ভুঁড়ি বেড়ে যাওয়া এখন বহু মানুষেরই সমস্যা। অফিসে বসে কাজ, অনিয়মিত খাওয়া-দাওয়া, স্ট্রেস; সব মিলিয়ে পেটের মেদ জমছে দ্রুত। অনেকেই ভাবেন, ওজন কমাতে গেলে প্রিয় খাবার ছাড়তেই হবে।
অনেকেই আছেন, যাঁরা যতই খান না কেন, শরীরে ঠিকমতো লাগে না। পেট রোগা থাকেন, সামান্য খেলেই অস্বস্তি, গ্যাস, অজীর্ণের সমস্যা। চিকিৎসকদের মতে, এর অন্যতম কারণ দুর্বল হজমশক্তি।
প্রায় প্রতিদিনই অনেকেই মাথাব্যথার সমস্যায় ভোগেন। কারও ক্ষেত্রে তা সাধারণ ব্যথা, আবার কারও ক্ষেত্রে মাইগ্রেনের মতো তীব্র যন্ত্রণা। কাজের চাপ, ঘুমের অভাব, গরম আবহাওয়া বা দীর্ঘক্ষণ মোবাইল-কম্পিউটারের স্ক্রিনে চোখ রাখার মতো নানা কারণে এই সমস্যা বাড়ছে।
তেতো হলেও করলার উপকারিতা কিন্তু অনেক। এতে ভিটামিন সি, আয়রন, জিঙ্ক, পটাশিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজের মতো জরুরি পুষ্টিকর তত্ত্ব পাওয়া যায়। এটা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটা খুবই উপকারী।
Dehydration: মাঝে মধ্যেই কি মাথাটা একটু ঘুরে উঠছে? কিংবা ঝিমঝিম করছে শরীর? অবহেলা করবেন না, এগুলো কিন্তু স্রেফ গরমের অস্বস্তি নয়, হতে পারে মারাত্মক ডিহাইড্রেশনের আগাম সতর্কবার্তা।
Water Consumption Formula: প্রচণ্ড গরম ও প্রখর রোদে 'আট গ্লাস জল পান'-এর পুরোনো সূত্রটি অকার্যকর প্রমাণিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা এখন শরীরের ওজন ও প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণে জল পানের পরামর্শ দিচ্ছেন।
প্রত্যেকেই দীর্ঘ সময়ের জন্য পরিষ্কার, উজ্জ্বল এবং তারুণ্যময় ত্বক চায়। কিন্তু শুধু ক্রিম লাগানো বা বাহ্যিক যত্ন নিলেই স্বাস্থ্যকর ত্বক পাওয়া যায় না। দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসও এক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রায়শই এমন খাবার খাই যা সুস্বাদু মনে হয়, কিন্তু সেগুলো ধীরে ধীরে ত্বকের ক্ষতি করতে পারে।
Egg in Summer: পুষ্টি ও প্রোটিনে ভরপুর হলেও গ্রীষ্মকালে ডিম খাওয়া উচিত কি না, তা নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় থাকেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক এই সময়ে ডিম খাওয়ার সঠিক উপায়।
এখন আমাদের জীবনে ওজন একটা বড় ফ্যাক্টর। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে কেউ জিমে যান, আবার কেউ কেউ কঠোর ডায়েট মেনে চলেন। এরই মধ্যে, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি নতুন ট্রেন্ড জনপ্রিয়তা পাচ্ছে, যেখানে দাবি করা হচ্ছে যে ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা ভাত খেলে ওজন কমানো যায়।
Water or ORS in Summer: গরম পড়তেই শরীর খারাপের আশঙ্কা বেড়ে যায়। বিশেষ করে অতিরিক্ত ঘাম হলে শরীর থেকে শুধু জল নয়, লবণ ও প্রয়োজনীয় মিনারেলও বেরিয়ে যায়। ফলে অনেকেই প্রশ্ন করেন; এই সময় কি শুধু জল খেলেই হবে, নাকি ORS মিশিয়ে খাওয়া দরকার?
ফ্যাটি লিভারের সমস্যা একবার দেখা দিলে খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে একাধিক নিষেধাজ্ঞা এসে যাবে আপনার জীবনে। এমন কোনও খাবার খাওয়া চলবে না যা লিভারের উপর ফ্যাটের আস্তরণ তৈরি করতে পারে। ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দেখা দিলে আপনি কোন ধরনের খাবার খাবেন না, তা হয়তো জানেন। তবে একটি বিশেষ পানীয় রয়েছে, যা রোজ সকালে অল্প করে খেলে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা কমতে পারে।