ডিম বিশ্বের সবচেয়ে বেশি খাওয়া এবং পুষ্টিকর খাবারগুলির মধ্যে একটি। এতে উচ্চমানের প্রোটিন, ভিটামিন ডি, অপরিহার্য অ্যামিনো অ্যাসিড এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে।
Winter Foods: শীতকালে সর্দি–কাশি, ফ্লু ও নানা রকম ভাইরাল সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই শীতকালে খাদ্যাভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন করলেই শরীরের ভেতরকার শক্তি ও ইমিউনিটি অনেকটাই বাড়ানো সম্ভব।
Cracked Heels Winter Care: শীতকালে গোড়ালি ফাটার সমস্যা অনেকের ক্ষেত্রেই হয়। ঠান্ডা আবহাওয়ায় শুস্ক গোড়ালি ফেটে যায়। শুধু তাই নয়, ব্যাথা হতে শুরু করে। জ্বালাও হয়। ফলে বেশ অস্বস্তি হয়। কখনও কখনও বাড়াবাড়ি হলে, পায়ের পাতা থেকে রক্তও ঝরতে পারে।
শরীরের সবথেকে দরকারি একটি অঙ্গ হল হার্ট। এটি ঠিকমতো কাজ করে বলেই শরীরের সব অঙ্গে পৌঁছে যায় রক্ত। সেই রক্ত থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করে দেহের কোষ। আর সবথেকে বড় কথা, এই অঙ্গটি জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত অনবরত কাজ করতে থাকে। তাই হার্টকে সুস্থ রাখতে ডায়েটে রাখুন শীতের ৫ খাবার।
সুস্থ থাকতে চাইলে মর্নিং ওয়াক করতেই হবে। এর কোনও বিকল্প নেই বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও বর্তমানে সকালে হাঁটতে বেরলে স্বাস্থ্য ভাল হওয়ার বদলে বিগড়ে যেতে পারে। পিছু নিতে পারে অ্যাজমা অ্যাটাক। পাশাপাশি কাশি হতে পারে বলে জানালেন বিশিষ্ট মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ ডাঃ রুদ্রজিৎ পাল।
দিনে পর্যাপ্ত জল পান করলে ঘাম ও প্রস্রাবের মাধ্যমে বিষাক্ত পদার্থ দ্রুত বেরিয়ে যায়, ফলে লিভারের উপর বাড়তি চাপ পড়ে না। হলুদ শরীরের ভেতরে প্রদাহ কমায়, ক্ষত সারায় এবং লিভার কোষকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
দীর্ঘদিন ধরেই মানুষের প্রচলিত ধারণা রয়েছে নিরামিষ খাবার দীর্ঘায়ু দেয়। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা এই দাবিকে মান্যতা দিতে নারাজ। সম্প্রতি, চিনে বয়স্ক ব্যক্তিদের উপর করা একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যারা কঠোরভাবে নিরামিষ খাবার খাচ্ছেন, তাঁদের আমিষ খাবার গ্রহণকারীদের তুলনায় বেশি বয়স পর্যন্ত বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কম।
নুন খুব একটা ভাল কিছু নয়। এটা নিয়মিত বেশি পরিমাণে খেলে একাধিক শারীরিক সমস্যা নিতে পারে পিছু। তাই যেভাবেই হোক নুন খাওয়া কমাতে হবে। তাহলেই সুস্থ থাকার কাজে এগিয়ে যাবেন।
শীতে ঠিক কতদিন পর স্নান করলে কোনও সমস্যা হবে না? আর সেই প্রশ্নের উত্তরটা দিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক উৎসব দাস। তিনি বললেন, 'শীত বলে একবারে স্নান বন্ধ করে রাখলে চলবে না।'
হাঁটা খুবই জরুরি। এটা একটি এরোবিক এক্সারসাইজ। আর এই এক্সারসাইজ নিয়মিত করলেই শরীরের হাল ফিরে যাবে। বহু রোগ থাকবে দূরে। তাই প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটতে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
এই বক্তব্য শুনে অনেকেই অবাক। কারণ সাধারণভাবে ব্রেকফাস্টকে দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার হিসেবে ধরা হয়। তাহলে ব্রেকফাস্ট না করলে শরীরের উপর কী প্রভাব পড়ে? আদৌ কি ব্রেকফাস্ট বাদ দেওয়া স্বাস্থ্যকর?