

শাহিন শাহ আফ্রিদি কি ভারতের এজেন্ট? কলম্বোতে টি২০ বিশ্বকাপের ম্যাচের পর এমনটাই মনে করছেন পাক সমর্থকরা। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছে যায় যে সলমন আলি আঘা তাঁকে দিয়ে ৪ ওভারও বল করার সাহস দেখাতে পারেননি। শাহিনের বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড়ায় ২ ওভার, ৩১ রান দিয়ে ১ উইকেট।
প্রথম ইনিংসের শেষ ওভারে বল করতে এসে শাহিন ভারতের ব্যাটার অক্ষর প্যাটেলের উইকেট নেন। তবুও গোটা ম্যাচ জুড়েই তাঁকে একেবারেই ছন্দহীন দেখিয়েছে। লাইন লেন্থ ঠিক ছিল না। সলমন আলি আঘা প্রথম উইকেট তুলে নিলেও চাপ বজায় রাখতে পারেননি। উলটে তাঁর ওভারেই ১৫ রান নিয়ে সেট হয়ে যান ঈশান কিষান।
কখনও ব্যাক–অফ–লেংথ কাটার, কখনও অফ স্টাম্পের বাইরে ফুল লেংথ বল, কোনও ডেলিভারিই ব্যাটারকে সমস্যায় ফেলতে পারেনি। গতির তারতম্য ও সুইং আনার চেষ্টা করলেও ধারাবাহিকতার অভাবে ভারতীয় ব্যাটাররাই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন এবং আত্মবিশ্বাস ফিরে পায় ভারত। ইনিংসের শেষ ওভারেও পরিস্থিতি বদলাতে ব্যর্থ হন শাহিন। শিবম দুবে স্লটের মধ্যে পাওয়া স্লোয়ার বল চার মারেন। এরপর রিঙ্কু সিং ইয়র্কারকে হাফ ভলি বানিয়ে মিড উইকেটের উপর দিয়ে লম্বা ছক্কা মারেন শাহিনকে।

আরেকটি স্লোয়ার বলে চার হাঁকান। শেষ পর্যন্ত ডিপ মিড উইকেটে অক্ষর প্যাটেল ক্যাচ দিয়ে বসলে উইকেট নিয়ে কিছুটা সান্ত্বনা পান শাহিন। এই হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় পাকিস্তানের এই পেসারকে। কেউ তাঁকে ‘ভারতের দ্বাদশ খেলোয়াড়’ বলে বিদ্রুপ করেন, আবার কেউ মজা করে ‘ভারতীয় এজেন্ট’ বলেও আক্রমণ করেন। অনেক সমর্থকের মতে, শাহিন বর্তমানে সম্পূর্ণ ফর্মের বাইরে রয়েছেন এবং ভারতের বিরুদ্ধে তাঁর বোলিং ছিল অত্যন্ত নিষ্প্রভ। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এমন পারফরম্যান্স যে পাকিস্তান শিবিরের উদ্বেগ বাড়িয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই এমনটাই মত ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের।