ICC T20 World Cup 2026: ভারতকে হারিয়ে করেছিলেন কটূক্তি, সেমিফাইনালে ইডেনেই হারের পর কী বললেন দঃ আফ্রিকা কোচ?

সপাটে চড় খেয়েছে তাঁর দল। সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হারের পর, এমনটাই প্রতিক্রিয়া দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ শুকরি কনরাড। নিউজিল্যান্ডের কাছে ৯ উইকেটে হার। বুধবার ইনিংস বিরতির সময়টুকু ছাড়া একবারের জন্যও মনে হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকা জেতার জায়গায় রয়েছে। এই ইডেনেই কিছুদিন আগে ভারতীয় দলকে হারিয়ে দম্ভ দেখিয়েছিলেন কনরাড। তা সুদে আসলে ফেরত পেলেন এই মাটিতেই।

Advertisement
ভারতকে হারিয়ে কটূক্তি, সেই ইডেনেই হারের পর কী বলছেন দঃ আফ্রিকা কোচ? দক্ষিণ আফ্রিকা

সপাটে চড় খেয়েছে তাঁর দল। সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হারের পর, এমনটাই প্রতিক্রিয়া দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ শুকরি কনরাড। নিউজিল্যান্ডের কাছে ৯ উইকেটে হার। বুধবার ইনিংস বিরতির সময়টুকু ছাড়া একবারের জন্যও মনে হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকা জেতার জায়গায় রয়েছে। এই ইডেনেই কিছুদিন আগে ভারতীয় দলকে হারিয়ে দম্ভ দেখিয়েছিলেন কনরাড। তা সুদে আসলে ফেরত পেলেন এই মাটিতেই।

ফের ফিরল 'চোকার্স' তকমা?
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে দীর্ঘদিনের 'চোকার্স' তকমা থেকে কিছুটা মুক্তি পেলেও, বুধবার ইডেনে এভাবে হারের পর ফের সেই কথাই উঠে আসছে বারবার। যে দলটা একটাও ম্যাচ হারেনি, কিছুদিন আগে খেলে গিয়েছে ভারতের মাটিতে, তাদের এভাবে আত্মসমর্পণ যেন মেনেই নিতে পারছেন না প্রোটিয়া কোচ। তিনি বলেন, 'আমি এই হারটাকে ঠিক চোক হিসাবে দেখেছি না। বরং এটা তার চেয়ে অনেক বড়।' 
  
ভারতকে হারিয়ে কী বলেছিলেন শুকরি কনরাড? 
ভারতকে টেস্টে হারিয়ে এই ইডেন দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ বলেছিলেন, 'ভারতীয়দের পায়ের তলায় রাখতে চেয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।' এই কথাটি বলতে গিয়ে তিনি ব্যবহার করেছেন ইংরাজির ‘গ্রোভেল’ শব্দটি। যা বর্ণবিদ্বেষের প্রতীক। দক্ষিণ আফ্রিকায় এক সময় এই শব্দটি ব্যবহার করা হত কৃষ্ণাঙ্গ মানুষদের অপমান করার জন্য। আজ যেন সেইভাবেই তাঁদের পিষে দিল নিউজিল্যান্ড। কনরাড বলেন, 'এটাকে চোক বোলার কোনও জায়গা নেই। এটা চরম আঘাত। 'চোক' করতে গেলে, আপনাকে অন্তত ম্যাচে থাকতে হবে, এবং আমরা ম্যাচেই ছিলাম না।'

কীভাবে হারল দক্ষিণ আফ্রিকা
প্রথমে ব্যাট করে দক্ষিণ আফ্রিকা ২০ ওভারে ৮ উইকেটে মাত্র ১৬৯ রান করে। নিউজিল্যান্ডের হয়ে কোল ম্যাককনচি, রচিন রবীন্দ্র এবং ম্যাট হেনরি দুর্দান্ত বোলিং করেন এবং দুটি করে উইকেট নেন। কেবল মার্কো জ্যানসেন (৩০ বলে অপরাজিত ৫৫) কিউই বোলারদের সামনে টিকে ছিলেন। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই নিউজিল্যান্ড আধিপত্য বিস্তার করে।

ফিন অ্যালেন ৩৩ বলে অপরাজিত ১০০ রান করেন, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্রুততম সেঞ্চুরি। ওপেনার টিম সেইফার্টও ৩৩ বলে ৫৮ রানের অবদান রাখেন। অ্যালেন এবং সেইফার্ট পাওয়ারপ্লেতে ম্যাচের সুর তৈরি করেন, ৫৫ বলে ১১৭ রানের জুটি গড়েন। নিউজিল্যান্ড এখন ৮ মার্চ আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে ফাইনালে তাদের শক্তি প্রদর্শন করবে। 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement