দলীপ ট্রফির (Duleep Trophy) প্রথম দিন সবার নজর ছিল কেমন খেলেন মহম্মদ শামি (Mohammed Shami), মুকেশ কুমার (Mukesh Kumar) ও রজত পাতিদার (Rajat Patidar)। বিশেষ করে বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীরা তাকিয়ে ছিলেন শামি এবং মুকেশের দিকেই। তবে প্রথম দিন দু'জনেই চূড়ান্ত ব্যর্থ। যদিও রীতিমতো টি-টোয়েন্টি মেজাজে শতরান করেছেন রজত পাতিদার।
চোট সারিয়ে নেমেও সাফল্য পেলেন না শামি
প্রসঙ্গত চোট সারিয়ে দীর্ঘদিন পরে মাঠে নেমেছিলেন শামি। তবে প্রথম দিন ১৭ ওভার বল করে মাত্র একটি উইকেট পেয়েছেন তিনি। তবে তিনি যে একটি উইকেট পেয়েছেন সেটিও ছিল প্রতিপক্ষ দলের টেল এন্ডার মাহিল লোথারের উইকেট। নতুন বলে একেবারেই ছন্দে দেখা যায়নি তাঁকে।
এই ম্যাচে নামার আগেই অবসর নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন শামি। জানিয়ে দিয়েছেন, এখনও ক্রিকেট খেলে যেতে চান তিনি। তবে চোট থাকায় ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ তো বটেই, এশিয়া কাপের দলেও জায়গা হয়নি তাঁর। ফিটনেস টেস্ট পাশ করে দলীপ ট্রফিতে ফিরে এলেও আশানুরূপ পারফর্ম করতে পারলেন না তিনি।
চোট পেয়েছেন মুকেশ
পাশাপাশি মুকেশ কুমার ১১.৫ ওভার বল করলেও, একটিও উইকেট পাননি। আর আরও চিন্তার কারণ হল, দিনের একেবারে শেষ দিকে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন মুকেশ। মুকেশও ইংল্যান্ড সিরিজে জায়গা পাননি। তাঁকে নেওয়া হয়নি এশিয়া কাপের দলেও। এর মধ্যেই ফিরে আসার লড়াইয়ে এই ধাক্কা কিছুটা হলেও তাঁর চাপ বাড়াবে। তবে শামি বা মুকেশ দু'জনের ক্ষেত্রেই মনে রাখতে হবে, ঘরোয়া ক্রিকেটের মরসুম সবে শুরু হল। ফলে ফেরত আসার অনেকটাই সময় থাকছে তাদের সামনে। এমনকি দ্বিতীয় ইনিংসেও ভাল বল করে ফের নিজেদের জাত চেনাতে পারেন তাঁরা।
দারুণ ছন্দে রজত পাতিদার
পূর্বাঞ্চলের হয়ে বাংলার এই দুই পেসার মেলে ধরতে না পারায় দিনের শেষে উত্তরাঞ্চলের স্কোর ৬ উইকেটে ৩০৮ রান। এই ম্যাচে পূর্বাঞ্চলের অধিনায়ক ছিলেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ। তবে ফ্লুর কারণে খেলতে পারেননি তিনি। অন্যদিকে দলীপের আরেকটি ম্যাচে ব্যাট করে মধ্যাঞ্চলের স্কোর ২ উইকেটে ৪৩২। অধিনায়ক রজত ৯৯ বলে ১২৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন। নিজেদের ঠিকভাবে মেলে ধরতে পারেননি। এবার দেখার পরের ইনিংসে লড়াইয়ে ফেরত আসতে পারেন কিনা।