আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কিছু দল প্রশ্ন তুলেছে, আমরা শান্তিপূর্ণ ভোটে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, জানাল নির্বাচন কমিশন

৩ দিনের সফরে শেষ দিনে রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ আমলাদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। সেই বৈঠকে একগুচ্ছ বিষয় উঠে আসে। পরে সেই বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন।

Advertisement
'আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কিছু দল প্রশ্ন তুলেছে, আমরা শান্তিপূর্ণ ভোটে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ'মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনিল আরোরা। ছবি-ইন্ডিয়া টুডে
হাইলাইটস
  • সাংবাদিক বৈঠক নির্বাচন কমিশনের
  • শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, দাবি EC-র
  • ৩ দিনের সফরে আজকে শেষ দিনে

৩ দিনের সফরে শেষ দিনে রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ আমলাদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। সেই বৈঠকে একগুচ্ছ বিষয় উঠে আসে। পরে সেই বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন।

কী জানাল নির্বাচন কমিশন

নির্বাচন কমিশন জানায়, আমরা মুখ্যসচিব স্বরাষ্ট্রসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজিপি-সহ প্রশাসনের শীর্ষ আমলাদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। বিধানসভার শেষ দিন ৩০ মে। রাজ্যে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোটের জন্য নির্বাচন কমিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিছু রাজনৈতিক দল রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। সেখানে তারা ভোটকেন্দ্রে ভিডিওগ্রাফি, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন, উস্কানিমূলক স্লোগানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ইত্যাদি কথা বলেছে। সেইসঙ্গে বেশকিছু রাজনৈতিক দল সরকারি অফিসারদের বদলির বিষয়ে কথা বলেছেন। আমরা জানিয়েছে, এ বিষয়ে আমাদের একটা নীতি রয়েছে।

আজকে শেষ দিন

প্রসঙ্গত, রাজ্যে ৩ দিনের সফরে আজকেই শেষ দিন ছিল নির্বাচন কমিশনের ফুলবেঞ্চের। এদিন মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজিপি ও প্রশাসনের শীর্ষ আমলাদের নিয়ে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। এর আগে বিভিন্ন আধিকারিক ও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করেছিল। ২০২১ বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা কিংবা হিংসা রুখতে তৎপর নির্বাচন কমিশন।

চিঠি বিজেপির

ইতিমধ্যে, নির্বাচন শুরুর অন্তত ১৫ দিন আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতয়েন করা হোক। নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি দিয়ে এমনটাই দাবি করল রাজ্য বিজেপি। বৃহস্পতিবার বিজেপির একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করে। সেখানে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি-সহ একগুচ্ছ বিষয়ে কথা বলেন তারা। তারপরে নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিল বিজেপি। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সঙ্গে স্পর্শকাতর বুথগুলিতে লাইভ ওয়েব কাস্টিং-এরও দাবি জানিয়েছেন তারা।

তৃণমূলের দাবি

নির্বাচন কমিশন কাছে গিয়ে তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, বিএসএফ সীমান্তবর্তী গ্রামে ঢুকে ভয় দেখাচ্ছে। বলছে, আর কেউ থাকবে না, সীমান্তে আমরাই থাকব। পার্থবাবুর অভিযোগ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে যেসব বিএসএফর  দায়িত্বে রয়েছেন তারা একটি রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছেন। তবে নির্বাচন কমিশনের উপর তাঁদের আস্থা রয়েছে সেই বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন এই তৃণমূল নেতা। সেই প্রসঙ্গে এদিন নির্বাচন কমিশন জানাায়, তারা যা বলেছে তা দুর্ভাগ্যজনক। আমাদের সীমানাগুলি পাহারা দেওয়ার অন্যতম সেরা বাহিনী। কিছু আইকনিক পুলিশ অফিসার দিয়ে এই বাহিনী তৈরি হয়েছিল।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement