২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয় এবং বিজেপির জয় একাধিক রাজনৈতিক, সাংগঠনিক ও মনস্তাত্ত্বিক কারণের ফল। সংক্ষেপে ৫টি মূল কারণ নীচে তুলে ধরা হল-
তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভিডিও বার্তায় দাবি করেছেন, ২২৬টি এমনকী ২৩০টি আসনও পেয়ে যেতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। মমতার এই দাবিকে কটাক্ষ করে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বললেন, '৩২১ সিটেও পৌঁছে যেতে পারে! অস্বাভাবিক কিছু নেই। তৃণমূল পারে না, এমন কোনও কাজ নেই। মানুষও তৃণমূলকে দেখে করতে পারে না, এমন কোনও কাজ নেই। খেলা শেষ! আসলে পঞ্চায়েত নির্বাচন, পুর নির্বাচন তৃণমূল কংগ্রেস যেভাবে করেছে, তাই ওরা মনে করছে, এই ভাবেই যদি কেউ করে ফেলে! তাই এই সব কথা বলছে। আসলে কর্মীদের চাঙ্গা করতে গণনাকেন্দ্র পর্যন্ত নিয়ে যেতে এই সব কথা বলছেন।'
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী প্রচারে উঠে এল দমদম এলাকার দীর্ঘদিনের জল জমার ভোগান্তি ও জলজটের সমস্যা। শুক্রবার পানিহাটির জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, 'এখানে ১৫০ বছরের পুরনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা এখনও চলছে, অথচ জনসংখ্যা কয়েকগুণ বেড়েছে। ফলে সমস্যা আরও প্রকট হয়েছে।'
'দেশবিরোধী বিলকে সবাই মিলে আটকেছেন। লোকসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে ফোন করেছেন রাহুল গান্ধী'। স্পষ্ট করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।
নিজের কেন্দ্র কলকাতা বন্দরের চেয়েও এখন ভবানীপুরে বেশি সময় দিচ্ছেন তিনি। সকাল থেকে অলিগলি চষে বেড়িয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন। দলনেত্রীর জয়ের ব্যবধান বাড়াতে তিনি যে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন, তা তাঁর প্রচারের ধরনেই স্পষ্ট। বুধবারও চেতলা পিতম্বর ঘটক লেন ও তেওয়ারি পাড়ার বাড়ি বাড়ি প্রচার করেন ফিরহাদ। বিলি করেন 'উন্নয়ন ঘরে ঘরে, ঘরের মেয়ে ভবানীপুরে' লেখা লিফলেট।
নির্বাচনের উত্তাপ বাড়তেই বাংলায় রাম নবমী ঘিরে চাঙ্গা বাজার। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বাংলার উৎসব-পঞ্জিতে বিশেষ গুরুত্ব পাওয়া এই উৎসব এবার পালিত হবে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার। ঠিক বিধানসভা নির্বাচনের এক মাস আগে। ফলে উৎসবের আবহে মিশে যাচ্ছে স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তাও।
সূত্রের খবর, তৃণমূলের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর আদলে বিজেপি আনতে পারে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ প্রকল্প, যার আওতায় মহিলাদের প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি থাকতে পারে। পাশাপাশি যুবকদের জন্য ‘যুবশক্তি’ প্রকল্পে মাসিক ৩ হাজার টাকা বেকারভাতার প্রস্তাবও ইশতেহারে থাকতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।
প্রতীক উর রহমানের আচমকা দল ছাড়ার ঘোষণায় আলোড়ন পড়ে গিয়েছে CPIM-এর অন্দরে। চিঠি লিখে দল ছাড়ার কথা স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি। তবে এই তরুণ তুর্কীর মানভঞ্জন করতে আসরে নেমে পড়েছেন বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্রর মতো বর্ষীয়ান নেতারা। ফোনে কী কথা হল?