সুস্থ থাকার জন্য বিরাট কিছু করার প্রয়োজন নেই। বরং কয়েকটি সহজ নিয়ম মেনেই আপনি রোগব্যাধির থেকে দূরত্ব বাড়িয়ে নিতে পারেন। তাই আসুন বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে তেমনই কিছু নিয়ম সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
বাঙালির পাতে ভাত, আবার অনেকের রাতের খাবারে রুটি; দু’টোই সমান জনপ্রিয়। কিন্তু অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, ভাত আর রুটি একসঙ্গে খাওয়া কি শরীরের জন্য ঠিক?
ডায়াবেটিস কন্ট্রোল করার খুব ভাল একটা পদ্ধতি হল পরিমিত জল পান। সঠিক নিয়ম মেনে রোজ জল খেলেই অনায়াসে সুগারকে কাবু করতে পারবেন। তাই আর সময় নষ্ট নয়, বরং জল খেয়ে সুগার কমানোর হিসেবটা জেনে নিন।
প্রয়াত বাংলার প্রবীণ চিকিৎসক মণি ছেত্রী। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১০৬ বছর। রবিবার সন্ধ্যায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আর তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া সারা বাংলা তথা গোটা দেশের চিকিৎসা জগতে।
Orange Peel Benefits For Skin: দামী পার্লারের ফেশিয়াল বা রাসায়নিক প্রসাধনী ছাড়াই ঘরে বসে কীভাবে রূপটান সারবেন? উত্তর লুকিয়ে আছে ওই কমলার খোসাতেই। ত্বক বিশেষজ্ঞ থেকে শুরু করে আয়ুর্বেদ শাস্ত্র, সবাই বলছে, অকাল বার্ধক্য রুখতে এবং ত্বকের হারানো জেল্লা ফেরাতে কমলার খোসা এক অব্যর্থ দাওয়াই
গরম কাল শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই তাপপ্রবাহের জেরে জেরবার অবস্থা প্রায় গোটা বাংলা জুড়ে। এই সময় খাবার ও পানীয়ের ব্যাপারে বিশেষভাবে সতর্ক থাকা জরুরী। আমাদের শরীর ঠান্ডা করে খাবার খাওয়া উচিত। গরমে বেশি করে ফল, ফলের রস এবং শাকসবজি খাওয়া উচিত। প্রচুর পরিমাণে জল পান করতে হয়।
হাই ব্লাড সুগার একটি জটিল অসুখ। এই রোগের জন্য কিডনি, চোখ, হার্ট সহ একাধিক অঙ্গের বড় ক্ষতি হতে পারে। তাই যেভাবেই হোক ডায়াবেটিসকে কন্ট্রোলে রাখা জরুরি। আর সেই কাজে সাফল্য পেতে চাইলে কিছু খাবার খাওয়া ছাড়তে হবে।
Hair Fall Solution: আয়নায় তাকালেই কি মনে হচ্ছে কপাল দিন দিন বড় হয়ে যাচ্ছে? চুল পড়ার সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। ব্যস্ত জীবনযাপন, দূষণ, মানসিক চাপ; সব মিলিয়ে এখন অল্প বয়সেই চুল পাতলা হওয়ার সমস্যা বাড়ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সহজ ঘরোয়া টোটকা মেনে চললে এই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব
প্রোটিন এমন এক উপাদান, যা প্রত্যেকের জন্য ভীষণভাবে দরকারি। শরীরের প্রয়োজনীয়তা ও শারীরিক কার্যকলাপ অনুযায়ী প্রোটিনের মাত্রা কমানো বাড়ানো হয়। প্রোটিন পাওয়ার জন্য মানুষ তাঁদের খাদ্য তালিকায় নিরামিষ, আমিষ এবং প্রোটিন শেক অন্তর্ভুক্ত করে।
শুধু প্রিমিয়াম বাড়ার আশঙ্কাই নয়, বিমা পলিসি আরও কঠোরও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ক্লেম রিজেক্ট হওয়ার সম্ভাবনা বাড়তে পারে বলে সম্ভাবনা। এছাড়াও যেমন কভারেজ লিমিট কমে যাওয়া, কো-পে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনকী আপনি যদি কখনওই মাতৃত্ব বিমা পলিসি ব্যবহার না-ও করে থাকেন, তা সত্ত্বেও কোম্পানির সামগ্রিক গ্রুপ পলিসিতে তার প্রভাব পড়তেই পারে।
আবহাওয়ার খামখেয়ালী চলছে। এই গরম তো সন্ধেতে ঝড়বৃষ্টি। যার ফলে জ্বর, সর্দি, কাশির প্রকোপ বাড়ছে। পাশাপাশি অনেকেই আবার ভুগছেন পেট খারাপের সমস্যায়। তাঁদের হুট করে শুরু হয়ে যাচ্ছে লুজ মোশান-ডায়েরিয়া। তারপর বারবার পায়খানায় ছুটতে হচ্ছে। এখন প্রশ্ন হল, এমন পরিস্থিতিতে পড়লে আদতে কী করবেন? চিকিৎসকের টিপস রইল।