দিয়েছে কংগ্রেস। এই প্রথম মহিলাদের ৫০ শতাংশের বেশি আসনে প্রার্থী করা হয়েছে। একুশের বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধানী ইউডিএফ জোট ক্ষমতায় আসবে বলেই আত্মবিশ্বাসী ওমেন চান্ডি। 

প্রার্থী তালিক প্রকাশ ভারতীয় জনতা পার্টিরও
৬ এপ্রিল কেরলে একদফায় ভোট অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। গত রবিবার বাংলার তৃতীয় ও টতুর্থ দপার ভোটের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পাশাপাশি তামিলনাড়ু, এসম ও কেরলের প্রার্থী তালিকাও প্রকাশ করেছে গেরুয়া শিবির। কেরলে বিজেপি ১১৫টি আসনে প্রতিদ্বন্দিতা করবে। বাকি ২৫ টি চার সহযোগীর দলের জন্য ছাড়া হয়েছে। কেরলে বিজেপির BDJS, AIDMK, জেআরএস এবং কামরাজ কংগ্রেসের সঙ্গে জোট হয়েছে। বিজেপির হয়ে এবার ভোটে লড়ছেন 'মেট্রো ম্যান' ই শ্রীধরণ। পলক্কড় বিধানসভা আসন থেকে ভোটে দাঁড়াচ্ছেন তিনি। অন্যদিকে কেরল বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি কুম্মনম রাজশেখরন নেমোম আসন থেকে ভোটে পড়বেন। কেরল রাজ্য বিজেপির প্রধান কে সুরেন্দ্রন দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কে জে অ্যালফোন্সকে কানজিরাপ্পালি আসন থেকে এবং প্রাক্তন ডিজিপি জ্যাকব থমাসকে ইরিঞ্জালাকুদা থেকে টিকিট দেওয়া হয়েছে। এদিকে কেরলের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়েনর বিপরীতে ময়দানে নামছেন সিকে পদ্মনাভন। 

 

POST A COMMENT
Advertisement