
Health Fruit: সবেদা হজম উন্নত করে: প্রচুর ফাইবার থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং হজম প্রক্রিয়া ভালো রাখে। ত্বক ও চুল: ভিটামিন A ও C ত্বক উজ্জ্বল করে এবং চুল মজবুত রাখে। হাড়ের স্বাস্থ্য: ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ফসফরাস হাড়কে শক্তিশালী করে।
মানসিক চাপ: স্নায়ু শান্ত করে এবং উদ্বেগ, বিষণ্ণতা কমাতে সাহায্য করতে পারে। প্রদাহ কমায়: পলিফেনলিক যৌগ এবং ট্যানিন প্রদাহ কমাতে ও জীবাণুর সংক্রমণ রোধ করতে পারে। গর্ভাবস্থায়: বমি বমি ভাব ও মাথা ঘোরা কমাতে সহায়ক।
পুষ্টি উপাদান*
ফাইবার, ভিটামিন (A, C), পলিফেনল, ট্যানিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস।
প্রাকৃতিক শর্করা (শক্তি জোগায়)।
খাওয়ার সেরা সময়
সকাল/দুপুর: প্রাতঃরাশ বা দুপুরের খাবারের মাঝামাঝি সময়ে খাওয়া সবচেয়ে ভালো, যখন শরীর শক্তি শোষণ করতে পারে।
রাতে এড়িয়ে চলুন: ঘুমানোর আগে বা ভারী খাবারের ঠিক পরে মিষ্টি ফল খাওয়া উচিত নয়, কারণ এতে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে পারে।
পরিমাণ: বয়স্কদের জন্য দিনে ১০০-১৫০ গ্রাম এবং শিশুদের জন্য ৫০ গ্রাম যথেষ্ট, বীজ ফেলে ভালো করে ছাল ছাড়িয়ে খাওয়া উচিত।
সতর্কতা
ডায়াবেটিস: সবেদা প্রাকৃতিক চিনি সমৃদ্ধ, তাই ডায়াবেটিস থাকলে অবশ্যই পরিমিত পরিমাণে খান, অন্যথায় রক্তে শর্করার ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে।
ওজন: এতে ক্যালোরি ও শর্করা বেশি থাকায় ওজন কমাতে চাইলে পরিমাণে কম খান, কারণ এটি ওজন বাড়াতেও সাহায্য করতে পারে।
ভারত–নিউজিল্যান্ড প্রথম ODI: জয়ে খুশি ভারত, কিন্তু আহত ওয়াশিংটন সুন্দর!