scorecardresearch
 

Sleep: অতিরিক্ত ঘুম বিপজ্জনক, নিরোগ-স্বাস্থ্যবান থাকতে ঠিক কতক্ষণ ঘুমোনো উচিত?

আমরা সবাই জানি যে সঠিক ঘুম (Sleep) সুস্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, সাধারণত ২ ধরনের ঘুম সংক্রান্ত সমস্যা হয়। প্রথমত, পুরোপুরি ঘুমোতে না পারা এবং দ্বিতীয়ত প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ঘুমোনো।

সুস্বাস্থ্যের জন্য কত ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন সুস্বাস্থ্যের জন্য কত ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন
হাইলাইটস
  • ২ ধরনের ঘুম সংক্রান্ত সমস্যা হয়
  • রাতে অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমোতে হবে

আমরা সবাই জানি যে সঠিক ঘুম (Sleep) সুস্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, সাধারণত ২ ধরনের ঘুম সংক্রান্ত সমস্যা হয়। প্রথমত, পুরোপুরি ঘুমাতে না পারা এবং দ্বিতীয়ত প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ঘুমোনো। এই উভয় অবস্থাই বিপজ্জনক। কারণ এটি আমাদের শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। আসুন জেনে নিই কেন কম ঘুমোনো (Sleeping Less) এবং বেশি ঘুমোনো ( Oversleeping) ক্ষতিকর এবং এর প্রভাব কী হতে পারে।

দিনে কতটা ঘুমোনো উচিত:

আমাদের জানা উচিত ২৪ ঘণ্টায় আমাদের জন্য কতটা ঘুম দরকার, কারণ কম বা বেশি ঘুমের উভয় অবস্থাই ভাল নয়। এগুলি যে কোনও মূল্যে এড়ানো উচিত। সারা বিশ্বে করা অনেক গবেষণা অনুসারে, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে রাতে অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমোতে হবে, তবেই তার শরীরের কার্যকারিতা সঠিকভাবে কাজ করবে এবং সমস্যা দেখা দেবে না।

কম ঘুমের অসুবিধা

রাতে ঠিকমতো ঘুম না হলে তার প্রভাব পরের দিন স্পষ্টভাবে দেখা যায়। এটি আপনার ক্লান্তি, অলসতা, শরীরের ভাঙ্গন, শক্তির অভাব হতে পারে। অনেক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ দাবি করেন যে কম ঘুমের কারণে হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকতে পারে।

বেশি ঘুমোনোর অসুবিধা

আপনার ঘুমোনোর সময় ঠিক করুন এবং অযথা তা পরিবর্তন করার চেষ্টা করবেন না। অতিরিক্ত ঘুমোলে বা অলসতার কারণে বিছানা না ছাড়লে শরীরের নানা ধরনের ক্ষতি হতে পারে। কোনও ব্যক্তির স্লিপ অ্যাপনিয়া যখন হয়, তখন সেই ব্যক্তি ঘুমোনোর অল্প সময়ের মধ্যেই অনেক জোরে জোরে শ্বাস নিতে থাকেন। শ্বাস নেওয়ার গতি বেড়ে গেলে এক পর্যায়ে হঠাৎ শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। তাতে মৃত্যু হতে পারে।

নারকোলেপসি (Narcolepsy)

নারকোলেপসি একটি অদ্ভুত ঘুমের ব্যাধি, যেখানে দিনের বেলা অতিরিক্ত ঘুম পেতে শুরু করে বা হঠাৎ চোখ ঘুমে ঢুলে পড়ে। অর্থাৎ আপনি হঠাৎ ঘুমিয়ে পড়েন। ভ্রমণের সময় এই অবস্থান বিপজ্জনক। নারকোলেপসিতে আক্রান্ত ব্যক্তি অস্বাভাবিক ঘুমকাতুরে হয়। এদের অত্যধিক ঘুমের আক্রমণ হয়। যদিও এই ঘুমটি স্বাভাবিকভাবে স্বল্পসময় স্থায়ী হয়।

স্লিপ অ্যাপনিয়া (Sleep Apnea)

স্লিপ অ্যাপনিয়ায় শ্বাস-প্রশ্বাসের স্বাভাবিক কার্যক্রমে খারাপ প্রভাব পড়ে এবং নিয়মিত শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। সেজন্য আপনি যতটা প্রয়োজন ততটা ঘুমোন।

ইডিওপ্যাথিক হাইপারসোমনিয়া (Idiopathic Hypersomnia)

যারা ইডিওপ্যাথিক হাইপারসোমনিয়ায় ভুগছেন তাঁরা দৈনন্দিন জীবনের স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে গিয়ে খুব ক্লান্ত বোধ করেন এবং তাদের শরীরে ব্যথা ও ক্র্যাম্প শুরু হয়।

 
; ; ;