তবে পুজোর সময় সকলেই একটি ঝারা হাত-পা থাকতে চান। তাহলে বাইরের খাবার না খেয়ে বাড়িতেই চটজলদি মাটন কিমা কারি বানিয়ে নিন ধাবা স্টাইলে। রুটি-পরোটার সঙ্গে ফাটাফাটি লাগবে।
ছানার কোফতা খেতে দারুণ। তবে এই পদটা অনেকেই ঠিকঠাক বানাতে জানেন না। তাই আজ সেরার সেরা ছানার কোফতা বানানোর রেসিপি জানালাম। এই নিয়ম মেনে রান্না করুন। তাহলেই খেতে হবে দারুণ। রুটি বা পরোটার সঙ্গে জমে যাবে।
সহজেই বানিয়ে নিন সুগার ফ্রি মিষ্টি। এটা বাড়িতেই বানিয়ে নিন। খুব কম উপকরণেই এটা তৈরি করে ফেলতে পারবেন। খেতেও হবে দারুণ। সঙ্গে স্বাস্থ্যও ভাল থাকবে।
প্রথমে খাসির মাংস ভালো করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। একটি পাত্রে মাংসের সঙ্গে টক দই, আদা-রসুন বাটা, হলুদ, লঙ্কা গুঁড়ো এবং সামান্য নুন মিশিয়ে অন্তত ৩০ মিনিট ম্যারিনেট করে রাখুন। হাতে সময় থাকলে আরও কিছুক্ষণ রেখে দিতে পারেন।
প্লেটে গরম চিকেন পোলাও সাজিয়ে নিন। পাশে ছোট বাটিতে পরিবেশন করুন রোস্টেড সবজির চাটনি। সুগন্ধি বাসমতী চাল, রসালো চিকেন আর ধোঁয়াটে স্বাদের চাটনির যুগলবন্দিতে বাড়িতেই উপভোগ করুন ধাবা স্টাইল রাতের খাবার।
দুর্গাপুজোর ভোগে গরমাগরম খিচুড়ির সঙ্গে পরিবেশন করুন লাবড়া। চাইলে সঙ্গে রাখতে পারেন চাটনি বা পছন্দের অন্য কোনও পদও। বাড়িতেই তৈরি হয়ে যাবে পুজোর ভোগের চেনা স্বাদ।
আগেকার দিনে পুজো আসলেই বাংলার বহু গৃহস্থ বাড়ির মা-ঠাকুমারা নিমকি তৈরি করেন। চা কিংবা কফির সঙ্গে এই নিমকি দুর্দান্ত কম্বিনেশন। বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে আড্ডা কিংবা অতিথিদের জন্য মুচমুচে নিমকির জুড়ি মেলা ভার।
তবে এখন তো সারা বছরই বাজারে ফুলকপি পাওয়া যায়। তাই লুচি বা পরোটার সঙ্গে আলু ফুলকপির চচ্চড়ি খেতেও মন্দ লাগবে না। আসুন তাহলে শিখে নিন সাধারণ এই আলু-ফুলকপির সাদা চচ্চড়ি বানাবেন কী করে।
বাড়িতেই বানিয়ে নিন চিকেন চাপ। খুব সহজেই বানিয়ে নিতে পারবেন। টেস্ট হবে দোকানের মতো। কীভাবে বানাবেন? জেনে নিন দ্রুত।
উৎসবের মরসুম শুরু মানেই দেদার খাওয়াদাওয়ার পর্ব শুরু। পুজোর আনন্দ মানেই মিষ্টি। বাঙালির মিষ্টির প্রতি আসক্তির কথা কারও অজানা নয়। উৎসবের মরসুমে যে কোনও মুহূর্তকে আরও রঙিন করে তোলার জন্য কিছু কিছু মিষ্টি বিশেষ জায়গা করে নিতে পেরেছে। এই বিভিন্ন রকমের মিষ্টির মধ্যে যে মিষ্টির নাম শুনলেই মুখে একটা হাসি খেলে যায়, তার মধ্যে বোঁদে নিঃসন্দেহে অন্যতম।
ভোগের মতো স্বাদ পেতে গোবিন্দভোগ চাল, ভাজা সোনামুগ ডাল এবং ঘি ব্যবহার করুন। মশলা বেশি দেবেন না, তাতে চাল-ডালের নিজস্ব গন্ধ চাপা পড়ে যেতে পারে। খিচুড়ি রান্নার সময় গরম জল ব্যবহার করলে রান্না সহজ হয়।