মাছে-ভাতে বাঙালি। সপ্তাহের অধিকাংশ দিনেই বাঙালির পাতে মাছ থাকতেই হবে। এখন সময়ের অভাবে অনেকেই বাজারে গিয়ে বেশ কিছুটা মাছ কিনে আনেন এবং ফ্রিজে রেখে দেন। যাতে রোজ রোজ বাজারে যাওয়ার ঝক্কি না থাকে।
স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের খাদ্যতালিকায় আজকাল দুটি ফলের নাম বারবার উঠে আসছে, পেয়ারা ও অ্যাভোকাডো। দু’টিই পুষ্টিগুণে ভরপুর, তবে উপকারিতার ধরন আলাদা। একদিকে সহজলভ্য ও কমদামি পেয়ারা, অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং ও তুলনামূলক দামি অ্যাভোকাডো। ফলে অনেকের মনেই প্রশ্ন, ওজন কমানো ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য আসলে কোনটি বেশি ভালো?
অনেকেই দুপুরে ভাত ঘুম দেন। দুপুরে ঘুমালেই তাঁদের মন থাকে ভাল। নইলে শরীরটা কেমন কেমন করে। হৃদয়ে বাসা করে বিস্বাদ। তবে দুপুরে ঘুমের কিছু খারাপ দিক রয়েছে। সুতরাং সাবধান হন।
শীতের খেলা শেষ। সকাল থেকেই বাড়ছে গরম। আর এমন পরিস্থিতিতে জল তেষ্টা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই অনেকে জলের স্বাদ মেটাচ্ছেন চা খেয়ে।
এখনও অনেকেই দিনে মাত্র তিনবার খাবার খান। সকালে করেন ব্রেকফাস্ট। দুপুরে করেন লাঞ্চ। আর রাতে ডিনার। ব্যাস, তাঁদের দিনের খাবার শেষ। মাঝে কোনও টিফিন করেন না। আর এটাই ক্ষতিকর।
বাংলায় থাবা বসিয়েছে নিপা ভাইরাস। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন দুই রোগী। তাঁদের দুইজনকেই ভর্তি করা হয়েছিল বারাসতের নারায়ণা হাসপাতালে। আর তাঁদের দুইজনেরই স্বাস্থ্যের আপডেট পাওয়া গেল হাসপাতাল সূত্রে।
অনেকেরই রয়েছে হাই কোলেস্টেরলের সমস্যা। আর এই অসুখ শরীরের হাল বিগড়ে দেওয়ার কাজে একাই একশো। তাই যেভাবেই হোক কোলেস্টেরল লেভেল কমাতে হবে। সেই কাজে সাহায্য করবে ৫টি সহজ টিপস।
ব্লাড প্রেশার কমাতেই হবে। নইলে শরীরের একাধিক অঙ্গের ক্ষতি হওয়ার রয়েছে আশঙ্কা। বহু জটিল অসুখ নিতে পারে পিছু। তাই সাবধান হতে হবে। চেষ্টা করতে হবে এক্সারসাইজ করেই বিপি কমানোর। সেক্ষেত্রে কতক্ষণ ব্যায়াম মাস্ট? জেনে নিন।
আপনার বাড়ির রেফ্রিজারেটর এমন একটি মেশিন যা দিনরাত একটানা চলে। দুধ, শাকসবজি, ফলমূল, খাবারের অবশিষ্টাংশ... সবকিছুই এর ওপর নির্ভর করে। কিন্তু আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন যে, রেফ্রিজারেটরেরও একটি নির্দিষ্ট আয়ু থাকে?
অনেকেই দুপুরে খাবার খান না। তাঁরা লাঞ্চ স্কিপ করেন। আর এই ভুলটা করেন বলেই বাড়ে বিপদ। আর তাঁরা এটা বুঝতেও পারেন না। তাই দুপুরে খাবার না খেলে কী হবে, সেটা জেনে নিন।
অবেসিটি এখন গোটা ভারতেই একটা বড় সমস্যা। নির্দিষ্ট কোনও বয়স নয়, যে কোনও বয়সেই হতে পারে এই সমস্যা। ছোটদের ক্ষেত্রে এমন সমস্যা হলে কী করবেন? খারাপ জীবনযাত্রা এবং জাঙ্ক ফুড খাওয়ার অভ্যাসের কারণে ভারতীয়দের মধ্যে স্থূলতা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে।