
Sweet Potato Recipe: সংক্রান্তির সময় প্রায় সব বাড়িতেই মিষ্টি আলুর পিঠে, পায়েস বা পঙ্গল রীতিমতো আবশ্যিক। ভিটামিন A ও ফাইবারে ভরপুর বলে মিষ্টি আলু যেমন স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, তেমনই শিশুদের খাদ্যতালিকায়ও রাখা উচিত বলে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে একটা সমস্যাই বেশি। অনেক সময় সেদ্ধ করলে মিষ্টি আলুর স্বাদ একেবারে পানসে হয়ে যায়। ফলে খেতেও ভালো লাগে না। কিন্তু চিন্তা নেই। খুব সহজ কিছু কৌশল মেনে চললেই পানসে মিষ্টি আলুও হয়ে উঠবে স্বাদে-গন্ধে অসাধারণ। দেখে নিন সেই বিশেষ পদ্ধতিগুলি।
ভাপে রান্না করুন
সেদ্ধ করার সময় মিষ্টি আলুর মিষ্টত্ব জলে মিশে যায়। তাই জল দিয়ে ফোটানো ঠিক নয়। বরং মিষ্টি আলু ভালো করে ধুয়ে প্রেশার কুকারে রাখুন। একটি মোটা ভেজা তোয়ালে দিয়ে আলুগুলো ঢেকে দিন। জলে না দিয়ে কম আঁচে রান্না করুন। কুকারে সিটি দেবে না, কিন্তু ভাপে আলু ১৫-২০ মিনিটেই তৈরি হয়ে যাবে এবং স্বাদ হবে অনেক বেশি মিষ্টি।
সামান্য সেদ্ধ, তারপর প্যানে ভাজা
যদি আপনি জলে সেদ্ধ করতেই চান, তাহলে রান্নার সময় কমিয়ে দিন। যেমন, যেখানে সাধারণত ৩টি সিটি লাগে, সেখানে ২টি সিটি দিন। এরপর কুকার খুলে আলু বের করে একটি মোটা তলার প্যানে দিয়ে হালকা আঁচে ভাজুন। ভাজার ফলে অতিরিক্ত জল শুকিয়ে যাবে এবং মিষ্টি আলুর মধ্যে আসবে একটি দারুণ সুগন্ধ। স্বাদও বাড়বে।
ঝলসানো বা রোস্ট
কয়লা বা কাঠের আগুনে ঝলসানো মিষ্টি আলুর স্বাদই আলাদা। বাড়িতে চাইলে প্যানেও এটি করা যায়।
মিষ্টি আলু ধুয়ে প্যানে রেখে ঢাকনা দিন, যাতে ভাপ বেরিয়ে না যায়। আঁচ কম রাখুন, মাঝে মাঝে আলু উল্টে দিন। কম আঁচে ঝলসালে আলুর ভেতরের স্বাভাবিক মিষ্টত্ব আরও বৃদ্ধি পায়।
গুড় দিয়ে বানান সুস্বাদু
মিষ্টি আলু যদি খুবই পানসে হয়, তা হলে গুড় মিশিয়ে খেতে পারেন। চাট বা অন্য খাবারে অল্প গুঁড়ো চিনি বা গুড় যোগ করলে মিষ্টি আলুর স্বাদ অনেকটাই বৃদ্ধি পায়। সাধারণভাবেও সেদ্ধ আলুর উপর গুড় ছিটিয়ে খেলে স্বাদ আরও মজাদার হয়।