scorecardresearch
 

Kolkata Civic Poll 2021 : ১৯ ডিসেম্বর কলকাতায় পুরভোট, নির্বাচনী বিধি জারি

Kolkata municipal election 2021 :জল্পনার অবসান। ডিসেম্বরের ১৯ তারিখ হতে চলেছে কলকাতা পুরভোট। মোট ১৪৪টি ওয়ার্ডেই ১৯ তারিখ পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। ভোটগনণা হবে খুব সম্ভবত ২১ তারিখ। মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ১লা ডিসেম্বর। মনোনয়ন প্রত্যাহার করার শেষ দিন ৪ ডিসেম্বর। 

হাইলাইটস
  • ১৯ তারিখ পুরভোট কলকাতায়
  • মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ১লা ডিসেম্বর
  • জানুন বিস্তারিত তথ্য

জল্পনার অবসান। ডিসেম্বরের ১৯ তারিখ হতে চলেছে কলকাতা পুরভোট। মোট ১৪৪টি ওয়ার্ডেই ১৯ তারিখ পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। ভোটগনণা হবে খুব সম্ভবত ২১ তারিখ। মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ১লা ডিসেম্বর। মনোনয়ন প্রত্যাহার করার শেষ দিন ৪ ডিসেম্বর। তবে কলকাতা পুরভোট নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি হলেও হাওড়া নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বাহিনী নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ডিজির সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে। মোট বুথ ৪,৭৪২টি। মোট ভোটারের সংখ্যা ৪০ লাখ। কলকাতা পুরভোট হবে ইভিএমে।

আপত্তি বিজেপির

কয়েকদিন ধরেই জল্পনা চলছিল কলকাতা পুরভোট ১৯ তারিখই হতে চলেছে। যদিও রাজ্য সরকারের এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করে বিজেপি। এই প্রসঙ্গে সোমবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়ে বিজেপি প্রশ্ন তোলে, কেন সমস্ত পুরসভার বকেয়া নির্বাচন একসঙ্গে হবে না? রাজ্য সরকার তথা শাসকদল নিজেদের ইচ্ছামতো নির্বাচন করে মানুষের অধিকার নিয়ে খেলা করছে বলেও অভিযোগ তোলে গেরুয়া শিবির।

এমনকী তাদের দাবি মানা না হলে প্রয়োজনে আইনি পথে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেয় বিজেপি। এক্ষেত্রে হুঁশিয়ারি মতোই পদক্ষেপ করতে দেখা গেল বিজেপি। এই ইস্যুতে ইতিমধ্যেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে গেরুয়া শিবির। এদিন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি বলেন, "গোটা রাজ্যে ৪০ শতাংশ জায়গায় এই নির্বাচন হওয়ার কথা। কিন্তু সেই সব জায়গা বঞ্চিত করে রেখে শুধু কলকাতায় কেন। সব জায়গায় ভোট হওয়া দরকার। মানুষকে প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ দেওয়া হোক, যাতে উন্নয়ন ঠিকঠাক হয়।"

নজর তৃণমূলে

মোট ১৪৪টি ওয়ার্ডে নির্বাচন হবে। মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় কাউন্সিলরদেরই পুর প্রশাসক পদে রাখা হয়েছিল। বর্তমানে কলকাতা পুরসভার পুর প্রশাসক পদে রয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তবে এবার তৃণমূলের তরফ থেকে কাকে মুখ করা হয় কিংবা ফিরহাদকেই রাখা হয় কিনা, সেই দিকেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।