Japanese Beauty Secrets: জাপানে বহুল ব্যবহৃত ভেষজ মাশরুম রেইশি চা হিসেবে পান করা হয়। এটি রক্ত সঞ্চালন ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক বলে পরিচিত। নিয়মিত ব্যবহারে মাথার ত্বক পরিষ্কার থাকে, চুলে আসে স্বাভাবিক জেল্লা।
অধিকাংশ মানুষই সকালের ব্রেকফাস্টে পাউরুটি খেয়ে থাকেন এবং চটজলদি এটা খাওয়া হয়ে যায় বলে অনেকেই এই পাউরুটিকে নিজেদের ডায়েটে যোগ করেন। ব্রেড বাটার, ব্রেড অমলেট কিংবা স্যান্ডউইচ বা পাউরুটির অন্য কোনও পদ, ব্রেকফাস্টে ভীষণভাবে জনপ্রিয়। বাজারে এখন অনেক ধরনের পাউরুটি পাওয়া যায়, যেমন সাদা পাউরুটি, মিল্ক ব্রেড, ব্রাউন ব্রেড, মাল্টিগ্রেইন ব্রেড।
কোরিয়ান সিনেমা ও নাটকের পাশাপাশি কোরিয়ান স্কিন কেয়ার এখন বিশ্বজুড়ে দারুণ জনপ্রিয়। এর মূল কারণ, কোরিয়ান মেয়েদের স্বচ্ছ, মসৃণ ও প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল ত্বক। অনেকের মনেই প্রশ্ন, কীভাবে তাঁদের ত্বক এত উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যবান থাকে?
লাঞ্চ করতেই হবে। দুপুরে খাবার না খেলে শরীরের হাল যেতে পারে বিগড়ে। তাই চিকিৎসকেরা সকলকেই সঠিক সময় লাঞ্চ করার পরামর্শ দেন। তবে দেরিতে লাঞ্চ করলে আবার একাধিক ক্ষতি হতে পারে। জানতে পড়ুন নিবন্ধটি।
জল খেয়েও গ্যাস, অ্যাসিডিটিকে বিদায় জানান যায়। এখন প্রশ্ন হল, কতটা পরিমাণ জল খেতে হবে? আর সেই উত্তরটাও দেওয়া হল নিবন্ধটিতে।
কোলেস্টেরল মানে খারাপ কিছু নয়। বরং একটি কোলেস্টেরল স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। আর সেই কোলেস্টেরলটির নাম হল এইচডিএল। এটি আবার কিছু ভাল ফলের গুণে বাড়তে পারে।
আজকের দ্রুতগতির জীবনে, যদি কোনও পুষ্টি উপাদান সবচেয়ে বেশি উপেক্ষা করা হয়, তা হল প্রোটিন। মানুষ প্রায়ই মনে করে যে প্রোটিন কেবল জিমে যাওয়া বা বডি বিল্ডারদের জন্যই অপরিহার্য, কিন্তু সত্য হল প্রোটিন বয়স নির্বিশেষে সকলের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশুদের বৃদ্ধি, প্রাপ্তবয়স্কদের শক্তি, বয়স্কদের স্বাস্থ্য, অথবা মহিলাদের শক্তি, প্রোটিন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে
অনেকেই নিয়মিত বিস্কুট খান। খিদে পেলেই এই খাবার খেয়েই তাঁরা সামাল দেন। এটাই তাঁদের গো-টু ফুড। তাই সবসময়ই তাঁদের কাছে বিস্কুট রেডিই থাকে। তবে দিনে একাধিক বিস্কুট খেলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে।
Measles Chicken Pox: এই সময়েই বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ ছড়ায়। ঘরে ঘরে সর্দি, কাশি, জ্বর ইত্যাদি লেগেই থাকে। সাধারণত, মাঘ- ফাল্গুন মাসে অন্য আরও একাধিক অসুখের সঙ্গে হাম বা পক্স হানা দেওয়ার সময়।
মাছে-ভাতে বাঙালি। সপ্তাহের অধিকাংশ দিনেই বাঙালির পাতে মাছ থাকতেই হবে। এখন সময়ের অভাবে অনেকেই বাজারে গিয়ে বেশ কিছুটা মাছ কিনে আনেন এবং ফ্রিজে রেখে দেন। যাতে রোজ রোজ বাজারে যাওয়ার ঝক্কি না থাকে।
স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের খাদ্যতালিকায় আজকাল দুটি ফলের নাম বারবার উঠে আসছে, পেয়ারা ও অ্যাভোকাডো। দু’টিই পুষ্টিগুণে ভরপুর, তবে উপকারিতার ধরন আলাদা। একদিকে সহজলভ্য ও কমদামি পেয়ারা, অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং ও তুলনামূলক দামি অ্যাভোকাডো। ফলে অনেকের মনেই প্রশ্ন, ওজন কমানো ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য আসলে কোনটি বেশি ভালো?