
দোল পূর্ণিমা মানেই ভাঙ খাওয়ার ধুম। কলকাতার একাধিক দোকানে দোল পূর্ণিমার দিন ভাঙ কিংবা ঠান্ডাই পাওয়া যায়। সকাল থেকেই সেখানে লম্বা লাইন পড়ে।

অনেকে আবার বাড়িতেও ঠান্ডাই তৈরি করে নেন। বন্ধুদের সঙ্গে দোলের আড্ডায় দুধ, কাজুবাদাম, চিনাবাদাম, মৌরি, এলাচ, গোলাপের পাপড়ি, আদা গুঁড়ো, গোলমরিচ ও ক্যানাবিস পাতাল মিশ্রণে তৈরি ঠান্ডাই তৈরি করে ফেলুন সহজেই।

তবে বাড়িতে বানানোর সুযোগ না থাকলে কলকাতার সেরা দোকানগুলিতে ঢুঁ মারতে পারেন।

উত্তর কলকাতার বিখ্যাত শিব আশ্রমে পাওয়া যায় ভাঙ-ঠান্ডাই। হেঁদুয়া সংলগ্ন এই দোকানে ঠান্ডাই, লস্যি ও শরবত পাওয়া যায়। বসে খাওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে।

এছাড়াও রয়েছে বড়বাজারের ল্যাঁড়া ভাঙের দোকান। বড়বাজারের জৈন মন্দিরের উল্টোদিকে পাওয়া যায় বিখ্যাত ঠান্ডাই ও লস্যি পানীয়।

বালিগঞ্জের বিশেষ ঠান্ডাই স্টল রয়েছে পেট্রল পাম্পের কাছে। পাওয়া যায় ঠান্ডাই ও ভাঙের বিশেষ ককটেল, সঙ্গে মিষ্টি খাওয়ারও দারুণ সুযোগ রয়েছে এখানে।

নিমতলা ঘাটের ভূতনাথ মান্দির এলাকায় পাওয়া যায় ভাঙের লাড্ডু ও লিট্টি চোখা। যা ঠান্ডাইয়ের পর খাওয়ার জন্য আদর্শ।

গোলপার্কের রললি সিং দোকানটি কলেজ পড়ুয়াদের মধ্যে জনপ্রিয়। এই দোকানে পাওয়া যায় সুস্বাদু ঠান্ডাই।

সল্টলেকের ভিখারামের কাছের ঠান্ডাই বিক্রেতা হোলির সময়ে ঠেলাগাড়িতে বিক্রি করেন ভাঙের শরবত ও মিষ্টি।

ভাঙের নেশা যখন-তখনই করা যায়, তবে এই নেশা সবচেয়ে বেশি জমে ওঠে দোলের উৎসবে।