এই একটা সবজি দিয়েই বহু পদ তৈরি করা যায়। বাঙালির কাছে আলু মানেই আলুর চপ, আলু ভাজা, আলুর দম, আলুর তরকারি, আলুর চিপস।
Dhaniya Aloo Recipe: রোজ রোজ আলুর একই তরকারি খেয়ে বোরড্? তাহলে বানিয়ে ফেলতে পারেন ধনে আলু কষা। খুব সহজ এই রান্না। উপকরণও বেশি লাগে না। আলু, ধনে এবং কয়েকটি সাধারণ মশলা থাকলেই হবে(Dry Aloo Recipe)।
আলাদা করে বেশি কিছু করারও প্রয়োজন নেই। একবার এই মশলা তৈরি করে গুঁড়ো করে রেখে দিন। তারপর যে কোনও সবজি রান্না করার সময় সামান্য এই মশলা মিশিয়ে দিলেই হবে।
Bengali Fish Curry Recipe: মাছের ঝোল বাঙালির অতি সুপরিচিত রান্না। তবে একই রকম ঝোল খেতে খেতে একঘেয়ে লাগতেই পারে। তাই স্বাদ বদলাতে এক দিন বানিয়ে ফেলুন পোড়া মশলা দিয়ে মাছের ঝোল। নাম পোড়া মশলা হলেও মশলা একেবারে পুড়িয়ে ফেলতে হবে না। হালকা রোস্ট করলেই হবে।
বাঙালদের মতো বানিয়ে নিতে হবে কাতলা কালিয়া। এটা সেরার সেরা একটি পদ। এই পদ বানানো খুব কঠিন কিছু নয়। কীভাবে বানাবেন বাঙালদের মতো কাতলা কালিয়া? জেনে নিন দ্রুত।
বাড়িতেই বানিয়ে ফেলতে পারেন দোকানের মতো সুস্বাদু আলুর তরকারি। আলুর তরকারির এই রেসিপি খুব সহজ। সময়ও লাগে কম।
ইলিশের তো ভাজা, ভাপা, পাতলা ঝোল অনেক খেলেন। কিন্ত সেই একই রান্না খেতে খেতে বিরক্তি লাগলে করতে পারেন একটু স্বাদ বদল। এই সপ্তাহান্তে রেঁধে ফেলতে পারেন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির স্টাইলে ‘ইলিশ ট্রামফ্রেডো’।
ঘটি বাড়ির লাউ শাকের পোস্ত বানিয়ে নিন। এটি সেরার সেরা একটি পদ। এই পদ বানাতে কী কী উপাদান লাগবে? কীভাবে বানানো সম্ভব হবে? জেনে নিন রেসিপি। তাহলেই কাজ হবে।
জলখাবারের জন্য আদর্শ মুড়ি। মুড়ি পছন্দ করেন না এমন বাঙালি মেলা দুষ্কর। গ্রামে এখনও মুড়ি দিয়েই চলে রোজকার জলখাবার। মুড়ির সঙ্গে কেউ মেশান চপ, কেউ চানাচুর, তো কেউ আবার চিনি।
বিকেলের চা কিংবা কফি, অথবা শিশুদের মুখরোচক খাবারের তালিকায় চিপস সবার আগে থাকে। প্যাকেটের চিপস খেতে আট থেকে আশি সকলেই পছন্দ করেন। কিন্তু বাজারের সেই চিপসে ব্যবহৃত তেল ও প্রিজারভেশন একেবারে ভাল নয় স্বাস্থ্যের জন্য।
কষা মাংস আর লুচি। এই কম্বিনেশন সামনে থাকলে লোভ সামলানো বেশ কঠিন। আপনি স্বাস্থ্য নিয়ে যতই সচেতন হোন না কেন, কষা মাংসের প্রেমে না পড়লে জীবনটাই বৃথা। বাইরের রেস্তোরাঁয় কষা মাংস পাওয়া গেলেও বাড়িতে তৈরি এই মাটনের স্বাদ একেবারে আলাদা হয়।