ডায়াবেটিস রোগীদের কিডনি নিয়ে সাবধান হতে হবে। কারণ, অনিয়ন্ত্রিত ব্লাড সুগার কিডনি সংক্রমণেরও ঝুঁকি বাড়াতে পারে। যার ফল হতে পারে ভয়াবহ।
হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস বা HPV বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে সাধারণ ভাইরাল সংক্রমণগুলির একটি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই সংক্রমণ নিজে থেকেই সেরে যায়, কিন্তু কিছু উচ্চ-ঝুঁকির ধরন, যেমন HPV-16 ও HPV-18 শরীরে থেকে গিয়ে ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।
Heart Damaging Fruit: এই ফলগুলো দেখতে স্বাস্থ্যকর মনে হতে পারে, কিন্তু এগুলোয় প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি থাকে। অতিরিক্ত খেলে সুগার এবং রক্তচাপ বৃদ্ধি পেতে পারে, যা ধীরে ধীরে হৃদপিণ্ডের উপর চাপ সৃষ্টি করে।
গরম কাল এলেই চুল পড়ে যাওয়ার ভয় বাড়তে থাকে। গরম হাওয়ার পাশাপাশি আদ্রতা ভুল্কে আরও বেশি করে শুষ্ক করে। ফলে চুলে জট পড়ে যায়। এবং তা ভাঙতে শুরু করে দেয়। অনেকেই শ্যাম্পু বা কন্ডিশনার লাগাতে থাকেন। তবে তাতেও লাভ পাওয়া যায় না।
হার্ট অ্যাটাক, খারাপ কোলেস্টেরল এবং ফ্যাটি লিভারের মতো সমস্যা এখন দ্রুত বাড়ছে। উদ্বেগের বিষয় হল, শুধু বয়স্করাই নন, তরুণদের মধ্যেও এই রোগগুলির প্রভাব দেখা যাচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, এসব সমস্যার একটি বড় কারণ অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন। তাই সাধারণত চিকিৎসকেরা মদ্যপান কমানো বা সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন।
ভারতে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। এই অসুখের ফাঁদে পড়লে কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি। নইলে শরীরের হাল বিগড়ে যেতে সময় লাগবে না। কিডনি, লিভার, হার্ট থেকে শুরু করে একাধিক অঙ্গের হতে পারে ক্ষতি। তাই যেভাবেই হোক ডায়াবেটিস কন্ট্রোল করতে হবে।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মুখের ত্বকে অনেক পরিবর্তন আসতে শুরু করে। ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা কমে যায়, বলিরেখা এবং সূক্ষ্ম রেখা দেখা দেয়। অনেকেই এই সমস্যাগুলি সমাধানের জন্য বোটক্সের আশ্রয় নেন, তবে আপনি যদি ইনজেকশন ছাড়াই প্রাকৃতিক পদ্ধতি পছন্দ করেন, তাহলে চিয়া সিড থেকে তৈরি জেল একটি ভালো বিকল্প হতে পারে।
AC Maintenance Tips: বিশেষজ্ঞদের মতে, এসি চালু করার আগে প্রথম এবং প্রধান কাজ হলো একটি ভালো মানের ভোল্টেজ স্টেবিলাইজার ব্যবহার করা। বিশেষ করে আপনার এলাকায় যদি ঘন ঘন লোডশেডিং বা ভোল্টেজের ওঠা-নামা হয়, তবে স্টেবিলাইজার ছাড়া এসি চালানো কার্যত আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।
বাঙালি মানেই গ্যাস, অম্বল। তাই তো আমাদের বাড়িতে কিছু থাকুক না থাকুন গ্যাসের ওষুধ থাকবেই। কিছু হল বা না হল এই ওষুধ টপ করে গিলে নেওয়ার অভ্যাস আমাদের রয়েছে। যদিও আমরা যেগুলিকে গ্যাসের ওষুধ হিসেবে খাই, সেগুলি নিয়মিত খেলে একাধিক জটিল অসুখ নিতে পারে পিছু। তাই যাঁরা নিয়মিত এই ধরনের ওষুধ খাচ্ছেন, তাঁরা সাবধান হন। চিকিৎসক না বললে এই ধরনের ওষুধ খাবেন না।
আমরা রোজ নানা খাবারের সঙ্গে কাঁচা পেঁয়াজ খাই। এটি ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং সালফিউরিক যৌগ সমৃদ্ধ, তাই এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং হৃদরোগের উন্নতির জন্য সুপরিচিত। কিন্তু কিছু লোকের ক্ষেত্রে এই কাঁচা পেঁয়াজ বিষের সমান।
এখন অনেকেই দ্রুত ওজন কমাতে চান। আর সেই কারণে জনপ্রিয় হচ্ছে ওজন কমানোর একাধিক ওষুধ এবং ইঞ্জেকশন। সেই ওষুধগুলির বিজ্ঞাপনও টিভি থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত হচ্ছে। আর সম্প্রতি এই ধরনের বিজ্ঞাপনের উপরই রাশ টানল ভারত সরকারের ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগ। তাদের পক্ষ থেকে মূলত স্থূলতা বা ওজন কমানোর ইঞ্জেকশন, GLP-1 রিসেপ্টর তৈরির সংস্থাগুলিকে সাবধান করা হয়েছে। এই ধরনের ওজন কমানোর ওষুধ বা ইঞ্জেকশনের বিজ্ঞাপন যাতে অতিরঞ্জিত না করা হয়, এর স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।