প্রতি বছর ১৫ অগাস্ট দেশজুড়ে মহা উৎসাহের সঙ্গে উদযাপন করা হয়। আপনি যদি স্বাধীনতা দিবসটিকে বিশেষ করে তুলতে চান, তবে তেরঙা পোলাও-এর এই সুস্বাদু রেসিপিটি ট্রাই করে দেখতে পারেন। রান্নার মাধ্যমে দেশের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে, এই স্বাধীনতা দিবসে আপনার পরিবারের জন্য তেরঙা পোলাও তৈরি করুন। চলুন জেনে নেওয়া যাক তিরঙা পোলাও-এর রেসিপি।
বাঙালির চাইনিজ খাবারের দৌড় বেশিদূর পর্যন্ত নয়। চাউমিন আর চিলি চিকেন। যতই মেনুতে নানান খাবার থাকুক না কেন, বাঙালি এক্সপেরিমেন্টে যেতে চান না। তাই চাইনিজ খাবার বলতে ওই চিলি চিকেন, যেটা গ্রেভি বা ড্রাই দুটোই হতে পারে।
রিমঝিম বৃষ্টিতে গরম গরম চায়ের সঙ্গে পকোড়া ছাড়াও যেটা ভাল লাগে তা হল বিহারিদের প্রিয় খাবার লিট্টি-চোখা। বেশ স্বাস্থ্যকর এই খাবার এখন স্ট্রিট ফুডের অঙ্গ হয়ে গিয়েছে। যদিও এই খাবার বানানোর ঝক্কি অনেক।
তবে ইদানিং অনেক জায়গাতে আলু বা ডিম বিরিয়ানিও পাওয়া যায়। আর হঠাৎ করে আপনারও বিরিয়ানি খেতে ইচ্ছে হলে, আর বাড়িতে চিকেন বা মাটন না থাকলে ডিম দিয়েই তৈরি করে নিতে পারেন ঘরোয়া বিরিয়ানি।
বাঙালির চায়ের আড্ডায় সিঙাড়ার স্থান বহু পুরনো। চপ-তেলেভাজার চল থাকলেও গরম গরম সিঙাড়া আর সঙ্গে মিষ্টি চাটনির যুগলবন্দি যেন স্বর্গসুখ এনে দেয়। কলকাতা শহরের অনেক মিষ্টির দোকানই জনপ্রিয় তাদের এই সিঙাড়ার জন্য।
ডিম আর পোস্তর একটি ফিউশন পদ। এটি গরম ভাতের সঙ্গে খেলে দারুণ লাগবে। জেনে নিন ডিম পোস্ত বানানোর রেসিপি।
যে কোনও পুজো-পার্বণ হোক কিংবা শুভ অনুষ্ঠান মিষ্টিমুখ ছাড়া সম্পূর্ণ হয় না। সামনেই জন্মাষ্টমী আর এই সময় নাড়ু গোপালের আরাধনায় মিষ্টি, পায়েস, তালের বড়া, লুচি এইসব ভোগে দেওয়া হয়। কৃষ্ণ আরাধনায় সব সময়ই প্রাধান্য পেয়েছে মালপোয়া। আর বাঙালির মিষ্টি রসনাতেও মালপোয়ার জুড়ি মেলা ভার।
উপাদান মোটমুটি এক রকম হলেও, রন্ধনপ্রণালীতে কিছু তফাত থেকেই যায়। ঠিক সেই কারণেই কোনও কোনও বাড়ির তালের বড়া ভীষণ সুস্বাদু হয়। ঠান্ডা হলেও বড়ার স্বাদ থাকে দারুণ।
সেটি হল- ভেটকির কাঁটা চচ্চড়ি। মা চপলাদেবীর হাতের এই রান্না খেয়ে চেটেপুটে পাত সাফ করতেন তিনি। পরবর্তীকালে সুপ্রিয়া দেবীও এই কাঁটা চচ্চড়ি রেঁধে দিতেন মহানায়ককে। মহানায়কের প্রিয় খাদ্যতালিকায় উঁকি দেওয়া যায়, তাহলে তাঁর মায়ের হাতের ‘ভেটকির কাঁটা চচ্চড়ি’র স্থান অনেক উপরে।
শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হল ডালও। আর তাই রোজ নিয়ম করে একবাটি ডাল খান। ডালের মধ্যে থাকে পর্যাপ্ত প্রোটিন। যে কারণে রোজ নিয়ম করে ডাল খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
রুটি, পরোটা, ভাত, পোলাও, লুচি যে কোনও কিছুর সঙ্গেই চোখ বুজে খেয়ে ফেলা যায় চিকেন কষা। সব কিছুর সঙ্গেই একই রকম সুস্বাদু। তার ওপর চিকেন স্বাস্থ্যকরও বটে।
আলুর চপ, পেঁয়াজি বা ভেজিটেবল চপ তো প্রায়ই খান! এবার বানিয়ে নিন জিভে জলা আনা মোচার চপ। উপকরণ লাগে সামান্য, বানানোও খুব সহজ। রইল রেসিপি।
শুধু বাঙালি নয়। উত্তর ভারতের রান্নাতেও ডালের কদর আছে। রেস্তোরাঁয় গিয়ে গরম তন্দুরি রুটি বা জিরে রাইসের সঙ্গে ধোঁয়া ওঠা ধাবা স্টাইলের পঞ্জাবি ডাল তরকা খাননি এমন মানুষ বিরল।
কিন্তু আজকাল বাজারে উপলব্ধ প্যাকেটজাত কর্নফ্লাওয়ারের বিশুদ্ধতা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে। আপনিও যদি বিশুদ্ধ ও কোনও রাসায়নির মিশ্রণ ছাড়া কর্নফ্লাওয়ার তৈরি করতে চান, তাহলে আপনার শুধু লাগবে ভুট্টা।
Healthy cooking oil limit per day per month: তরকারিতে ফোড়ন দেওয়া হোক বা পরোটা ভাজা কিংবা মুচমুচে পকোড়া, রান্নায় তেল লাগবেই। কিন্তু স্বাদে অতুলনীয় এই তেলই যদি অনিয়ন্ত্রিত মাত্রায় শরীরে প্রবেশ করে, তবে তা হৃদযন্ত্রের জন্য চরম বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
শুধু পাউরুটি আর দুধ দিয়ে কয়েক মিনিটেই বাড়িতে তৈরি করুন এই সুস্বাদু মিষ্টি। এর স্বাদ এতটাই ভাল যে সবাই এর রেসিপি জানতে চাইবে।
Brain Superfood: মস্তিষ্কের অনুশীলনে মনোযোগ না দিলে, ধীরে ধীরে বুদ্ধিমত্তা এবং যুক্তি শক্তি হ্রাস পাবে। শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মতো, মস্তিষ্কের সর্বোত্তমভাবে কাজ করার জন্য নির্দিষ্ট পুষ্টির প্রয়োজন।
ভোগের খিচুড়ির এই স্বর্গীয় স্বাদের পেছনে লুকিয়ে রয়েছে অত্যন্ত প্রাচীন ও সুনির্দিষ্ট কিছু রান্নার পদ্ধতি।
Dherosh Pakora Recipe: দুপুরের পাতে গরম ভাত আর ধোঁয়া ওঠা পাতলা মসুর ডাল বা মুগ ডাল বাঙালির অত্যন্ত প্রিয় একটি খাবার। তবে কেবল ডাল-ভাত অনেক সময় একঘেয়ে লাগতে পারে। তাই এই সাধারণকেই স্বাদে-গন্ধে অতুলনীয় করে তুলতে পারে মচমচে কিছু ভাজাভুজি।