
আমেরিকার বিরুদ্ধে জয় দিয়ে টি২০ বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করলেও ভারতের ব্যাটিং নিয়ে বেশ চিন্তিত সমর্থকরা। তবে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় কিন্তু এ নিয়ে চিন্তা করার কোনও কারণ দেখছেন না। একটা সময় টিম ইন্ডিয়া পরপর উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গেলেও ক্যাপ্টেন সূর্যকুমার যাদবের ব্যাটে ছন্দ খুঁজে পায়। লড়াকু রান তুলে আমেরিকাকে আটকে দেয় মাত্র ১৩২ রানে।
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, 'ভারত একটা অত্যন্ত শক্তিশালী এবং শক্তিশালী দল, যেখানে বোলিং, ব্যাটিং, ফিল্ডিং সবকিছুতেই ভারসাম্য রয়েছে। বিশ্বকাপ যত এগোবে, তারা আরও ভালো খেলবে। তারা ২০২৬ সালের আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার অন্যতম ফেভারিট।' ভারতীয় দল পাওয়ার প্লেতে ৪৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে। ঈশান কিষান (২০), তিলক ভর্মা (২৫) ছাড়া কেউই সেভাবে রান পাননি।
৪৯ বল খেলে ৮৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন সূর্যকুমার যাদব। ১০টা চার ও ৪টে ছক্কায় সাজানো তাঁর ইনিংস। ভারত বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের পারফরম্যান্স সম্পর্কে তিনি বলেন, 'সে এই টুর্নামেন্টে অনেক রান করে এসেছে... সে একজন চ্যাম্পিয়ন টি-টোয়েন্টি খেলোয়াড়।'
যদিও ভারতীয় দলের এই পারফরম্যান্স নিয়ে বেশ ভয়ে রয়েছেন ভারতের আরেক কিংবদন্তি সুনীল গাভাস্কার। তিনি বলেন, '১৬০ রান করা সহজ ছিল না, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৩০ রানে জয় পাওয়াটা ভালো ব্যাপার। এখান থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। হ্যাঁ, দলের ব্যাটিং গভীরতা আছে। যদি ৯, ১০ এবং ১১ নম্বরে আটজন ব্যাটসম্যান এবং বোলার থাকে, কিন্তু যদি সেই আটজন ব্যাটসম্যানের মধ্যে চারজন প্রথম ৭-৮ ওভারে আউট হয়, তাহলে আপনি সমস্যায় পড়বেন। বিশেষ করে শক্তিশালী এবং অভিজ্ঞ দলের বিরুদ্ধে।'
গাভাস্কারের বার্তা স্পষ্ট ছিল: ব্যাটিং গভীরতা অজুহাত হওয়া উচিত নয়। বড় টুর্নামেন্টে শুরুতেই ব্যর্থতা বিরাট সমস্যায় ফেলতে পারে। তিনি বলেন, 'পাওয়ারপ্লে ছয় ওভারের, কিন্তু তার মানে এই নয় যে ওই ওভারে চার উইকেট হারাবে। এটা করলে নিজের দল সঙ্কটে পড়ে যেতে পারে।' তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে, প্রতিটি দলই তাদের সেরাটা দেয় কারণ এই ধরনের সুযোগ বারবার আসে না।