চিনি ও ভোজ্য তেলের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি। চরম সংকটের মুখে জলপাইগুড়ির বেকারি শিল্প। কেক বা বিস্কুটের মতো খাবার তৈরির খরচ বাড়লেও ক্রেতা হারানোর ভয়ে দাম বাড়াতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। লাভের মুখ দেখা তো দূর, উৎপাদন খরচ তোলাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, দাবি ব্যবসায়ীদের। দ্রুত দাম নিয়ন্ত্রণের আর্জি জানিয়েছেন স্থানীয় বেকারি কারবারিরা।
ইলিশের প্রতি বাঙালির প্রেম আদি-অকৃত্রিম ও চিরন্তন। ইলিশের পেটি, গাদা, মুড়ো, তেল, কানকো, কাঁটা-সবই সমান উপাদেয়। তাই তো এই মাছের কিচ্ছুটি ছাড়া যায় না! ঝোল-ঝাল, তেল, অম্বল–সবেতেই যে সুখ মিলবে! আসলে এই রুপোলি শস্যটি আমাদের সংস্কৃতির একটা অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সমস্যা হয় লেজাটি নিয়ে। অনেক পরিবারে ইলিশ মাছ খাওয়া হলেও পড়ে থাকে লেজের অংশটা। ল্যাজা খেতে অনেকেরই না পসন্দ! আপনিও যদি ইলিশের লেজটি খেতে না চান, তাহলে বানিয়ে ফেলতে পারেন সুস্বাদু রেসিপি ল্যাজা ভর্তা।
তবে জন্মষ্টমী অসম্পূর্ণ তাল ছাড়া। বাড়ির প্রিয় গোপালকে তালের তৈরি নানান খাবার দেওয়া হয়। যার মধ্যে তালের বড়া, তালের পিঠে ও তালের পায়েস অন্যতম।
Mutton Potato: অন্যদিকে, হলুদ আলু সাধারণত তুলনামূলকভাবে ক্রিমি ও ফার্ম টেক্সচারের হয়। রান্নার পরেও অনেক সময় এগুলি নিজেদের আকার ধরে রাখে। ফলে যে রান্নায় আলুর টুকরো ভেঙে যাওয়া কাম্য নয়, সেখানে এই ধরনের আলু ভালো বিকল্প হতে পারে।
ইলিশের জনপ্রিয় রান্নার মধ্যে সর্ষে ইলিশ, বেগুন দিয়ে ঝোল, ভাপা থাকে। তবে স্বাদ বদলে বানিয়ে ফেলুন ইলিশ-পিটুলি। পূর্ববঙ্গে ‘পিটুলি’ বলা হয় চালের গুঁড়োকে।
খাসির মাংস দিয়ে নানা রকমের রান্না হয়৷ কাবাব, বিরিয়ানি, কিমা, কোর্মা, ভুনা, নিহারি, পায়া স্যুপ এবং আমাদের প্রিয় রোববারের মাংসের ঝোল তো আছেই। এ সব রান্নার জন্যে কিন্তু খাসির শরীরের ভিন্ন ভিন্ন অংশের মাংস ব্যবহার করা হয়। আসুন জেনে নিন কোন অংশের মাংস ভাল ও কোন রান্নায় ব্যবহার হয়।
প্রতি বছর ১৫ অগাস্ট দেশজুড়ে মহা উৎসাহের সঙ্গে উদযাপন করা হয়। আপনি যদি স্বাধীনতা দিবসটিকে বিশেষ করে তুলতে চান, তবে তেরঙা পোলাও-এর এই সুস্বাদু রেসিপিটি ট্রাই করে দেখতে পারেন। রান্নার মাধ্যমে দেশের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে, এই স্বাধীনতা দিবসে আপনার পরিবারের জন্য তেরঙা পোলাও তৈরি করুন। চলুন জেনে নেওয়া যাক তিরঙা পোলাও-এর রেসিপি।
বাঙালির চাইনিজ খাবারের দৌড় বেশিদূর পর্যন্ত নয়। চাউমিন আর চিলি চিকেন। যতই মেনুতে নানান খাবার থাকুক না কেন, বাঙালি এক্সপেরিমেন্টে যেতে চান না। তাই চাইনিজ খাবার বলতে ওই চিলি চিকেন, যেটা গ্রেভি বা ড্রাই দুটোই হতে পারে।
রিমঝিম বৃষ্টিতে গরম গরম চায়ের সঙ্গে পকোড়া ছাড়াও যেটা ভাল লাগে তা হল বিহারিদের প্রিয় খাবার লিট্টি-চোখা। বেশ স্বাস্থ্যকর এই খাবার এখন স্ট্রিট ফুডের অঙ্গ হয়ে গিয়েছে। যদিও এই খাবার বানানোর ঝক্কি অনেক।
তবে ইদানিং অনেক জায়গাতে আলু বা ডিম বিরিয়ানিও পাওয়া যায়। আর হঠাৎ করে আপনারও বিরিয়ানি খেতে ইচ্ছে হলে, আর বাড়িতে চিকেন বা মাটন না থাকলে ডিম দিয়েই তৈরি করে নিতে পারেন ঘরোয়া বিরিয়ানি।
বাঙালির চায়ের আড্ডায় সিঙাড়ার স্থান বহু পুরনো। চপ-তেলেভাজার চল থাকলেও গরম গরম সিঙাড়া আর সঙ্গে মিষ্টি চাটনির যুগলবন্দি যেন স্বর্গসুখ এনে দেয়। কলকাতা শহরের অনেক মিষ্টির দোকানই জনপ্রিয় তাদের এই সিঙাড়ার জন্য।