বাংলার ভোটে প্রার্থী দিচ্ছে না JMM,মমতাকে সমর্থনের ঘোষণা হেমন্তের
এসএসকেএম হাসপাতালে শুয়ে রয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সামনেই নির্বাচন। সুস্থ থাকলে এই সময় দম ফেলার সময় থাকতো না তৃণমূলনেত্রর। কিন্তু পায়ে চোট পেয়ে আপাতত শয্যাশায়ী তৃণমূলনেত্রী। কীভাবে বাংলার ভোটরঙ্গে প্রচার করবেন সেই চিন্তা এখন মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তা বলাই বাহুল্য। আর এর মধ্যেই সুসংবাদ এল তাঁর জন্য। একুশের বিধানসভা ভোটে তৃণমূলকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা।
আজতককে দেওয়া এক এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন জানিয়েছেন, তৃণমূলনেত্রী তাঁকে চিঠি লিখেছেন, যেখানে আসন্ন বিধানসভা ভোটে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে সমর্থন চেয়েছেন মমতা। পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীকে বাংলায় আমন্ত্রণও জানিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। এই নিয়ে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার আরেক নেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবু সোরেনের সঙ্গে কথাও হয়েছে হেমন্তের। তাতে ঠিক হয়েছে এবারের ভোটে বাংলায় প্রার্থী দেবে না জেএমএম, বরং তৃণমূলের পাশেই দাঁড়াবে দলটি। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন একুশের ভোটে বাংলায় বিজেপি কোনও রকম সুবিধা পাক এমনটা তাঁরা হতে দিতে চান না, তাই প্রার্থী নি দিয়ে মমতার পাশেই দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেএমএম।
এর আগে শোনা গিয়েছিল বিধানসভা ভোটে আদিবাসী অধ্যুষিত আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা ভাবছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা। গত ভোটে দুই ডজন আসনে প্রার্থী দিতেও দেখা গিয়েছিল ঝাড়খণ্ডের দলটিকে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের ঝাড়খণ্ড সীমানা লাগোয়া আদিবাসী এলাকার ভোটে তার প্রভাবও পড়েছিল। তবে এবার মমতাতেই ভরসা রাখছেন হেমন্ত সোরেন। এদিকে একুশের ভোটে আরজেডি, সমাজবাদী পার্টি এবং শিবসেনাও তৃণমূলকে আগেই সমর্থন জানিয়ে রেখেছে। বিজেপি বিরোধী ভোট যাতে ভাগ না হয় তার জন্যই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের দলগুলি মমতার পাশে দাঁড়াচ্ছে বলে মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। এর ফলে আগামী বিধানসভা ভোটে রাজ্যে বিজেপির লড়াই আরও কঠিন হচ্ছে বলেন মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।