T-20 World Cup : টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের ছায়া, সন্দেহের মূলে খোদ ক্যাপ্টেন; তদন্তে ICC

ক্রিকেটে ফের ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ।  তাও আবার বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে আইসিসি।

Advertisement
টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের ছায়া, সন্দেহের মূলে খোদ ক্যাপ্টেন; তদন্তে ICC কানাডার অধিনায়ক
হাইলাইটস
  • ক্রিকেটে ফের ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ
  • তাও আবার বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে

ক্রিকেটে ফের ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ।  তাও আবার বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে আইসিসি। ইএসপিএনক্রিকইনফোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিক্সিংয়ের সন্দেহ করা হচ্ছে নিউজিল্যান্ড ও কানাডার মধ্যে খেলা বিশ্বকাপের একটি ম্যাচ ঘিরে। টি টোয়েন্টি ফর্মাটের সেই ম্যাচটি হয়েছিল ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি। সেখানে কিউয়িরা জিতেছিল ৮ উইকেটে।

ওই ম্যাচে কানাডার অধিনায়ক ছিলেন দিলপ্রীত বাজওয়ার। তাঁরই বল করা একটি ওভার নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। সেই ম্যাচে দিলপ্রীত নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের পঞ্চম ওভারে বল করতে আসেন। সেই সময় নিউজিল্যান্ডের স্কোর ছিল দুই উইকেটে ৩৫ রান। কানাডা প্রথম দিকের ওভারগুলো ফাস্ট বোলারদের দিয়ে করলেও পরে স্পিন বোলিংয়ের আশ্রয় নেয়। 

দিলপ্রীত বাজওয়া নো-বল দিয়ে তার ওভার শুরু করেন, এরপর একটি ওয়াইড বল করেন। বাজওয়া ওই ওভারে ১৫ রান দেন। এই বিষয়টি নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। যদিও এখনও কোনও খেলোয়াড় বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ আনা হয়নি। 

এই তদন্তে  নতুন মাত্রা যোগ করেছে কানাডার প্রাক্তন কোচ খুররাম চৌহানের একটি অডিও রেকর্ডিং। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন,  ক্রিকেট কানাডার প্রাক্তন বোর্ড সদস্যরা তাঁকে জাতীয় দলে নির্দিষ্ট কিছু খেলোয়াড়কে জায়গা করে দেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছিলেন। রেকর্ডিংটিতে আরও দাবি করা হয়েছে যে, দল নির্বাচনকে প্রভাবিত করার এবং নির্দিষ্ট কিছু ম্যাচ ফিক্সিংয়ের চেষ্টা করা হয়েছিল। 

আর এক প্রাক্তন কোচ পাবুদু দাসানায়েকেও একই ধরনের অভিযোগ করেছিলেন। তাঁর দাবি, ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে দলে নির্দিষ্ট কিছু খেলোয়াড়কে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য তাঁকে চাপ দেওয়া হয়েছিল। তিনি তা করতে অস্বীকার করলে, চুক্তি বাতিলের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। কানাডিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের তথ্যচিত্র 'করাপশন, ক্রাইম অ্যান্ড ক্রিকেট'-এর মাধ্যমে এই অভিযোগগুলো প্রকাশ পায়। ৪৩ মিনিটের এই তথ্যচিত্রে ক্রিকেট কানাডার অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি, প্রশাসনিক সংকট, খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক প্রদানে বিলম্ব এবং সংগঠিত অপরাধের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হয়েছে।

Advertisement

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর কানাডিয়ান খেলোয়াড়দের প্রাপ্য পুরস্কারের অর্থ সময়মতো দেওয়া হয়নি। এছাড়াও, ২০২৫ সালের জুলাইয়ের পর জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা চুক্তিবিহীন হয়ে পড়েন। পরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে সীমিত পারিশ্রমিকের বিনিময়ে তাদের পুনর্বহাল করা হয়।

এই বিষয়ে আইসিসির অন্তর্বর্তীকালীন জেনারেল ম্যানেজার অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ বলেছেন যে, যেখানেই খেলার নিরপেক্ষতা ঝুঁকির মুখে বলে মনে করা হয়, সেখানেই এসিইউ (ACU) তদন্ত করে। তবে, তিনি স্পষ্ট করেছেন যে চলমান তদন্তের কারণে এই মুহূর্তে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো সম্ভব নয়।

 

POST A COMMENT
Advertisement