অত্যন্ত উপকারী খাবার হল ড্রাই ফ্রুট। আর সেই কথাটা মাথায় রেখেই অনেকে বাদাম, কিশমিশ ও খেজুর খান রোজ। যদিও মাথায় রাখতে হবে যে মুঠো মুঠো ড্রাই ফ্রুট রোজ খাওয়া কোনও কাজের কথা নয়। এই খাবারটি মুঠোমুঠো খেলে শরীরের হাল বিগড়ে যেতে পারে। পিছু নিতে পারে একাধিক সমস্যা। তাই সাবধান হতে হবে। নইলে একাধিক জটিল অসুখ নিতে পারে পিছু।
চুটিয়ে রং খেলার পর অনেকেরই নখ থেকে রং উঠতে চায় না। নখে বেশি ঘষাঘষিও করা যায় না। কিন্তু সামনে কোনও বিয়ে বাড়ি থাকলে নখে রং থাকলে তখন অসুবিধা। নেলপলিশ পরলেও সেই রং বোঝা যায়।
দোলে চুটিয়ে রং খেলেছেন? চুলের মধ্যে আবির ভরে গিয়েছে? শ্যাম্পু দিয়ে স্নান করেও ভাল ভাবে ওঠেনি সেই রং? এবার উপায়? রইল চুলের যত্ন নেওয়ার টিপস...
আজ দোল। রঙের উৎসব। ছোট থেকে বড়, সবাই আজ আবির এবং রঙে মাতবেন। মুশকিল হল, আজ রঙের উৎসবেও অনেকের হতে পারে অ্যালার্জি। কারণ, আমাদের পরিচিত অধিকাংশ রং এবং আবিরে থাকে রাসায়নিক। আর এগুলি শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এগুলি ত্বক থেকে চুলের ক্ষতি করে। এমনকী নাকে ঢুকলে অ্যালার্জির জন্য হতে পারে কাশি, সর্দি। তাই সাবধান হন।
রান্নাঘরে নুন মানেই সাধারণত সাদা পরিশোধিত লবণ। কিন্তু আজকাল অনেকেই ঝুঁকছেন বিট নুনের দিকে। বিশেষ করে ওজন কমানো, হজমশক্তি বাড়ানো বা ‘ডিটক্স’-এর নামে বিট নুন খাওয়ার চল বেড়েছে। প্রশ্ন উঠছে; সাধারণ সাদা নুনের চেয়ে বিট নুন খাওয়া কি সত্যিই বেশি স্বাস্থ্যসম্মত?
দোলের দিন রং মেখে ভূত না হলে তো মজাই মাটি। কিন্তু দোলে রং খেলার পর চুল ও ত্বক থেকে রং তোলার ঝক্কি অনেক। ছোবড়া রগড়াতে রগড়াতে ছাল-চামড়ার দফারফা। সঙ্গে উপরি পাওনা বেশ কয়েক ঘণ্টার জ্বালাভাব।
দোলে অনেকেই ভাং খান। বাঙালির রং খেলার একটি অন্যতম অনুষঙ্গ হল ভাঙের শরবত। তবে দারুণ খেতে এই ভাং পেটে যাওয়ার কিছু সময় পরেই নেশা চড়ে যায়। শুরু হয় মাথাঘোরা, ঝিম ভার। যা কাটতেই চায় না। এই অবস্থা কাটানোর কিছু উপায় রয়েছে। সেগুলি জেনে নিলে সমস্যা হয় না।
ভারতীয় খাদ্যাভ্যাসে শাকসবজি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিনের পাতে সবুজ সবজি না থাকলে যেন খাবারই অসম্পূর্ণ লাগে। কিন্তু সাম্প্রতিক এক রিপোর্ট উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বেঙ্গালুরু ও তার আশপাশের স্থানীয় বাজার থেকে সংগ্রহ করা ৭২ ধরনের সবজির নমুনার মধ্যে ১৯টিতে বিপজ্জনক মাত্রায় সীসা মিলেছে। যা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
রাত পোহালেই দোল। আনন্দের উৎসব। এ দিন সব রাগ, বেদনা ভুলে রাঙিয়ে দেওয়ার পালা। তবে দোল খেলুন ঠিক আছে। কিন্তু ত্বক বাঁচিয়ে। নইলে বিপদ হতে সময় লাগবে না। আর এই বিষয়টা নিয়েই আমাদের সতর্ক করলেন বিশিষ্ট ডার্মাটোলজিস্ট ডা: কৌশিক লাহিড়ি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কম ক্যালোরির এই পুষ্টিকর খাবার ওজন কমানো, ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অত্যন্ত কার্যকর। রাতের খাবারের বদলে এক বাটি গরম এই স্যুপ খেলে যেমন ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে থাকে, তেমনই শরীর পায় প্রয়োজনীয় পুষ্টি।
বসন্ত এসে গেছে। সঙ্গে এসেছে দোল। কবির কথায়, লাগল যে দোল। আর এমন আনন্দ উৎসবে বাচ্চা থেকে বড়, সকলেই অংশগ্রহণ করবেন। যদিও মাথায় রাখতে হবে যে দোলের দিন শিশুদের চোখের বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে। নিতে হবে কিছু ব্যবস্থা।