WI VS ENGটি২০ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ইংল্যান্ডের সামনে জেতার জন্য ১৯৭ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৩০ রানে এই জয় দুইবারের চ্যাম্পিয়নদের জাত চেনালো আরও একবার। শুরুটা খারাপ হলেও, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস শেষ হয় ১৯৬ রানে। সেই সময়ই জয়ের গন্ধ পেয়ে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৬৬ রানে শেষ হয় ইংল্যান্ডের ইনিংস।
ইংল্যান্ডের ইনিংস
গুডাকেশ মোটি ৩ উইকেট তুলে নেন। ৪ ওভারে ৩৩ রান দেন। ২৯ রান দিয়ে ২ উইকেট তোলেন রস্টন চেজ। স্যাম কারেন ছাড়া ইংল্যান্ডের কেউই সেরকম রান পাননি। ৩০ বলে ৪৩ রান করেন তিনি। এছাড়া কেউই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেননি। ফিল সল্ট ভাল শুরু করলেও ১৪ বলে ৩০ রান করে আউট হন। ৭৬ রানে শেষ ৬ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস
শুরুটা ভাল ছিল না ওয়েস্ট ইন্ডিজের। তিন বলের মধ্যে তারা হারায় দুই ওপেনার ব্রেন্ডন কিং (১) এবং শাই হোপকে (০)। ফর্মে থাকা শিমরন হেটমায়ার (২৩) শুরুটা ভাল করেও ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেননি। সেখান থেকেই শুরু হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রত্যাবর্তন।
ক্যারিবিয়ানদের ভাল জায়গায় পৌঁছে দেন শেরফানে রাদারফোর্ড। ৪২ বলে ৭৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ওয়াংখেড়ের ব্যাটিং পিচেও ১০ ওভারে ৭৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে এক সময় সমস্যায় ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে শেষ ১০ ওভারে ওঠে ১১৭ রান। পঞ্চম উইকেটে রভমান পাওয়েলের (১৪) সঙ্গে ৫১ এবং ষষ্ঠ উইকেটে জেসন হোল্ডারের (১৭ বলে ৩৩) ৬১ রানের জুটি গড়েন রাদারফোর্ড। চারে নেমে কার্যকরী ইনিংস খেলে যান রস্টন চেজও (৩৪)।
রাদারফোর্ডের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি নজর কেড়েছেন হোল্ডারও। স্যাম কারেনকে এক ওভারে তিনটি ছয় মারেন তিনি। ইংরেজ বোলারদের মধ্যে একমাত্র আদিল রশিদ (২/১৬) বাদে কেউ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করতে পারেননি।