ডালিয়ার অনেক গুণ রয়েছে (প্রতীকী ছবি)আপনি প্রায়ই লোকজনকে বলতে শুনেছেন যে অসুস্থ ব্যক্তিকে ডালিয়া খাওয়ানো সবচেয়ে ভাল। তবে কেন এমন বলা হয় জানেন কি? আসলে, এটা একটা খুব সহজে হজমযোগ্য খাবার। যা গম মোটা করে পিষে তৈরি করা হয়। এটা খেতেও কিন্তু বেশ ভাল।
পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। এটা শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও সাহায্য করে। কিন্তু খুব কম মানুষই জানেন যে ওজন কমানোর এটাই নিশ্চিত মন্ত্র।
ওজন বেড়ে গেলে চিন্তা
ঘটনা হল বেড়ে যাওয়া ওজন নিয়ে অনেক মানুষই চিন্তায় পড়ে যান। তা কমানোর জন্য বিভিন্ন রকমের উপায় কাজে লাগান তাঁরা। এটা ঠিক কথা ওজন বেড়ে যাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভাল না।
আরও পড়ুন: ক্লাস টেন পাশেই কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির দারুণ সুযোগ, আবেদন-শেষ তারিখ কবে?
আরও পড়ুন: ক্লাস টেন পাশেই বিএসএফ-এ চাকরি, বেতন ৬৯ হাজার টাকার বেশি
আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে শিলাবৃষ্টি, দক্ষিণবঙ্গে ভিজবে কয়েকটি জেলা, পড়বে ঠান্ডা
বয়স, হাইট বা উচ্চতা অনুসারে কেমন ওজন থাকা দরকার, সে ব্য়াপারে বিশেষজ্ঞরা বলে দিতে পারবেন। সে কাজে খুবই উপকারী ভূমিকা পালন করতে পারে ডালিয়া। জেনে নিন, ওটমিল বা ডালিয়া খাওয়ার উপকারিতা।
ফাইবারে ভরপুর
ওটমিলে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার পাওয়া যায়। যা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এটা খাওয়ার পরে অনেকক্ষণ পেট ভরে যায়। আর সে কারণে বারবার খেতে হয় না।
শরীরে শক্তি যোগাতে ওটমিলের চেয়ে ভাল আর কিছু নেই। এই খাবার খেলে মেটাবলিক সিস্টেমের উন্নতি ঘটে। এর পাশাপাশি এর ছোট দানায় রয়েছে প্রচুর শক্তি বা এনার্জি। এই কারণে এটা একটি আদর্শ ব্রেকফাস্ট হিসেবেও বিবেচিত হয়।
ওটমিল বা ডালিয়ার মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। শুধু তাই নয়, এটা শরীরের মধ্যে উপস্থিত টক্সিন বের করে দিতেও সহায়ক। মানে দানায় দানায় গুণ রয়েছে।
এনার্জির ভাণ্ডার
অন্য যে কোনও সকালের খাবার বা ব্রেকফাস্টের তুলনায় ডালিয়াতে খুব কম ক্যালোরি থাকে। যার কারণে শরীর শক্তি পায়, কিন্তু ওজন বাড়ে না। এই খাবার নিয়মিত খেলে আপনি ওজন কমাতে পারেন।