ডিম তড়কা আর গরম রুটি, সঙ্গে পেঁয়াজ-কাঁচালঙ্কা, রাতের খাবার যেন আরও জমে যায়। ধাবায় বা রেস্তোরাঁয় গিয়ে এই পদ খুঁজে থাকেন অনেকেই। অনেকসময় আবার রাতে রান্না করতে ভাল না লাগলে ভরসা দোকানের রুটি ও তড়কা।
Crispy Flattened Potato Recipe: বিকেলের জলখাবারে নতুন কিছু খেতে ইচ্ছা করছে? বাড়িতে আলু থাকলেই তৈরি করে ফেলতে পারেন দারুণ মুচমুচে এই পদ। নাম চ্যাপ্টা আলু ভাজা।
Bihari Arhar Dal Recipe: একটু ডাল-ভাত হলেই খাওয়া হয়ে যায়। ভালভাবে ডাল রাঁধলে সঙ্গে একটু লেবু লঙ্কাই যথেষ্ট। ভাজাভুজিও লাগে না। তবে একই স্বাদের ডাল খেতে খেতে অনেক সময় একঘেয়ে লাগে।
Ghoti Style Aloo Posto: ঘটিদের মতো বানিয়ে নিন নিরামিষ আলু পোস্ত। এই পদ বানানো খুব একটা কঠিন নয়। তাই ঝটপট জেনে নিন নিরামিষ আলু পোস্ত বানানোর রেসিপি। তারপর ভাতের সঙ্গে খান জমিয়ে।
প্রথমেই ভালো মানের হাক্কা নুডলস নিন। একটি বড় পাত্রে জল ফুটিয়ে তাতে সামান্য নুন ও কয়েক ফোঁটা তেল দিন। এবার নুডলস দিয়ে খুব বেশি নরম করবেন না। প্যাকেটে যতক্ষণ সেদ্ধ করার কথা বলা রয়েছে, তার থেকে সামান্য কম সময় রান্না করাই ভালো।
ভাত, রুটি বা লুচির সঙ্গে গরম গরম ছোলার ডালের স্বাদ যেন আলাদা আনন্দ দেয়। পুজোর দিনে নারকেল দিয়ে ছোলার ডাল নিরামিষ ভোজের আসরকে করে তোলে আরও জমজমাট। তবে ছোলার ডাল বানাতে গেলে কিছু সমস্যা অনেকেরই হয়। ডাল ঠিক করে সেদ্ধ হতে চায় না। নুন-মিষ্টিও ঠিক থাকে না। আর তাই আজ রইল নারকেল দিয়ে পারফেক্ট ছোলার ডাল বানানোর রেসিপি।
এবার পুজোয় বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন রেস্তোরাঁ স্টাইল চিকেন বিরিয়ানি। কী কী উপকরণ লাগবে বিরিয়ানিতে? কীভাবে বানাতে হবে এই জিভে জল আনা ডিশ? রইল উপকরণ ও রান্নার পদ্ধতি।
রোজ রোজ মাটনের এক পদ খেতে ভাল না লাগতেই পারে। সেক্ষেত্রে বানিয়ে নিন খাঁটি বিহারি স্টাইলে চম্পারণ মাটন। কীভাবে বানাবেন এই পদ? চম্পারণ মাটনের সহজ রেসিপি জেনে নিন।
বাড়িতে আলুর নানা পদ তো খেয়েছেন। কখনও আলু কোর্মা রান্না করেছেন। তাহলে সহজ রেসিপিটা শিখে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন আলু কোর্মা।
পুজো আসা মানেই বাঙালির জমিয়ে খাওয়া দাওয়া। সেই আবহে এক অদ্বিতীয় পদ— চিতল মাছের মুইঠ্যা। নাম শুনলেই যেন জিভে জল!চিতল মাছের মুইঠ্যা একটি খাঁটি বাঙালি পদ। এই রান্না এপার বাংলা ও ওপার বাংলা দুই বাংলাতেই সমান জনপ্রিয়।
বাঙালিরা নিরামিষ মাটনও রাঁধতে জানেন তবে বিহারের মৈথিলী মাংসের রেসিপিও একেবারে পেঁয়াজ-রসুন ছাড়াই। খেতে হয় অসাধারণ। পুজোর যে কোনও একটি দিনেই এই মৈথিলী মাংস রেঁধে নিতে পারেন।