ফ্রেমে নিউজিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেল (বাঁয়ে) এবং ভারতের শুভমান গিল। (গেটি)বরোদায় প্রথম ম্যাচে হারের পর, রাজকোটে দ্বিতীয় ম্যাচে দারুণভাবে ফেরত এল নিউজিল্যান্ড। শুধু তাই নয়, তিন ম্যাচের সিরিজে লড়াইয়ে থাকল কিউয়িরা। এই ম্যাচের পর ভারতের ফিল্ডিং নিয়ে যেমন প্রশ্ন থাকবে, তেমনই প্রশ্ন থাকবে মিডল অর্ডার নিয়েও। কোন তিন কারণে রাজকোটে হারল ভারতীয় দল?
ব্যাটিং-এ গলদ
রোহিত শর্মা, শুভমন গিল, বিরাট কোহলিরা রান না পেলে কে এল রাহুলই ভরসা। নতুন ভারতীয় দলের কোনও ব্যাটারই ভরসা দিতে পারছেন না। রাজকোট তো বটেই, বরোদাতেও প্রায় হেরে যেতে বসেছিল ভারত। সেখান থেকে কেএল রাহুলই দলকে ফিরিয়ে আনেন। মিডল অর্ডার ব্যাটারদের মধ্যে রবীন্দ্র জাদেজা, শ্রেয়স আইয়ার, নীতিশ রেড্ডি ও হর্ষিত রানা রান পাননি। এরা রান পেলে, ভারতের রান ৩০০ পেরিয়ে যেতে পারত। তবে তা হয়নি।
ফিল্ডিং-এ ব্যর্থতা
একটা সময় ভারতের অন্যতম শক্তি ছিল ফিল্ডিং। সেখানে দেখা যাচ্ছে দলের সবচেয়ে ভাল ফিল্ডার জাদেজাই চাপে পড়ে যাচ্ছেন। সোজা তিনটে উইকেট দেখতে পেয়েও তাঁর থ্রো উইকেটে লাগছে না। ফিল্ডিং করতে গিয়ে তা মিস হচ্ছে, এমনকি তা পৌঁছে যাচ্ছে বাউন্ডারিতে। তবে শুধু জাদেজা নন। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণও ক্যাচ মিস করছেন। লং-অন থেকে বাঁ দিকে দৌড়ে গিয়েও ক্যাচ ফেলে দেন। মনে হচ্ছিল তিনি বলটির নিচে চলে এসেছিলেন, বলটি যখন তার বুকের কাছে আসছিল তখন তিনি পাশ ফিরে ছিলেন, বলটি তার বাম হাতে আঙুলের ওপর লেগে পিছলে বেরিয়ে যায়। বলটি অফ-স্টাম্পের সামান্য বাইরে একটি ফুল লেন্থের বল ছিল। মিচেল এক হাঁটু গেড়ে বসে ব্যাট চালিয়েছিলেন।
বোলিং-এ সমস্যা
এক জায়গায় ক্রমাগত বল করে যাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে ভারতের বোলারদের। কখনও শর্ট করছেন, তো কখনও লেগ সাইডের দিকে। ফলে চাপ তৈরি হলেও, তা ধরে রাখা যাচ্ছে না। পার্টনারশিপ হচ্ছে না বোলারদের মধ্যে। ব্যাটাররা বুঝতে পারছেন, কিছু সময় টিকে থাকলেই রান আসবে।