scorecardresearch
 

সিকিম পাচ্ছে জোড়া রোপওয়ে, দার্জিলিংয়ের ভাগ্যে আবেদনই সার

কেন্দ্রীয় বাজেটে ঘোষণা করা হল সিকিম পাচ্ছে জোড়া রোপওয়ে। দার্জিলিংয়ের তরফে আবেদন করা থাকলেও কাজে লাগেনি। এ রাজ্যের শৈলশহরের পক্ষে হতাশা।

সিকিম পাচ্ছে দুটি রোপওয়ে সিকিম পাচ্ছে দুটি রোপওয়ে
হাইলাইটস
  • সিকিমে দুটি রোপওয়ে চালু হবে
  • দার্জিলিংয়ে কোনও রোপওয়ে নয়

সিকিমে চালু হতে চলেছে দুটি রোপওয়ে। মঙ্গলবারই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এই ঘোষণা করেছেন। গোটা দেশে মোট ৮ টি রূপে চালু হতে চলেছে। তার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার রুট তৈরি কথা তিনি বলেন। তার মধ্যে সিকিম এই পাচ্ছে দুটি রোপওয়ে।

গোটা দেশে ৮টি রোপওয়ে

রোজকার পর্যটনের প্রসারের লক্ষ্যে গোটা দেশের উপর তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে সিকিমে এই ২ টি রোপওয়ে তৈরি করা হচ্ছে এবং একটি প্যাসেঞ্জার হবে বলে জানা গিয়েছে। কেবল কার রোপওয়ে-এর ক্ষেত্রে প্রায় ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। কেবল কারের ওপরে শুধুমাত্র পর্যটকদের বিনোদনের জন্য ব্যবহার করা হবে।

সিকিমে কটি রোপওয়ে রয়েছে

অন্য রোপওয়েটি পেলিং থেকে সাংগাচলি পর্যন্ত প্যাসেঞ্জারদের জন্য তৈরি হচ্ছে। তার জন্য প্রায় ৬৫ কোটি টাকা খরচ করা হবে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি পর্যটকরাও উপর ব্যবহার করতে পারবে। এখন সিকিমে একটি রোপওয়ে রয়েছে। যেটি থেকে নামনাং পর্যন্ত যাতায়াত করে। তাদের পর্যটক ব্যবহার করেন। তবে পাশাপাশি সাধারণ মানুষও ব্যবহার করতে পারেন।

ব্রাত্য দার্জিলিং

তবে দার্জিলিংয়ের একাধিক লোক তৈরির জন্য প্রস্তাব থাকলেও, দার্জিলিংকে সম্পূর্ণভাবে ব্রাত্য রাখা হয়েছে। ফলে হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে পর্যটন মহলে। যদিও সিকিম-দার্জিলিং একই সার্কিট এর অংশ। তবে রাজ্যে অন্তত একটি রোপওয়ে পাওয়া গেলে, তা পর্যটনের জন্য ফলপ্রসূ হতো।

দার্জিলিংয়ে একটি বন দফতরের রোপওয়ে রয়েছে

এখন দার্জিলিং এর সেন্ট পল থেকে টাকভর পর্যন্ত বন দপ্তর এর অধীন একটি রয়েছে। যেটি দীর্ঘদিন ছিঁড়ে পড়েছিল। কয়েক বছর চালু করা পর্যটনের জন্য মিরিক-কালিম্পং-কার্শিয়াং এর জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব জমা পড়েছিল। একটি নয় একাধিকবার আবেদন জমা পড়েছে।তার কোনও অনুমোদন পাওয়া যায়নি।

সময় কমিয়ে দ্রুত পর্যটন

পাহাড়ের চূড়ায় এমনিতেই পাকদণ্ডি বেয়ে উঠতে অনেক সময় নেয়। টয়ট্রেন যদিও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু কিন্তু সেটিও সময়সাপেক্ষ যাতায়াতের বাহন। শিলিগুড়ি থেকে গাড়িতে দার্জিলিং যেতে সাড়ে তিন ঘন্টা লাগে। কিন্তু টয়ট্রেনে যদি চেপে শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যেতে হয়, তাহলে প্রায় সারাদিন লাগে। সেখানে কিছুটা পথ টয়ট্রেনে যাতায়াত করা গেলে পর্যটনে আকর্ষণ বৃদ্ধির পাশাপাশি সময় অনেকটাই লাঘব হবে। পাশাপাশি পাহাড়ের চূড়ো দর্শন করা যাবে রজ্জুপথেই।

 
; ; ;