
বসন্ত এসে গেছে...। চৈত্র মাসের প্রথম সপ্তাহ অতিক্রান্ত হওয়ার পর বহু পলাশপ্রিয় বাঙালি ছুটছেন পুরুলিয়ার দিকে। কিন্তু কলকাতা থেকে পুরুলিয়ার দূরত্ব কম নয়। তবে কাছাকাছিও রয়েছে পলাশের ভাণ্ডার। কোথায় গিয়ে পলাশ দেখতে পাবেন, জেনে নিন।

এখন হাওড়ার বেলুড়েই পেয়ে যাবেন পলাশ ফুলের সৌন্দর্য। হাওড়া স্টেশন থেকে পূর্ব শাখার ট্রেনে উঠে নামতে হবে বেলুড় স্টেশনে। সেখান থেকে মাত্র ১৫ টাকায় টোটোতে পৌঁছে যাবেন বেলুড় ই.এস.আই হাসপাতালে। এই এলাকা বেলুড়ের পলাশ বন নামে পরিচিত।

এই ঠিকানা বাঁকুড়ার রাইপুর অঞ্চলে কংসাবতী নদীর তীরে। স্থানীয় ভাষায় এই এলাকা 'বড়দিহি পাহাড়।' স্থানীয় ভাষায় “দিহি” মানেই টিলা। সেই থেকেই নাম বড়দি। এখানে প্রচুর পলাশ দেখা যায়।

মেদিনীপুরের রায়পুরে কংসাবতীর মাঝে রয়েছে নদীর মাঝখানে জেগে ওঠা এক টুকরো সবুজ ভূখণ্ড। । বসন্তে পলাশে রাঙা এই দ্বীপে রয়েছে ইকোপার্ক, কটেজ, বাগান ও কংসাবতী ভিউ পয়েন্ট।

বাঁকুড়াতে রয়েছে এই জায়গা। নামে শিউলিবনা হলেও এখানে শিউলি নয়, পাবেন শাল-পলাশের বন। এখানেই রয়েছে বাংলার প্রাচীন গুহালিপি। ইতিহাস আর প্রকৃতির একসাথে মেলবন্ধন।

বাঁকুড়ায় পলাশ দেখার সবচেয়ে জনপ্রিয় অঞ্চল। পথের দু’ধারে সারি সারি পলাশ, মাইলের পর মাইল শালের জঙ্গল - একেবারে সিনেমার দৃশ্য। এর কাছেই রয়েছে মুকুটমণিপুর।

পলাশ দেখার সেরা জায়গা হল ঝিলিমিলি। ঝাড়গ্রামের এই জায়গাটি দুর্দান্ত। এখানেও পলাশের সম্ভার রয়েছে। থাকার জন্য রয়েছে ইকো ভিলেজ রিসর্টও।

দোল পর্যন্ত এই পলাশ থাকবে বলে আশা করা যায়। তাই দেরি না করে ঘুরে আসুন এই এলাকায়।