scorecardresearch
 

ভোটদানের নিরিখে শিলিগুড়ি শহরকে ছাপিয়ে গেল গ্রামীণ এলাকা ফাঁসিদেওয়া

ভোটদানের নিরিখে শিলিগুড়ি শহর ও শহর লাগোয়া শহরতলি মাটিগাড়াকে ছাড়িয়ে গেল গ্রামীণ এলাকা ফাঁসিদেওয়া। স্বাভাবিকভাবেই অপেক্ষাকৃত কম ভোট দানের হার নিয়ে জেলার ভোট তালিকার সবশেষে রয়েছে দার্জিলিং পাহাড়ের দুই বিধানসভা এলাকা।

দার্জিলিং জেলার ভোটের শতকরা চিত্র দার্জিলিং জেলার ভোটের শতকরা চিত্র
হাইলাইটস
  • সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে ফাঁসিদেওয়ায়
  • সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে দার্জিলিংয়ে
  • শিলিগুড়ি-দার্জিলিংয়ে অনেকে বাইরে থাকায় ভোট অপেক্ষাকৃত কম পড়েছে

ভোটদানের নিরিখে শিলিগুড়ি শহর ও শহর লাগোয়া শহরতলি মাটিগাড়াকে ছাড়িয়ে গেল গ্রামীণ এলাকা ফাঁসিদেওয়া। স্বাভাবিকভাবেই অপেক্ষাকৃত কম ভোট দানের হার নিয়ে জেলার ভোট তালিকার সবশেষে রয়েছে দার্জিলিং পাহাড়ের দুই বিধানসভা এলাকা। তবে গতবারের চেয়ে এবারের ভোটদানের শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে সব জায়গাতেই।

ফাঁসিদেওয়া

তবে সবাইকে ছাড়িয়ে ফাঁসিদেওয়াতে ভোট পড়ার হার আশা জাগাচ্ছে বিজেপিকে। যেখানে শিলিগুড়িতে ভোট পড়েছে ৭৭.৩৭ শতাংশ সেখানে ফাঁসিদেওয়া ভোটের হার ৮৬.০৩ শতাংশ। এ থেকেই পরিষ্কার, ফাঁসিদেওয়াতে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভোট পড়েছে প্রচুর। তবে গোটা রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় থাকলেও শিলিগুড়ি ও আশপাশের এলাকায় সবসময়ই বিরুদ্ধ হাওয়া বয়েছে। এবারে ফাঁসিদেওয়া বিধানসভাতে বর্তমান বিধায়ক সংযুক্ত মোর্চার তরফে কংগ্রেস প্রার্থী সুনীল তিরকের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনেক। জনসংযোগের অভাব এবং উন্নয়নের কাজে অংশ না নেওয়া, তহবিলের টাকা থেকে কিছু অ্যাম্বুলেন্স তিনি দেওয়া ছাড়া তেমন কোনও কাজ করেননি বলে অভিযোগ রয়েছে বিরোধী থেকে স্থানীয় মানুষ সকলেরই। ফলে সেই সুযোগে শক্তি বাড়িয়েছে বিজেপি। বিপুল পরিমান ভোট পড়ার খবরে উচ্ছ্বসিত গেরুয়া বাহিনী। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন পাল্লা ভারী বিজেপির দিকেই।

মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি

অন্যদিকে মাটিগাড়া নকশালবাড়তেও ভোট পড়েছে ৮১.৬৫ শতাংশ। ফলে ওই এলাকাতেও ভালো ফল করতে পারে বিজেপি বলে মনে করছে একটা বড় অংশ। বর্তমান বিধায়ক সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী কংগ্রেসের শংকর মালাকার প্রদেশ কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতিও। এবারও তিনি সেখান থেকে ফেভারিট। তবে বিজেপির প্রবল হাওয়া এবং প্রার্থী আনন্দময় বর্মনের সহজ সরল গতিবিধি মানুষকে অনেকটাই প্রভাবিত করেছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত।

শিলিগুড়ি

শিলিগুড়িতে অবশ্য খানিকটা কম ভোট পড়ার কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন শহরের অনেকেই কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। যারা শিলিগুড়ির ভোটার। তারা সময়মতো ফিরতে না পারায় ভোট দিতে পারেননি বলে খানিকটা কম ভোট পড়েছে এখানে। এখানে বর্তমান বিধায়ক তথা চারবারের মন্ত্রী সংযুক্ত মোর্চা প্রার্থী সিপিএমের অশোক ভট্টাচার্যের সঙ্গে জোর লড়াই বিজেপির শঙ্কর ঘোষ  এবং তৃণমূলের ওমপ্রকাশ মিশ্রর। তবে বাকি দুজন জোর লড়াই ফিরিয়ে দিলেও মনে করা হচ্ছে খানিকটা হলেও এগিয়ে রয়েছেন বর্ষীয়ান ওই বাম নেতাই।

পাহাড়

দার্জিলিঙে শিলিগুড়ির মতোই প্রচুর মানুষ বাইরে থাকেন। সে কারণে সেখানে ভোটের শতকরা হার সবসময়ই কম থাকে। সেখানে ভোট পড়েছে ৬৬.৩২ শতাংশ। অন্যদিকে কার্শিয়াং এর ৭৩.৯৩ শতাংশ ভোট সব দলকেই উৎসাহী করে তুলেছে। এই প্রথম পাহাড়ে একাধিক দল জয়ের দাবিদার। তাই পাহাড়ের আগাম পূর্বাভাস করতে রাজি নন কোনও বিশেষজ্ঞই।