scorecardresearch
 

Shani Sade Sati: এই রত্নে কমে শনির কু-প্রভাব, শুভ না হলে প্রাণ নাশের ভয়!

শনির বক্র দৃষ্টির কারণে মানুষকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এ জন্য দেবতারা এবং অসুররাও শনি বক্র দৃষ্টিকে ভয় পান। জ্যোতিষ মতে, কিছু রত্ন আছে যার প্রভাবে শনির মহাদশা এবং সাড়ে সাতির প্রভাব কমানো সম্ভব। অনেক ক্ষেত্রে এই রত্ন ধারণ করলে শনির প্রভাব কাটিয়ে ভালো ফল লাভ করেন জাতকরা।

রক্তমুখী নীলা রক্তমুখী নীলা
হাইলাইটস
  • জ্যোতিষ মতে মূলত ২টি রত্নের কথা বলা হয়েছে। প্রথমটি নীলা এবং দ্বিতীয় এমিথিস্ট।
  • এর মধ্যে রক্তমুখী নীলা অত্যন্ত দামি এবং দুষ্প্রাপ্য। একই সঙ্গে এটি মারাত্মক রত্ন হিসাবে জ্যোতিষশাস্ত্রে পরিচিত।
  • এই রত্ন যদি কারও শুভ ফলদায়ী না হয় তবে তা ২-৩ দিনের মধ্যেই বোঝা যাবে। যিনি এটি বাড়িতে আনবেন তাঁর নানা রকমের সমস্যা হবে।

শনিকে ন্যায়ের দেবতা মনে করা হয়। ভালো কর্ম করলে শুভ ও খারাপ কর্মের জন্য অশুভ প্রভাব দিয়ে থাকেন শনি দেব। শনি কোষ্ঠিতে উচ্চ স্থিতিতে থাকলে ব্যক্তি শুভ ফল লাভ করে। শনির সাড়ে সাতি (Shani Sade Sati)  বা মহাদশা (Mahadasha) প্রভাবের কারণে অনেক দুর্দশা ভোগ করতে হয়। শনিদেব ভক্তদের ভাল কাজের শুভ ফল দেন। তবে যারা খারাপ কাজ করেন তাঁদের শনিদেবের ক্রোধের সম্মুখীন হতে হয়।

শনি দেবকে তিন জগতের বিচার ও শাস্তির দেবতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, শনিদেবের মহাদশা, সাড়ে সাতি বা ঢাইয়া অবশ্যই প্রত্যেক ব্যক্তির জীবনে একবার প্রভাব ফেলে। শনির বক্র দৃষ্টির কারণে মানুষকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এ জন্য দেবতারা এবং অসুররাও শনি বক্র দৃষ্টিকে ভয় পান। জ্যোতিষ মতে, কিছু রত্ন আছে যার প্রভাবে শনির মহাদশা এবং সাড়ে সাতির প্রভাব কমানো সম্ভব। অনেক ক্ষেত্রে এই রত্ন ধারণ করলে শনির প্রভাব কাটিয়ে ভালো ফল লাভ করেন জাতকরা।

জ্যোতিষ মতে মূলত ২টি রত্নের কথা বলা হয়েছে। প্রথমটি নীলা এবং দ্বিতীয় এমিথিস্ট। দু রকমের নীলা পাওয়া যায়। একটি রক্তমুখী নীলা, অন্যটি শুধুমাত্র নীল আভা ছড়ানো হিরে বা নীলা। এই দুই রত্ন ধারণ করার পরামর্শ সব সময় দেওয়া হয় না। অনেক সময় দেখা গিয়েছে, নীলা ধারণ করে কেই পথের ভিখারি থেকে বিরাট সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। আবার অন্য দিকে কেউ নিজের ইচ্ছায় নীলা ধারণ করে রাজা থেকে ভিখারিও হয়েছেন। এর সঙ্গে দুর্ঘটনার প্রবল যোগ রয়েছে। যে জাতকের ক্ষেত্রে নীলা শুভ ফল দেয় তাঁদের জীবনের কোনও সমস্যা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।

এর মধ্যে রক্তমুখী নীলা অত্যন্ত দামি এবং দুষ্প্রাপ্য। একই সঙ্গে এটি মারাত্মক রত্ন হিসাবে জ্যোতিষশাস্ত্রে পরিচিত। এই নীলা যে কেউ ধারণ করতে পারেন না। প্রথমে নীলা কয়েক দিনের জন্য বাড়িতে এনে রাখতে হয় এবং লক্ষ্য রাখতে হয় কোনও ধরনের দুর্ঘটনার আভাস মিলছে কিনা। এই রত্ন যদি কারও শুভ ফলদায়ী না হয় তবে তা ২-৩ দিনের মধ্যেই বোঝা যাবে। যিনি এটি বাড়িতে আনবেন তাঁর নানা রকমের সমস্যা হবে। দুঃস্বপ্ন দেখবেন, আঘাত পাবেন, সাংসারিক সমস্যা দেখা দেবে। যদি তাতেও তিনি দৃকপাত না করে জোর করে এই রত্ন ধারণ করেন তবে শুধু সেই ব্যক্তি নয়, তাঁর সমগ্র পরিবার এই রত্নের কুপ্রভাব ভোগ করে। অনেকে প্রাণ দিয়ে এই রত্ন জোর করে ধারণ করার মূল্য দিয়েছেন।

এ দিক থেকে এমিথিস্ট অনেকটাই নিরাপদ। তবে এই রত্নটিও ধারণ করার আগে জ্যোতিষীর পরামর্শ নেওয়া জরুরি।