
লিভার শরীরের সবচেয়ে জরুরি অঙ্গগুলোর একটি। শরীরে জমে থাকা টক্সিন বের করা থেকে শুরু করে খাবার হজম ও শক্তি উৎপাদন, সবটাই সামলায় এই অঙ্গ। তাই খাবার-দাবারে একটু সচেতন হলেই লিভার নিজে নিজে অনেকটাই সুস্থ হয়ে ওঠে।
বিশেষ করে পালংশাক, বাথুয়া, সর্ষে শাক বা মেথির মতো সবুজ পাতা-শাক নিয়মিত খেলে লিভার পরিষ্কার থাকে এবং তার কাজও আরো ভালোভাবে হয়। দিনে পর্যাপ্ত জল পান করলে ঘাম ও প্রস্রাবের মাধ্যমে বিষাক্ত পদার্থ দ্রুত বেরিয়ে যায়, ফলে লিভারের উপর বাড়তি চাপ পড়ে না। হলুদ শরীরের ভেতরে প্রদাহ কমায়, ক্ষত সারায় এবং লিভার কোষকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। তাই খাবারের সঙ্গে অল্প পরিমাণ হলুদ থাকা খুবই উপকারী।
ভিটামিন-সি ও লিভার-বন্ধু। আমলা, কমলা, লেবু এসব ফল দেহে এমন এনজাইম তৈরি করতে সাহায্য করে, যা লিভার পরিষ্কার রাখতে ভূমিকা রাখে। তবে তেলে ভাজা খাবার, অতিরিক্ত মশলা বা অতিরিক্ত চিনি-যুক্ত আইটেম যতটা সম্ভব কমিয়ে দিতে হবে। এসব খাবার লিভারে চর্বি জমায় এবং ধীরে ধীরে ফ্যাটি-লিভারের দিকে ঠেলে দেয়। তাই ঘরোয়া, সহজ, কম-মশলার রান্না সবচেয়ে ভালো।
জীবনযাপনে সামান্য পরিবর্তনও লিভারের স্বাস্থ্যে বড় ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটা বা যোগব্যায়াম করলে দেহের অতিরিক্ত চর্বি কমে, লিভারের কাজ সহজ হয় এবং সার্বিক ফিটনেসও বাড়ে।