প্রথম ম্যাচে হার KKR-এর২০১২-র পর প্রথমবার আইপিএল-এর প্রথম ম্যাচে জ্য পেল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ঘরের মাঠে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে দারুণ শুরু পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের। ওয়াংখেড়েতে ২২০ রান করেও হারতে হল অজিঙ্কা রাহানেদের। মরসুমের প্রথম ম্যাচেও ২০০-র উপর রান তাড়া করে জিতেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। তবে কলকাতার হার অনেকগুলো প্রশ্ন তুলে দিল।
যে ৫ কারণে হার কেকেআর-এর
বোলিং-এ অনভিজ্ঞতা- বোলিং বিভাগে বিশেষ করে পেস বোলিং-এর ক্ষেত্রে সমস্যায় কেকেআর। তিনবারের চ্যাম্পিয়নরা দলে পায়নি মুস্তাফিজুর রহমানকে। তাঁর জায়গায় আসা ব্লেসিং মুজারাবানি প্রথম ম্যাচে অন্তত নজর কাড়তে ব্যর্থ। দলে থাকা অন্য বোলারদের মধ্যে বৈভব আরোরাকে দিয়ে বা কার্ত্তিক ত্যাগিকে দিয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে হারানো কঠিন। আর সেটাই হয়েছে।
ক্যামেরন গ্রিনকে ব্যবহার না করা- দলে ছিলেন ক্যামেরন গ্রিন। তবে তাঁকে দিয়ে কেন বল করানো হল না সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই। যখন দলের সকলেই রান খাচ্ছেন, উইকেট আসছে না তখনও কেন তাঁকে বল দেওয়া হল না? প্রশ্ন উঠবে তা নিয়েও। টি২০ ক্রিকেটে গ্রিন অন্যতম বড় নাম। ফলে তাঁকে ব্যবহার না করা বড় ভুল।
ব্যাট হাঁতে মাঝের ওভারে রান না পাওয়া- ব্যাট হাঁতে ফিন অ্যালেন, অজিঙ্কা রাহানে দারুণ শুরু করেন। তবে এই দুই ব্যাটার আউট হওয়ার পর শার্দূল ঠাকুর ও জসপ্রীত বুমরা কেকেআর-এর রানে লাগাম পড়ান। এমনকি হার্দিক পান্ডিয়াও দারুণ বল করেন। ফলে রান অনেকটা আটকে যায়। ২২০ রান করে এই উইকেটে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে আটকানো যে কঠিন হবে, তা মুম্বইয়ের ইনিংস শুরু হওয়ার পর বুঝিয়ে দেন রোহিত শ্তমা ও রায়ান রিকেলটন। এরপর ম্যাচ জিতে নিতে খুব একটা সমস্যা হয়নি।
স্পিনারদের ব্যর্থতা- স্পিনাররা ভাল করতে পারেননি। ওয়াংখেড়ের পিচে যা সবসময়ই হয়ে থাকে। সুনীল নারিন, বরুণ চক্রবর্তীরা কার্যত পাত্তাই পাননি। ৪ ওভারে ৪৮ রান খেয়েছেন বরুণ। আর সুনীল নারিনকে দিয়ে পুরো কোটার ওভার করানোর সাহসই দেখাতে পারেননি স্ট্যান্ড ইন ক্যাপ্টেন রিঙ্কু সিং।
ফিল্ডিং-এ ব্যর্থতা- দশম ওভারে ক্যাচ মিস করেন বৈভব আরোরা। রায়ান রিকেলটনের শট বাউন্ডারি লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বৈভব এগিয়ে এলেও ক্যাচ মিস করেন। এমন ম্যাচে এই ধরণের ম্যাচ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। সেটা না হলে ম্যাচ হাত থেকে বেরিয়ে যায়। আর সেটাই হয়েছে রবিবার।