এই ফ্রেমে পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক বাবর আজম। (গেটি)চাপে রয়েছেন বাবর আজম। ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ যত এগিয়ে আসছে, ততই চাপ বাড়ছে তাঁর উপর। অবস্থা এমন যে দলে জায়গা ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন। নেদারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১৮ বলে ১৫ রান করে আউট হন। আমেরিকার বিরুদ্ধে ৩২ বলে ৪৬ রান করেন। তবুও তাঁর প্রাক্তন সতীর্থরা বাবরের ওপর আশ্বাস রাখতে পারছে না। অনেকেই মনে করছেন, সেই ম্যাচে আর কিছু দেওয়ার নেই তারকা ক্রিকেটারের।
টিভিতে লাইভ সম্প্রচার চলাকালীন বাবরকে নিয়ে হাসিঠাট্টা করেন তাঁর এক সময়ের সতীর্থরা। ভারতের বিরুদ্ধে কত রান করবেন বাবর? এ নিয়েই শুরু হয় বাজি ধরা। আহমেদ শেহজাদ, মহম্মদ আমির এবং রশিদ লতিফ বাজি ধরেন।। শেহজাদ জানান, বাবর যদি ভারত ম্যাচ জেতাতে পারে, তাহলে তিনি অনুষ্ঠানের দর্শক এবং সাপোর্ট স্টাফের জন্য খাবার আনবেন। পাল্টা দেন আমির। তিনি বলেন, বাবর ১৫০ এর বেশি স্ট্রাইক রেট বজায় রেখে ৫০ রান করতে পারলে অবসর ভেঙে আবার ক্রিকেটে ফিরবেন।
আহমেদ শেহজাদ বলেন, 'দর্শক কো-অর্ডিনেটরকে সেদিন খাবার আনতে হবে না। সবাই খাবার পাবে।' তারপর মহম্মদ আমিরের হয়ে শোয়ার অ্যাঙ্কর বলেন, 'যদি বাবর ১৬০ স্ট্রাইক রেট রেখে পাকিস্তানকে জেতাতে পারে, আমির অবসর ভেঙে ফিরবে। তবে শুধু এই স্ট্রাইক রেট রেখে বড় ইনিংস খেললে।' আমির কিছু বলার আগেই উত্তর দেন শেহজাদ। তিনি বলেন, 'আমরা একটু বাস্তববাদী হই। ১৫০ স্ট্রাইক রেট রেখে ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেললে, এবং ৫০ রান করলে, এই কন্ডিশনগুলো আমরা মানব।' তাতে রাজি হয়ে যান আমির।
বাবর আজমের রেকর্ড নিয়ে সমালোচনা চলছে। টি-টোয়েন্টিতে ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচে বাবর মাত্র ১০৫ রান করেছেন, গড়ে ২৬.২৫ এবং স্ট্রাইক-রেট ১২৮.০৫। ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অপরাজিত ৬৮ রানের পর থেকে, পাকিস্তানের এই তারকা ভারতের বিপক্ষে ১০, ১৪, ০ এবং ১৩ রান করেছেন। শেষ দুটি স্কোর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ২০২২ এবং ২০২৪ সংস্করণে এসেছিল, যার অর্থ রবিবার কলম্বোতে সংঘর্ষের সময় স্পটলাইট তার উপর থাকবে।