ইস্টবেঙ্গলবৃহস্পতিবার আইএসএল-এর চতুর্থ ম্যাচে নামছে ইস্টবেঙ্গল। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ভাল শুরু করলেও অস্কার ব্রুজোর দলের তাল কাটে জামশেদপুর এফসি ম্যাচে। ১ গোলে এগিয়ে থেকেও সেই ম্যাচে ১-২ ব্যবধানে হার। এই ম্যাচের পরেই সূচি নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। আর এবার এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের আগেও একই ক্ষোভ অস্কারের গলায়।
ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে ইস্টবেঙ্গল কোচ বলেন, 'নর্থইস্ট ম্যাচ প্রাইমটাইম সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় খেলা হয়েছে। অদ্ভুতভাবে রামদান শুরু হওয়ার পর আমাদের সব ম্যাচ বিকেল পাঁচটায় দেওয়া হয়েছে। আবার রমযান শেষের পর আমাদের সব ম্যাচ আবার প্রাইমটাইম সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দেওয়া হয়েছে। আমাদের মনে রাখতে হবে আমাদের দলে পাঁচ জন মুসলিম ধর্মালম্বী ফুটবলার আছে।'
ফেডারেশনের উচিত ফুটবলারদের কথা ভাবা। ইস্টবেঙ্গল এ ব্যাপারে চিঠিও লিখেছেন। অস্কার বলেন, 'যারা পবিত্র রামদান মাসে প্রায় ১২ ঘণ্টার ওপর উপবাস করে। আমি ক্রিস্টান হওয়ায়, ওদের কষ্ট শারীরিকভাবে না হলেও, বুঝতে পারি ওরা কতটা কষ্ট নিয়ে খেলছে। অবশ্যই ফেডারেশনের এটা নিয়ে ভাবা উচিত। আমরা চিঠি দিয়েছি। কাল ভারতের খেলা আছে, তাই প্রাইম টাইমে এই ম্যাচ পরিবর্তন করার কোনও সুযোগ নেই। কিন্তু পরের ম্যাচে চেঞ্জ হবে কিনা জানি না। তবে বিকেল পাঁচটায় এত গরমে খেলা ফুটবলারদের উপরে প্রভাব ফেলছে, যেহেতু তাঁরা না খেয়ে রয়েছে। এটা খুবই বিরক্তিকর।'
রেফারির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গলের রশিদ। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে যুবভারতীতে সাংবাদিক বৈঠকে আসেন মিডফিল্ডার মহম্মদ বাসিম রশিদ। সেখানে কোচ ব্রুজো রেফারিং ও সূচি নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। বলেন, ‘আমরা সুবিধা পাচ্ছি না, জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে প্রথম গোলটা অফসাইড ছিল। আমি রেফারিং নিয়ে কিছু বলতে চাই না, তবে রেফারিং ঠিক হলে আমরা হারতাম না।’ রশিদ রোজা রাখা নিয়ে বলেন, 'আমরা নিজেদের উপর বিশ্বাস রাখছি। রোজ়া রেখে খেলতে নামাটা কারও জন্য সহজ নয়। মানসিক দিক থেকে শক্তিশালী থাকতে হয়। দিনের শেষে আমরা সবাই দলের জন্যই খেলি।’