লক্ষ্মীরতন শুক্লাবাংলার সিনিয়র ক্রিকেট দলের কোচ থাকছেন লক্ষীরতন শুক্লা (Laxmi Ratan Sukla)? গত মরসুমে রঞ্জি ট্রফিতে (Ranji trophy) বাংলা দল সেভাবে ভাল পারফর্ম করতে না পারলেও, এর আগে লক্ষ্মীর কোচিং-এ ফাইনালে পৌঁছেছে বাংলা। তাঁর সঙ্গে বাংলার ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থার চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ার পরে সিএবি-র বিবৃতির জেরে এই প্রশ্ন উঠছে।
তবে সূত্রের খবর, এখনও অবধি বাংলা দলের কোচ হিসেবে লক্ষ্মীই প্রথম পছন্দ সিএবি-র। তবে চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ায়, তাঁর মেয়াদ বাড়াতে বিজ্ঞপ্তি দিল সিএবি। ২০২২ সালে তিনি দায়িত্ব নিয়েছিলেন। ২০২৬-এ তাঁর চুক্তি শেষ হয়েছে। সে কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিল সিএবি। এর আগে কোচ নিয়োগের জন্য এভাবে কখনও বিজ্ঞপ্তি দেয়নি সিএবি। সেদিক থেকে দেখতে গেলে সংস্থার ইতিহাসে বেনজির পদক্ষেপ করার পরিকল্পনা হয়ে গিয়েছে।
গত চার বছর ধরে বাংলার সিনিয়র দলের কোচ ছিলেন লক্ষ্মীরতন শুক্ল। ২০২২ সালে তাঁকে সিনিয়র দলের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাঁর সহকারী হিসাবে কাজ করেছেন শিবশঙ্কর পাল, অরূপ ভট্টাচার্য, চরণজিৎ সিংহরা। লক্ষ্মীরতনের কোচিংয়ে গত রঞ্জি ট্রফিতে সেমিফাইনালে উঠেছিল বাংলা দল। শেষ চারের ম্যাচে কল্যাণীর বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমির মাঠে জম্মু ও কাশ্মীরের কাছে হেরে যায় বাংলা। ১৯৮৯-৯০ মরশুমের পর থেকে আর রঞ্জি ট্রফি আসেনি বাংলার ড্রেসিংরুমে। কোচ বদল হয়েছে, অধিনায়ক পাল্টেছে, কিন্তু মোক্ষলাভ হয়নি। এবার কি তাহলে পুরোপুরি নতুন কোচ ও সাপোর্ট স্টাফদের দেখা যাবে বাংলা দলের দায়িত্বে?
সিএবি সূত্রে খবর, সেটা এখনও চূড়ান্ত নয়। পুরোটাই নির্দিষ্ট পদ্ধতি অবলম্বন করে করা হবে। তবে কোচ হিসাবে নতুন কাউকে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। লক্ষ্মীরতন ও তাঁর সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে। কোচ লক্ষ্মীকে নিয়ে অবশ্য সিএবি-র অসন্তোষ নেই। বরং বলা হচ্ছে, কোচ তাঁর দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি তো আর মাঠে নেমে খেলবেন না! ক্রিকেটারেরা বড় ম্যাচে ব্যর্থ হলে একা কোচকে দায়ী করায় রাজি নন সিএবি কর্তারা। বলা হচ্ছে, লাল বলের ক্রিকেটে গত কয়েক মরশুম ধরেই ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলছে বাংলা। তবে নক আউট পর্বে গিয়ে হেরে যাচ্ছে। সেই ধারা পাল্টাতে চায় সিএবি।
বাংলার কোচ নিয়োগের ক্ষেত্রে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। ভারতীয় বোর্ডও টিম ইন্ডিয়ার কোচ নিয়োগের সময় এভাবে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। তারপর আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেয় ক্রিকেট উপদেষ্টা কমিটি। তারপর কোচের নাম চূড়ান্ত হয়।